• ঢাকা
  • বুধবার, ২৭ মে ২০২০ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭

দারুচিনি দ্বীপে একদিন

দারুচিনি দ্বীপে একদিন

হাসনা হেনা, শ্রীপুর, গাজীপুর : বেশ ক'বার কক্সবাজার ভ্রমণ করা হলেও সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ এই প্রথম। আমরা কক্সবাজার যাওয়ার পরই হঠাৎ মনস্থির করলাম ,এবার সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে যাব। আমার সাথে ভ্রমণসঙ্গী ছিল আমার ছেলে ,মেয়ে আর ছোট ভাইয়ের পরিবার। ছোট ভাই ১৬-০১-২০২০ইং সন্ধ্যার পর সেন্ট মার্টিন যাওয়া- আসার বাস এবং জাহাজের টিকেট কনফার্ম করে এসে বলল , আপা ভোর পাঁচটায় আমাদের হোটেলের সামনে টেকনাফ যাওয়ার বাস আসবে, আমাদের পাঁচটার মধ্যে তৈরী হয়ে হোটেলের সামনে গিয়ে দাঁড়াতে হবে।সবাই ভোর চারটায় ঘুম থেকে উঠে ঝটপট রেডি হয়ে নিচে নেমে কিছুক্ষণ দাঁড়াতেই কাঙ্ক্ষিত বাস চলে এলো। সবাই বাসে উঠে গেলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাস ছেড়ে দিলো।

কক্সবাজার সদর থেকে টেকনাফের দূরত্ব প্রায় ৮৬ কিলোমিটার।খুব ভোরে কনকনে শীত, হাত পা ঠান্ডায় জমে যাচ্ছিল। ঘন কুয়াশার কারণে কয়েক হাত দূরের কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। অনেক দিনের লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে গিয়ে এই কষ্টটুকু আনন্দ দিয়েছে। কুয়াশা ঢাকা প্রকৃতির এক অদ্ভুত সৌন্দর্য আছে। মনে হচ্ছিলো গায়ে ধূসর রঙের চাদর  জড়িয়ে আছে প্রকৃতি। আঁকা বাঁকা উঁচু-নিচু পথ। দুল খেতে খেতে বাস ছুটে চলল টেকনাফের পথে। পথের দু'পাশে ফসলি জমি , উঁচু-নিচু পাহাড়, সবুজ বন, ঝোপ-ঝাড়,বিস্তর লবণ চাষের মাঠ, গা ঘেঁষে ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গাশরণার্থীদের ঘর-বাড়ি ,রোহিঙ্গা শিশুরা শীতের সকালে খড়কুটো পুড়িয়ে আগুন পোহাচ্ছিল।

রাস্তার পাশেই শিশির ভেজা তরতাজা শাক- সবজির হাঁট বসেছে, বাসে বসে এসব দেখতে দেখতে টেকনাফ পৌঁছে গেলাম সকাল ৯টার কিছুটা আগেই। বাস থেকে নেমেই সোজা ছুটলাম জাহাজের কাছে। জাহাজের কাছে গিয়ে লোকজনের ভীড় ঠেলে ,জাহাজে ওঠে নিজেদের আসন খুঁজে বের করে, বসে পড়লাম। আমাদের জাহাজের নাম ছিল কেয়ারী সিন্দবাদ, নামটা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল!সাড়ে ন'টার দিকে জাহাজ ছাড়ল সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশ্যে।তুমুল আলোচিত রোমাঞ্চকর নাফ নদী জীবনে প্রথম দেখলাম। নাফ নদীর দু'ধারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে পাহাড়।

পাহাড়ের গায়ে গায়ে ল্যাপ্টে আছে সবুজ আর সবুজ।সূর্য উঠেছে কিন্তু কুয়াশা পুরোপুরি কাটেনি তাই দূর থেকে সবুজ গাছগুলোকে কেমন যেন ধূসর সবুজ দেখাচ্ছিল। জাহাজ চলছে জলের বুকে অদ্ভুত ছন্দ তুলে। আহা !অপরূপ নাফ নদী ।একদিকে পাহাড়, আমাদের বাংলাদেশের টেকনাফ।

অন্যদিকে দূরে দেখা যাচ্ছিল মায়ানমার সীমান্ত এলাকা। জাহাজ চলার কিছুক্ষণের মধ্যেই ঝাঁকে ঝাঁকে গাঙচিল হল আমাদের সারথী। জাহাজের যাত্রীরা চিপস, বাদাম, বিস্কিট যার কাছে যা ছিল তাই ছুঁড়ে দিচ্ছিল । জাহাজের চারপাশে শত শত গাঙচিল। আমরা চলছি ,ওরাও চলেছে আমাদের সাথে সাথে।একটু খাবারের লোভে জাহাজের পেছন পেছন দলবেঁধে উড়ছিল ওরা, এদৃশ্য ঠিক কতোটা সুন্দর বলে বোঝানো যাবে না।অদ্ভুত এক ভালো লাগায় বুঁদ হয়েছিলাম।জাহাজের বারন্দায় দাঁড়িয়ে কয়েকজন উঠতি বয়সী ছেলে গলা ছেড়ে গান গাইছিলো।

আমাদের সাথে জাহাজে সহযাত্রী ছিলো কয়েকজন বিদেশী পর্যটক।আমার ছেলের সাথে জাহাজের মধ্যে  ইংল্যান্ডের এক পর্যটকের পরিচয় হয়, বেশ সময় ধরে দুজন গল্প করলো, ছেলেটির বয়স ২৫/২৬ হবে হয়তো, ছেলেটির নাম জ্যাক অল্প সময়ে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়ে যায়। আমরাও পরিচিত হলাম জ্যাক নামের ছেলেটির সাথে। ছেলেটি ভীনদেশী হলেও বেশ মিশুক প্রকৃতির ছিলো, অল্পতেই মানুষের সাথে মিশতে পারে।হঠাৎ খেয়াল করলাম গাঙচিলের সংখ্যা কমে আসছে। আস্তে আস্তে বুঝতে পারলাম মোহনার দিকে যতই এগুচ্ছি গাঙচিলের সংখ্যা কমছে। ওদের সীমানা মোহনা অব্দি, ওরা সমুদ্রে যায় না।

টের পেলাম হঠাৎ ঢেউ বেড়ে গেছে। বড় বড় ঢেউ এসে জানান দিচ্ছিলো আমরা সমূদ্রে এসে গেছি।জলের রঙ ও বদলে গেল। কিছুক্ষণের মধ্যেই দূরে দেখা যেতে লাগল স্বপ্নের সেই দ্বীপটি। হিমি বাতাস উপেক্ষা করে জাহাজের বারান্দায় দাঁড়িয়ে প্রাণ ভরে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে সেন্ট মার্টিন পৌঁছে গেলাম।অজানাকে জানার, দেখার জন্য -বুকের ভেতর সে এক অন্য রকম অনুভূতি।সেন্ট মার্টিন দ্বীপের তিন দিকের ভিত শিলা, যা জোয়ারের সময় তলিয়ে যায় আর ভাটার সময় জেগে ওঠে। সেন্টমার্টিন দ্বীপ সমতল ও সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা থেকে ৩ দশমিক ৬ মিটার ওপরে। মূল ভূখণ্ড ও দ্বীপের মধ্যবর্তী ৯ দশমিক ৬৬ কি.মি প্রশস্ত প্রণালী দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমের উন্মুক্ত সাগরের তুলনায় অনেক অগভীর। এখানে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিক জুড়ে রয়েছে ১০-১৫ কি.মি প্রবাল প্রাচীর। ভৌগলিকভাবে এটি তিনটি অংশে বিভক্ত।

উত্তরাঞ্চলীয় অংশকে বলা হয় নারিকেল জিঞ্জিরা বা উত্তর পাড়া, এই অংশ ২ হাজার ১৩৪ মিটার দীর্ঘ ও ১ হাজার ৪০২ মিটার প্রশস্ত। দক্ষিণাঞ্চলীয় অংশটি দক্ষিণ পাড়া হিসেবে পরিচিত, যা ১ হাজার ৯২৯ মিটার দীর্ঘ এবং এর সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বিস্তৃত একটি সংকীর্ণ লেজের মতো এলাকা, যার সর্বোচ্চ প্রশস্ততা ৯৭৫ মিটার। একটি সংকীর্ণ কেন্দ্রীয় অঞ্চল বা মধ্য পাড়া দুটি অংশকে সংযুক্ত করেছে। ফিতার মতো এই অঞ্চলের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ যথাক্রমে ১ হাজার ৫২৪ মিটার ও ৫১৮ মিটার এবং সংকীর্ণতম অংশটি গলাচিপা নামে পরিচিত।

কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে সাগরের বুকের মধ্যে এই দ্বীপ। সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের আয়তন ১৯৭৭ একর (৮ বর্গকিলোমিটার সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের লোকসংখ্যা ৭০০০ এর বেশী।

মোটমুটি লম্বা জার্নি করে বেশ ক্লান্তি নিয়ে কেয়ারী সিন্দবাদ থেকে নামলাম।টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিন যেতে দু-আড়াই ঘণ্টা সময় লাগে।হাজারো ভ্রমণ পিপাসুদের মতো আমারও সপ্ন ছিল নীল জলরাশি বেষ্টিত স্বপ্নের দ্বীপটি চোখে দেখার, স্বপ্নের দ্বীপে পা রেখে সপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পেরে খুব আনন্দিত ছিলাম।সেন্ট মার্টিনের মাটিতে কয়েক কদম এগুতেই মুহূর্তেই সব ক্লান্তি উবে গেল। যেদিকে চোখ যায় শুধু নীল আর নীল, আকাশ আর সমুদ্রের নীল মিলেমিশে একাকার। আমরা অবাক চোখে চারপাশে দেখছিলাম।

সমুদ্র কখনও শান্ত কখনও উত্তাল ,চারিদিকে শুধুই নীল জল, তীরে বাঁধা নৌকা, সারি সারি নারকেলগাছ আর ঢেউয়ের ছন্দ, কখনো থেমে থেমে, কখনো আবার মাতাল করা হাওয়া এসে স্পর্শ করে যায়। অ্যাকুরিয়ামের পানিতে সাঁতরে বেড়ানো মাছের মতোই স্বচ্ছ পানিতে জেলি ফিশ, হরেক রকমের সামুদ্রিক মাছ আর কচ্ছপের ঘোরাফেরা। আর এ'সবই ছোট্ট এই দ্বীপটিকে করেছে অনন্য সুন্দর। দ্বীপের দক্ষিণ দিকে প্রচুর পরিমাণে কেওড়ার ঝোপ-ঝাড় আর ম্যানগ্রোভ বন।

অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে শেওলা, সাগরলতা, বাইনগাছ।আসলে বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের সৌন্দর্য বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। ঘুরে দেখতে দেখতেই চোখে পড়লো প্রিয় কথা জাদুকর হুমায়ূন আহমেদের বহুল আলোচিত ‘সমুদ্র বিলাস’। বালু, পাথর, প্রবাল আর জীব বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য এক অপরূপ অবকাশ কেন্দ্র এই ছোট্ট প্রবাল দ্বীপটি।এই দ্বীপের সবচেয়ে বিখ্যাত জিনিস হল ডাব।নারিকেল জিঞ্জিরায় এসে নারিকেলের জল না খেলে কী হয়?

এখানকার ডাবের পানি যেমন মিষ্টি তেমনি সুস্বাদু। তাই অনেকেই জাহাজ থেকে নেমেই আগে ডাবের জল খেয়ে তারপর ঘোরাঘুব়ি শুরু করে। অনেক রেস্তোরাঁর সামনেই বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ সাজিয়ে রাখা হয়েছে। যার যে মাছ খেতে ইচ্ছে করবে বললেই ভেজে দেয়া হবে। কোরাল, সুন্দরী পোয়া, ইলিশ, রূপচাঁদা, লবস্টার, কালাচাঁদা মাছ খেতে খুব সুস্বাদু। প্রায় সারা বছরই পৃথিবীর নানা দেশের বহু মানুষের ভীড় লেগে থাকে এখানে।এ'দ্বীপের সহজ সরল মানুষের জীবন ধারা, সমুদ্রের নীল পানির সঙ্গে অতুলনীয় মিতালি অন্য রকম ভালো লাগা তৈরি করে।এখানকার মানুষের প্রধান পেশা মাছ ধরা।

এছাড়াও এখন পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই রেস্তোরাঁ, হোটেল, বার্মিজ জিনিস পত্রের ব্যবসা শুরু করেছে। সেন্ট মার্টিনের একমাত্র বাহন ভ্যানগাড়ি। আর ভ্যান ভাড়া নিয়ে- ভ্যানে করেই ঘুরেছিলাম আমরা। সেন্ট মার্টিনকে স্থানীয় অনেকেই নারিকেল জিঞ্জিরা বলে। একসময় এই দ্বীপে নারিকেলের ঘন বাগান থাকায় এ' দ্বীপকে নারিকেল জিঞ্জিরা ( নারিকেলের দ্বীপ) বলে থাকে। এ দ্বীপের আরও একটি নাম আছে ,কথায় আছে- সাত শতকের প্রথম ভাগে প্রতিকুল আবহাওয়ার মধ্যে এখানে দারুচিনি বোঝাই আরবের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ পানির নীচে থাকা একটি বিশাল পাথরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ভেঙ্গে পড়ে।

জাহাজে থাকা দারুচিনি এই দ্বীপের সবখানে ছড়িয়ে যায় আর এ'জন্যই সেন্ট মার্টিন দ্বীপের নাম হয়ে যায় ‘দারুচিনির দ্বীপ’। তবে বিগত শতকের প্রথমভাগে ক্যাডাসট্রাল জরিপ চলাকালে জরিপকারি কতৃপক্ষ সম্ভবত একজন ব্রিটিশ সাধকের নামানুসারে এই প্রবাল দ্বীপটির নামকরণ করে সেন্ট মার্টিন’স দ্বীপ (ঝধরহঃ গধৎঃরহ’ং ওংষধহফ)।পর্যটন মৌসুমে এখানে প্রতিদিন ৫টি জাহাজ  টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিন আসা যাওয়া করে। প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজারেরও বেশী পর্যটক সকালে সেন্ট মার্টিন’স দ্বীপে আসেন প্রবাল দ্বারা পরিবেষ্টিত পরিষ্কার নীল পানির সৌন্দর্য একান্তে উপভোগ করতে এবং তারা বিকাল ৩টার মধ্যে এই দ্বীপটি ত্যাগ করেন।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ঘুরতে যাওয়ার আগে জানা রাখা ভালো- শীত মৌসুমে সমুদ্র শান্ত থাকে এবং গ্রীষ্ম-বর্ষা মৌসুমে সমুদ্র উত্তাল থাকে, তখন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ।নভেম্বর থেকে মার্চ পযন্ত মাত্র ৪ মাস জাহাজ চলে। অন্য সময় যেতে হলে ট্রলারে করে যেতে হবে।সেন্টমার্টিনে এখন অনেক হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ আছে তাই থাকার জায়গার অভাব হয় না।আর সাশ্রয়ী দামে থাকতে হলে শুক্রবার-শনিবার দ্বীপে না যাওয়াই ভালো।ওখানে সবকিছু বাইরে থেকে যায়, তাই খাবার খরচ তুলনামূলক ভাবে একটুবেশি। সেন্ট মার্টিন দ্বীপে  বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। তাই পুরোটাই জেনারেটর আর সৌরবিদ্যুৎ নির্ভর।সেন্ট মার্টিন সৈকতের এত স্বচ্ছনীল জলে গা না ভিজিয়ে ফিরতে ইচ্ছে করছিলো না।

হাতে সময় কম থাকায় এই ইচ্ছেটা অপূর্ণই রাখতে হয়েছে।তবে পা ভিজিয়ে হেঁটেছিলাম অনেকটা সময়।সৈকতে ঘন্টায় ৬০-৮০ টাকায় সাইকেল ভাড়ায় নেয়া যায়।আর এটা ছিলো আমার ছেলে আর ভাতিজাদের জন্য বারতি একটা আনন্দ। সমুদ্র সৈকতে সাইকেল নিয়ে ঘুরে অনেক মজা করেছে ওরা। সেন্ট মার্টিনের আসল সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে ওখানে একরাত থাকতে হবে। আর সে রাতটি যদি হয় চাঁদনীরাত, তাহলে তো সোনায় সোহাগা।

অল্প সময়ে অনেকটা জায়গা ঘোরাঘুরি করে ক্লান্তি আর প্রশান্তি দুটোকেই সঙ্গী করে বিকেলেই আবার জাহাজে ওঠেছি।ফিরে আসার সময় অদ্ভুত এক মায়ায় বার বার পেছন ফিরে দেখছিলাম।দ্বীপটি সত্যিই মায়াময়, একবার যে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যাবে অবশ্যই তার মনে দ্বিতীয় বার যাবার আকাঙ্ক্ষা জন্ম নিবে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মানুষ খুব সহজ সরল, তাদের উষ্ণ আতিথেয়তা পর্যটকদের মন কাড়ে।স্বপ্নের মতো সুন্দর আর চোখ জুড়ানো এই দ্বীপটির এসব সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে আমাদের বাংলাদেশের অনন্য সুন্দর প্রবাল দ্বীপ ,সেন্ট মার্টিন'স একবার ঘুরে আসতে হবে।

করোনার মারা গেলেন ধানমন্ডী-মো.....

 

লাখোকণ্ঠ প্রতিবেদক : করোনার মারা গেলেন ধানমন্ডী-মোহাম্মপুরের সাবেক এমপি হাজী মকবুল হোসেন। ঢাকার সম্.....

ডিএনসিসির পক্ষ থেকে ৮৬ হাজার দ.....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন : ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) নিজস্ব তহবিল থেকে ডিএনসিসির ৮৬ হাজার দুঃস্থ ও অসহায় .....

ফটোসাংবাদিক মিজানুর রহমান খা.....

স্টাফ রিপোর্টার : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বাংলাদেশ ফটো জার্ণালিস্ট এসোসিয়েশনের সিন.....

সিগারেটসহ সব ধরণের তামাক পণ্য.....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন : দেশে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব তামাক কোম্পানির উৎপাদন, সরবরাহ, বিপণন ও তামাকপাতা ক্রয়-.....

ঘূর্ণিঝড় আমফান : ১১’শ সাইক্লোন.....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন প্রতিবেদক : ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ইতিম.....

'জীবনাচরণে স্থানীয় চিন্তায় বৈ.....

আরিফ হোসেন হারিছ, সিরাজদিখান(মুন্সীগঞ্জ) : কোভিড ১৯ সংক্রমনের কারণে বিশ্বজুড়ে লকডাউন চলাকালীন বৈশ্বিক শিক্ষ.....

শিমুলিয়ায় বিপাকে হাজারো মানু.....

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি : ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই রাজধানীতে থাকা দক্ষিণবঙ্গের মানুষগ.....

৩৩৩’ এর প্রচারণায় ব্রাহ্মণবা.....

বাহাদুর আলম,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : করোনাভাইরাসের দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে মাঠ পর্যায়ে কল সেন্টার ‘৩৩৩’ এর প্রচা.....

ডিজিটাল পদ্ধতিতে ১৮ মে আন্তর্.....

স্টাফ রিপোর্টার : করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) এর বৈশ্বিক মহামারির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে এর বিস্তার রোধে ব.....

১৯ দিনে ২০০ বেডের করোনা হাসপাত.....

লাখোকণ্ঠ প্রতিবেদক  : করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য মাত্র ১৯ দিনে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ ২০.....

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দ.....

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস.....

৫০ লাখ পরিবারের মধ্যে আড়াই হাজ.....

স্টাফ রিপোর্টার : সারা দেশে করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে আড়াই হাজার টাকা করে নগদ.....