• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১ | ৭ মাঘ, ১৪২৭
শান্তি চুক্তির বর্ষপূর্তি

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরেনি ২৩ বছরেও...

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ফিরেনি ২৩ বছরেও...

সাইদুল ইসলাম (মাসুম) : প্রায় দুই হাজার সশস্ত্র বিদ্রোহী শান্তি বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে মোট ৭২টি শর্ত'র মধ্য দিয়ে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে অস্ত্র জমা দিয়েছিলেন জনসংহতি সমিতির সভাপতি সন্তু লারমা।  সেদিন শেখ হাসিনা ও সন্তু লারমা দু'জনেই উড়িয়েছিলেন শান্তির প্রতীক কবুতর। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কবুতর উড়িয়ে শান্তি ফেরানোর কথা বলেও পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২৩ বছর পেরিয়ে গেলেও সমৃদ্ধির জনপদ তিন পার্বত্য জেলায় কাঙ্ক্ষিত শান্তি ফিরে আসেনি। পাহাড়ে এখনও গোলাগুলি, রক্তক্ষয়ী সংঘাত, চাঁদাবাজি, খুন, গুম ও অপহরণসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলছেই। যার বলি হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।শান্তিচুক্তির অধিকাংশ ধারা বাস্তবায়িত হলেও ভূমি জরিপসহ কয়েকটি ইস্যুতে সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে । বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পার্বত্য জেলাগুলোতে বিদ্যমান সশস্ত্র গ্রুপগুলোর আধিপত্য বিস্তার, সশস্ত্র গ্রুপগুলোর অব্যাহত চাঁদাবাজি ও পারস্পরিক দ্বন্দ্বের কারণে পাহাড়ের পরিবেশ দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে । নিজেদের স্বার্থের দ্বন্দ্বে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরকারী জনসংহতি সমিতি ভেঙে এখন চার টুকরো। এই চারটি সংগঠনের প্রভাবিত এলাকায় সাধারণ মানুষ বর্তমানে নিষ্পেষিত জীবনযাপন করছে।   আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রমতে, ২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে পাহাড়ে আবার প্রাণঘাতি সংঘাত শুরু হয়। গত তিন বছরে পাহাড়ে প্রাণ গিয়েছে ১১৯ জনের। নিহতদের মধ্যে  ৮৭ জনই পার্বত্য এলাকার চারটি আঞ্চলিক দলের নেতাকর্মী। নিহতদের মধ্যে ইউপিডিএফের ৩৮ জন, জেএসএস'র ১৩ জন ও ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের ১ জন রয়েছেন। অন্যান্যদের মধ্যে ২০ জন সাধারণ নাগরিক, ১ জন সেনা সদস্য, ১ জন বিএনপি নেতা, আওয়ামী লীগের ৮ জন ও মগ পার্টির ১ জন। তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে সংঘাতে প্রাণ গিয়েছে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে। এ দুই জেলায় নিহত হন ১০১ জন আর বান্দনবান জেলায় নিহত হন ১৮ জন। নিহতদের অধিকাংশই বাঙালি। বাঙালিরা নিহত হয়েছেন সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ও চাঁদাবাজির জের ধরে। অন্যদিকে পাহাড়িদের অধিকাংশই নিহত হয়েছেন দলীয় কোন্দলের কারণে। গত এক বছরে কয়েকটি সশস্ত্র হামলায় নিহতদের প্রায় সবাই আঞ্চলিক রাজনৈতিক স্বার্থের বলি। এই প্রেক্ষাপটে পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২৩ বছর পূর্ণ হয়েছে গতকাল ২ ডিসেম্বর বুধবার।   এদিকে শান্তিচুক্তির ২৩তম বর্ষপূর্তিতে সরকার ও বাঙালি সংগঠনগুলোর নানা কর্মসূচি থাকলেও চুক্তির পক্ষে কোন কর্মসূচি পালন করছে না চুক্তি সম্পাদনকারী জনসংহতি সমিতি জেএসএস। দুই দশক ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সাক্ষরিত হয়, যা পরে ‘শান্তি চুক্তি’ নামে পরিচিতি লাভ করে। তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)'র সঙ্গে এই চুক্তি সাক্ষরিত হয়। খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে প্রায় দুই হাজার সশস্ত্র বিদ্রোহী শান্তিবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তৎকালীন সরকারের কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন সন্তু লারমা। তবে ওই চুক্তির বিরোধিতা করে খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামেই কালো পতাকা প্রদর্শন করে জনসংহতি সমিতির সহযোগী ছাত্র সংগঠন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের একটি অংশ। চুক্তির বিরোধিতা করে সন্তু লারমা'র সংগঠন থেকে বের হয়ে প্রসিত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপল'স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) গঠিত হয়। ১৯৯৮ সালের ২৬ জুন ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা আত্মপ্রকাশ করে।   তৎকালীন সরকার অস্ত্র সমর্পিত শান্তি বাহিনীর সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতা এবং যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারী বিভিন্ন বিভাগে চাকরি দেয় এবং তিন পার্বত্য জেলার জেলা পরিষদকে স্বায়ত্ত শাসিত, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে নিয়োগ দানের ক্ষমতা, সরকারি বিভিন্ন বিভাগকে জেলা পরিষদে ন্যস্তসহ ভুমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন গঠন করা হয়। ইতিমধ্যে শান্তি চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ৪৮টি বাস্তবায়ন করেছে সরকার। বাকি ধারাগুলো বাস্তবায়নে কাজ করছে বলে জানান সরকারি দলের নেতারা। তবে শান্তি চুক্তির সুফল জেএসএস সদস্যরা ভোগ করলেও পাহাড়ের সাধারণ জনগণ শান্তি চুক্তির সুফল থেকে এখনও বঞ্চিত।   বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম জাহাঙ্গীর বলেন, ১৯৯৭ সালে দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তিচুক্তি সম্পাদন করেছিলেন। শান্তিচুক্তির অধিকাংশই বাস্তবায়িত হয়েছে। যেগুলো বাকি রয়েছে সেগুলোও বাস্তবায়ন করা হবে। কিন্তু চুক্তি বাস্তবায়নে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অঞ্চলিক দুই রাজনৈতিক দল জেএসএস এবং ইউপিডিএফ। এই দুই দল চাদাঁবাজি, অপহরণ, হত্যাসহ নানা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালানোর জন্য আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষ অব্যাহত থাকায় চুক্তির পুর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সরকার শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে আন্তরিক হলেও পাহাড়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড এখনো কমেনি। পাহাড়ের সন্ত্রাসীরা মানুষকে গুম করবে, হত্যা করবে, অস্ত্র দেখাবে আবার অধিকারের কথা বলবে, তা হবে না। যদি পার্বত্য এলাকার শান্তি চায় তাহলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে ফিরে আসতে হবে।    এদিকে শান্তিচুক্তির সুফল ফিরিয়ে আনতে সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান পাহাড়ি নেতারা। জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক কেএসমং বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও সন্তু লারমার মধ্যে একটি বৈঠক করতে হবে, ওই বৈঠকের মাধ্যমে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন হবে, নাকি হবে না, তা পার্বত্যবাসী ও সারা দেশের মানুষকে একটা মেসেজ দিতে হবে। মেসেজ যদি দেয়া না হয় পার্বত্য অঞ্চলের পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। তবে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস আছে তিনি শান্তি চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসবেন।   শান্তিচুক্তি পাহাড়ে শান্তির সুবাতাস বয়ে আনবে না দাবি করে চুক্তির বিরোধিতা করছে পাহাড়ি সংগঠন ইউপিডিএফ ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট। ইউপিডিএফের আহ্বায়ক ছোটন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ‌শান্তিচুক্তি হয়েছে সরকার এবং জেএসএস এর মধ্যে। তা পরিপুর্ণ বাস্তবায়ন হবে বা জনগণ মুক্তি পাবে, জনগণ উপকৃত হবে তা আমরা মনে করি না। যার কারণে আমরা শান্তিচুক্তির বিরোধিতা করে আসছি। বর্তমানে পার্বত্য এলাকার যে পরিস্থিতি, হানাহানি-খুনাখুনি হচ্ছে এবং ভূমির উপর নানা আগ্রাসন চলছে এগুলো শান্তি চুক্তির জন্য কোন সুফল নয়।   পাশাপাশি বাঙালি সংগঠনগুলোর দাবি, সরকার শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চুক্তির বেশির ভাগ ধারা বাস্তবায়ন করেছে, এরপরও পাহাড়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়নি।    পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মুজিবুর রহমান বলেন, তেইশ বছরেও শান্তি চুক্তির কোন সুফল পাহাড়ের মানুষ পায়নি। শান্তি চুক্তির অধিকাংশ ধারা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সেখানে অবস্থিত সেনা ক্যাম্পগুলো তুলে নেওয়ার কারণে পাহাড়ে হানাহানি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়ে গিয়েছে। তবে পাহাড়ে শান্তি-শৃংখলা রক্ষায় পুনরায় অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা হলে হানাহানি বন্ধ হবে বলে মনে করেন তিনি।   উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৩ বছর অতিক্রান্ত হলেও এখনো পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসেনি। গুম,খুন আর চাঁদাবাজির আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে পাহাড়ের সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিন ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতে রক্তপাত বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি মগ লিবারেশন পার্টি, জেএসএস সংস্কার গ্রুপ আর জেএসএস সন্তু গ্রুপের দ্বন্দ্বে উত্তাল পাহাড়ি জেলা বান্দরবান। দুই দশক ধরে পাহাড়ে চাঁদাবাজি গুম খুন অপহরণের সঙ্গে জেএসএস-এর সন্ত্রাসীদের দায়ী করে আসলেও সম্প্রতি মগ লিবারেশন পার্টি নামে একটি পার্টির উত্থান হয়েছে বান্দরবানে। আরাকানে সহিংস ঘটনার পর মায়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ পালিয়ে বান্দরবানে অবস্থান নেয়। পরে স্থানীয় কিছু মার্মা যুবকদের নিয়ে মগ লিবারেশন পার্টি নামে এ গ্রুপটি বান্দরবানের রুমা, থানচি ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গুম, খুন ও চাঁদাবজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। পার্বত্য জেলা রাঙামটি ও খাগড়াছড়িতে জেএসএস ও ইউপিডিএফ এর সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দ্বন্দ্বে দীর্ঘদিন ধরে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে আসলেও বান্দরবানে ইউপিডিএফ এর আধিপত্য না থাকায় এ জেলায় জেএসএস এর একক আধিপত্য বিরাজমান ছিল। ফলে চাঁদাবাজি অপহরণের ঘটনা ঘটলেও সশস্ত্র সংঘাতে প্রাণহানির ঘটনা তেমন একটা ছিল না। কিন্তু বিগত বছরে নব্য সৃষ্ট মগ লিবারেশন পার্টি, জেএসএস সংস্কারপন্থি ও জেএসএস সন্তু গ্রুপের ক্ষমতার দ্বন্দ্বে বান্দরবানেও শুরু হয়েছে সশস্ত্র সংঘাতে প্রাণহানির ঘটনা।

শহীদ আসাদ গণতন্ত্রপ্রেমী মান.....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদ আস.....

মুক্তিযোদ্ধাদের অভিন্ন প্ল্য.....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:

বহুধা বিভক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ করে অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার প্রত্য.....

সরকার ভ্যাকসিন নিয়ে লুটপাটে জ.....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে সম্প.....

'বিএনপি নেতারা হঠাৎ ঘুম থেকে জ.....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনগণ দ্বারা প্রত্য.....

দুর্নীতি-সন্ত্রাস নির্মূলে ঐ.....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:

দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূলে দল-মতের পার্থক্য ভুলে আরও ঐক্যবদ্ধ হয়.....

২৫ জানুয়ারি করোনা টিকা আসবে : স.....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী ২৫ বা ২৬ জানুয়ারি দেশে সিরামের ভ্যাকস.....

বছরের প্রথম সংসদ অধিবেশন শুরু .....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:

নতুন বছরের প্রথম অধিবেশন বা শীতকালীন অধিবেশন আজ সোমবার শুরু হতে যাচ্ছে।

রাষ্ট্.....

প্রকল্পের ২৬২ গাড়ি গায়েব .....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কয়েকটি প্রকল্পের .....

নতুন প্যাকেজে অর্থনীতি আরও গত.....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন প.....

এবার আদমশুমারিতে আলাদা পরিচয় .....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:

এবারের আদমশুমারিতে আলাদা পরিচয় পাচ্ছেন হিজড়ারা।  নারী বা পুরুষ নয়, এবার আদমশুমা.....

জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উপলক্.....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮.....

ইসলামে জঙ্গিবাদের স্থান নেই : .....

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ‘জঙ্গিবাদ একটি বৈশ্বিক চ্যা.....