• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৩০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৫

গঙ্গাচড়ায় মহাজোটে সমঝোতা না হলে রাঙ্গা-বাবলুর ভোট লড়াই

গঙ্গাচড়ায় মহাজোটে সমঝোতা না হলে রাঙ্গা-বাবলুর ভোট লড়াই

রংপুর অফিস : একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রংপুর -১ গঙ্গাচড়া আসনে নানা সমিকরণ শুরু হয়েছে প্রার্থী, ভোটার ও দল গুলোর মধ্যে। মহাজোটে, ঐক্যফ্রন্ট, ইসলামী আন্দোলন ও স্বতন্ত্র থেকে কে প্রার্থী হচ্ছে সে বিষয়ে তোড় জোড় ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। রাজনৈতিক সমিকরণে মহাজোট থেকে রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) আসন জাতীয় পাটির স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গার জন্য অনেকটাই নির্ধারিত হয়ে গেছে এ আসন। ৯০ সালের পর থেকে এরশাদের ওপর ভর করে এ আসনে জাতীয় পাটির প্রার্থীরাই জয়লাভ করে আসছে। কিন্তু এবার ফলাফল উল্লেটে যেতে পারে দীর্ঘদিনের এই হিসাব নিকাশ। আওয়ামী লীগ এ আসনটি জাপাকে আর ছাড় দিতে নারাজ। আওয়ামী লীগের অনেকেই দলের হয়ে তৃণমুল পর্যায়ে উন্নয়ন ও ভোটাদের সাথে যোগাযোগ করে মাটি ও মানুষের নেতা হিসাবে স্থানীয় ব্যক্তি ইমেজ কাজে লাগিয়ে নিজস্ব ভাবে এবং দলের হয়ে মাঠ গুছিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন। পিছিয়ে নেই বিএনপি-জামায়াতও ইসলামী ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। ইতি মধ্যে তাদের নিজস্ব প্রার্থীর পক্ষে মনোনয়ন সংগ্রহ ও নানাভাবে প্রচার শুরু করেছেন তারা। ভোটারদের দাবী এবারের নির্বাচনের স্থানীয় প্রার্থীর পক্ষে তারা কাজ করতে চায়। গঙ্গাচড়ায় মহাজোটের অংক না মিললে জমবে লড়াই রাঙ্গা বাবলুর। এদিকে ছাড় দিতে নারাজ এ আসনে ভোট যুদ্ধে ২য় অবস্থানে থাকা ২০ দলের শরিক দল জামায়াত। এ নিয়ে গঙ্গাচড়ায় ভোটের হাওয়া সরগরম হয়ে উঠেছে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহনের উদ্যেশে জাতীয় পাটি থেকে মনোয়ন সংগ্রহ করেছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রেজাউল করিম রাজু, গঙ্গাচড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক আলহাজ¦ রুহুল আমিন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য রবিউল ইসলাম রেজভী, শিল্পপতি সিএম সাদিক বিএনপি থেকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রইচ আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াহেদুজ্জামান মাবু, জেলা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক মোকারম হোসেন সুজন, জেলা জাতীয়তাবাদী বাস্তহারা দলের সভাপতি নাজমুল হুদা, রইচ আহম্মেদ, ইসলামীআন্দোলন থেকে মোক্তার হোসেন, জামায়াত সমর্থিত (স্বতন্ত্র) অধ্যক্ষ আব্দুল গনিসহ আরও অনেকেই এ আসন থেকে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। গঙ্গাচড়ার ৯ টি ইউনিয়ন ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৮ টি ওয়ার্ড নিয়ে গঙ্গাচড়া রংপুর-১ আসন গঠিত হয়েছে। ২ লক্ষ ৮২ হাজার ভোট রয়েছে এ আসনে। এ আসনটিতে ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পাটির প্রার্থী শিল্পপতি করিম উদ্দিন ভরসা জয়লাভ করেন। ১৯৯৬ সালের জাতীয় পাটির প্রার্থী হয়ে সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, ২০০১ সালে জাতীয় পাটির প্রার্থী মসিউর রহমান রাঙ্গা, ২০০৮ সালে জাতীয় পাটির প্রার্থী এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দ্বিতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হন মসিউর রহমান রাঙ্গা। পরে তিনি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব  পান। প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েও তিনি রংপুরের আসলে ছুটে যেতেন গঙ্গাচড়ায়। সব সময় সাধারন মানুষের সাথে যোগযোগ করার চেষ্টা করতেন তিনি। অন্যদিকে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু তরুন এই নেতা মাটি ও মানুষের নেতা হিসাবে মিশে গেছেন। গঙ্গাচড়া মানুষের প্রতিনিয়ত পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। উপজেলা পরিষদের সীমিত বরাদ্দ নিয়ে মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা শীর্ষে জায়গা দখল করেছেন। সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন গরীর মানুষের মেয়ের বিবাহ, চিকিৎসা,ইসলামী জলসা, সভা সেমিনার, মসজিদ, মন্দীর, গীর্জা, নির্মান করেছে ব্রীজ, কালভার্টসহ বিভিন্ন অবকাঠামো। এলাকায় ব্যাপক গনসংযোগে মধ্যে দিয়ে জন মানুষের নেতা হয়ে উঠেছেন তুরুণ এ নেতা। স্থানীয় ভাবে মানুষের মনি কোঠায় জায়গা দখল করে নিয়েছেন তিনি। বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও জামায়াত নিজেদের প্রতিকে নির্বাচন করতে না পারলেও ভীতরে ভীতরে কর্মী সমর্থক ও ভোটারদের সুসংগঠিত করেছেন। বিগত নির্বাচনে ভোট যুদ্ধে বরাবরেই এ আসনে জামাত ২য় অবস্থানে রয়েছেন। মরহুম জামায়াত নেতা পাকুড়িয়া শরীফের সুজা পীর সাহেবের ইমেজ কাজে লাগিয়ে অনেকটাই শক্ত অবস্থানে রয়েছে এ দলটি। এ আসনে বিএনপি মাঠ গোছাতে শুরু করেছেন। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে জেলা বিএনপির রইচ আহম্মেদ, জেলা সহ-সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াহেদুজ্জামান মাবু ও যুগ্ম সম্পাদক মোকাররম হোসেন সুজন নেতা-কর্মীদের ধর- পাকড়, হাজতবাসসহ বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সমালোচনা করে এ নেতারা বলেন, বিএনপির নির্বাচনী মাঠ সাজানো আছে, এখন দরকার শুধু সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ অবাধ নির্বাচন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও কেন্দ্রীয় সব কর্মসূচি পালন করে আসছেন তারা । বিএনপির দুঃসময়ের বন্ধু নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করে তুলতে গঙ্গচড়া উপজেলা বিএনপিকেও নির্বাচনমুখী করে সাজিয়েছেন তারা। রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৬নং ওয়ার্ডের ২৪ হাজারী কদমতলা এলাকার বাসিন্দা দীর্ঘ দিনের লাঙ্গলের সমর্থক বেলাল হোসেন জানান, এরশাদ সাহেবের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথায় দলটি সমর্থন হারিয়েছে। বর্তমানে তার ইমেজ কাজে লাগবে না এ আসনে। বর্তমানে উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা আসাদুজ্জামান বাবলু মহাজোট থেকে মনোয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র নিয়ে নির্বাচন করলে তিনি জয় লাভ করবেন। কারন তাকে সব সময় এলাকার মানুষ সুখে দুঃখে কাছে পায়। উপজেলার শালমারা বড়বিল ইউনিয়নের বয়ঃবৃদ্ধ মনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এখানে ভোট বেশি পাবে লাঙ্গল যদি ভোট সুষ্ঠ হতো তবে জামায়াত জয় লাভ করত। বড়বিল ইউনিয়ন জাপার সভাপতি আওরঙ্গজীব বাদশা বলেন, স্থানীয় প্রার্থী বলতে কিছু নেই, রাঙ্গা ভাই গঙ্গাচড়ার ভোটার ,এখানে বাড়িও করেছেন শত ব্যস্ততার মধ্যেও গঙ্গাচড়ায় ছুটে আসেন তিনি। লক্ষিটারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও জাতীয় পাটির সভাপতি আব্দুল আল হাদী বলেন লাঙ্গল নৌকার জোট হলে বিনা- প্রতিদ্বন্দিতায় রাঙ্গা ভাই হবেন। তবে বাবলু যদি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয় তবে শক্ত প্রতিদ্বন্দিতা হবে। কারন তৃণমূল নেতা কর্মী ভোটারদের সাথে বাবলুর যোগাযোগ ভালো রয়েছে। লক্ষিটারীর চর ইচলির কৃষক মাহবুবার রহমান জানান, নৌকা থাকলে মহাজোটের কথা শুনবো না থাকলে কারো কথা শুনবো না। নদী ভাঙ্গন রোধ করতে হামরা স্থানীয় লোকের কাছে যাবার পারি। বাবলু তরুন নেতা ফকির, মিচকিন সবার কথা শুনেন তাই হামরা এবার বাবুলকে চাই। পশ্চিম চর-ইচলির দুলু মিয়ার স্ত্রী সাহার বানু জানান, হামার বাড়িত পানি উঠে নদী ভাঙ্গন রোধ যাই করবার পারবি হামরা তাকে ভোট দিমো।  পূর্ব চর ইচলির মাওলানা নুরুজ্জামান বলেন, স্থানীয় লোক চাই রাঙ্গাকে ভোট দেয়া যাবে না, বিদ্যুৎ পাওয়া প্লান্ট চলে গেছে, নদী ভাঙ্গনে কোন কাজ করেনি। বসত-বাড়ি করে থাকতো পারবো স্থানীয় লোককে ভোট দিবে। গঙ্গচড়া ইউনিয়নের গান্নার পাড় এলাকার লিমন বলেন, রাঙ্গা বাবলু দু-জনেই ভোট পাবে তবে কেটা হবে বলা যাচ্ছে না। বড়বিল ভুটকা গ্রামের জুতা মেরামতকারী দ্বিপ লাল জানান, হামরা রবিদার্স সম্প্রদায়ের লোক হামার জন্য বরাদ্দ আসছিল সেগুলো অফিসে ধরন্না দিয়েও হামরা পায়নি। হামার এগুলা কথা এমপি রাঙ্গা শুনে না। বাবলুর কাছে গেলি তাও কথা বলা যায় হামার কথা শুনে এবার হামরা বাবলুক ভোট দিবার চাই। কোলকোন্দ মোহাম্মদ আলী উ”চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র অনুতাপ রায় ও মোস্তাকিম ইসলাম বলেন, উপজেলা বাবলু চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র হলে তিনি জয় লাভ করবেন। অনেক উন্নয়ন করেছেন তিনি। আর রাঙ্গা নিজেই ভাঙ্গা রাস্তা দিয়ে যায়। সংস্কার করার কথা বলে তা করেনি। তাই এবার এলাকায় বাবলুর খুব নাম ডাক ছড়ে গেছে। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রুহুল আমিন জানান,আমি আওয়ামীলীগ থেকে মনোয়ন সংগ্রহ করে জমা দিয়েছি। গত বারের মনোয়ন পেয়ে মহাজোটের স্বার্থে চেড়ে দিয়েছি। এলাকায় আওয়ামীলীগের উদ্যেগে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। প্রতিটি নেতাকর্মির সাথে আমি গনসংযোগ করছি। নৌকার মনোয়ন পেলে আমি ব্যাপক ভোটে জয়ি হবো। উপজেলা স্বজনের সভাপতি শিল্পপতি সিএম সাদিক বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে গঙ্গাচড়া আসনটি বহিরাগতরা শাসন করে আসছে। স্থানীয় ময়েন উদ্দিন সরকার বাদে বাকী যারা এমপি হয়েছেন তারা গঙ্গচড়ার জন্মগত নাগরিক ছিলেন না। তিনি আরো বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় এমপির দাবিতে স্বজনের ব্যানারে আন্দোলন করে যাচ্ছি। পাশাপাশি বহিরাগতদের ভোট না দেয়ার জন্য নাগরিকদের সচেতনতা মুলক বিভিন্ন প্রচারণা করে যাচ্ছি। উপজেলা জাতীয় পাটির সভাপতি শামসুল আলম বলেন, গঙ্গাচড়ায় মশিউর রহমান রাঙ্গার হাত ধরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে এ আসনে। উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ্য করতে একটি মহল সব সময় অপ-প্রচার করে থাকেন। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আবার জাতীয় পার্টির প্রার্থী জয় লাভ করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি। তবে আসাদুজ্জামান বাবলু স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তার সাথে প্রতিদ্বনিতা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে তাদের। বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু বলেন, গঙ্গাচড়ার মানুষ নৌকায় ভোট দিতে চায় কিন্তু সে সুযোগ আমরা কোন সময় পায়নি। মহাজোটের মনোয়ন নিয়ে রাঙ্গা সাহেব জামাতের সাথে আতাত করেছেন। এখানে অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতিদের চাকুরীর সুযোগ তৈরি করে দিতে পারি নাই আমরা। তারা বেকার হয়ে হতাশায় ভূগছেন তারা। তাদের কর্ম-সংস্থানের সুযোগ তৈরী করে দিতে নৌকার প্রার্থীর বিকল্প নেই। তাছাড়া মহাজোটের শরিক দল জাতীয় পাটি নেতা কর্মিরা উন্নয়নের অর্থ লুটপাট করেছেন। এবারে নির্বাচনের মহাজোট থেকে আমাকে মনোয়ন দিলে আমি বিপুল ভোটে জয় লাভ করবো। মহাজোটের জাপা প্রার্থী মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাজেট নিয়ে এসেছি গঙ্গাচড়ায়। ন্যাশনাল সার্ভিসের মাধ্যমে বহু-বেকার যুবক যুবতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নদী শাসনের জন্য ১২৬ কোটি টাকা নিয়ে আসা হয়েছে। তাছাড়া, রাস্তা-ঘাট ব্রীজ-কালভার্ট অবকাঠামো উন্নয়নসহ ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে এলাকায়। তাছাড়া গঙ্গাচড়া জাতীয় পাটির শক্ত ঘাটি। আমি মহাজোট থেকে মনোয়ন পেলে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো।

গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা তিস্তা সে.....

রংপুর অফিসলালমনিরহাট ও রংপুরবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের শেখ হাসিনা তিস্তা সড়কসেতুটির আজ রোববার সকাল ১.....

রামগঞ্জের প্রভিটা পার্ক অজপা.....

লক্ষ্মীপুর ঃ ‘স্মল ইজ স্মাট’ ছোট কিন্তু সুন্দর ।রামগঞ্জের প্রভিটা পার্ক । অঁজপাড়াগাঁও কিন্তু চারদিকেচি.....

রংপুর-৩ আসনে নির্বাচন চৌধুরী .....

রংপুর প্রতিনিধি:
রংপুর সদর আসন-৩ এ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা চৌধুরী
খালেকুজ্জামান নৌকা মার্কায় মন.....

আ’লীগ ভোট চুরি করতে পারে, কেন্.....

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ ভোট চুরি করতে পারে, তাই বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্.....

বরিশালে স্কুলছাত্রীকে শ্বাসর.....

বরিশাল প্রতিনিধি : বরিশাল সদর উপজেলার চড়বাড়িয়া ইউনিয়নের সাপনিয়া এলাকায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে গলায় ফাঁস .....

সংবাদ প্রকাশের জের : ডা: মাসুদ ক.....

নিজস্ব প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ : “হাসপাতালেই ডাক্তার মাসুদ করিমের প্রাইভেট চেম্বার গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উ.....

না’গঞ্জে হিন্দু দম্পতির ইসলা.....

নারায়ণগঞ্জে প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জে জয়তী ঘোষ ও শাওন চন্দ্র রায় নামে এক হিন্দু দম্পতি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন.....

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে হত্য.....

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার দায়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এক আইএস সদস্যকে .....