• ঢাকা
  • রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২ | ১৬ আশ্বিন, ১৪২৯
কোম্পানীর লোভনীয় অফারে হুমকির মুখে অন্যান্য ফসল

রংপুর অঞ্চলের গ্রামগুলোতে দৃষ্টির সীমানায় শুধুই তামাকের আবাদ

রংপুর অঞ্চলের গ্রামগুলোতে দৃষ্টির সীমানায় শুধুই তামাকের আবাদ

তৌহিদ বাবলা, রংপুর ব্যুরো ।।  খাদ্য শস্য উৎপাদনের ঘাঁটি বলে খ্যাত উত্তরাঞ্চলকে দিন দিন তামাক চাষের ঘাঁটিতে পরিণত করছে কয়েকটি তামাকজাত কোম্পানী। বিনামুল্যে তামাকের বীজ, সার, কীটনাশক, সংরক্ষণের ব্যবস্থা ও ক্রয়ের নিশ্চয়তাসহ নানাবিধ লোভনীয় সুবিধা দিয়ে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে চাষীদের। যার ফলে সরকারের নিরুৎসাহিতকরণ সত্বেও সুজলা সুফলা মাঠে ছেয়ে গেছে মাদকের সিঁড়ি তামাকে। বর্তমানে যেকোন গ্রামে ঢুকলেই চোখে পড়বে তামাক পাতা। এলাকাগুলো যেন তামাক পাতায় মোড়ানো হয়েছে। চাষাবাদ বৃদ্ধি পাওয়ায় দিন দিন হুমকির মুখে পড়ছে অন্যান্য ফসলের ক্ষেত। এদিকে, তামাক চাষে কৃষি বিভাগের কাগজে কলমের তথ্যের সাথে বাস্তব চাষাবাদের কোন মিল পাওয়া যায়নি। তবে তারা স্বীকার করেছেন গত বছর আলুর দাম না পাওয়ায় কৃষকরা এবার তামাক চাষাবাদ বেশি করেছেন। বেসরকারি এনজিও প্রজ্ঞার সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৬ বছরের ব্যবধানে দেশে তামাক উৎপাদনের পরিমাণ ৪০,২৪০ টন থেকে প্রায় আড়াই গুণ বেড়ে ১,০৩,৬৫০ টনে দাঁড়িয়েছে যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বিরাট হুমকি। রংপুর, লালমনিহাট ও নীলফামারীতে ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে তামাক চাষাবাদ হয় বলে দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে রংপুরে ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে চাষবাদ হয়েছে। তাদের তথ্যমতেÑ বর্তমানে এর তিনগুণ বেশি তামাক চাষ হচ্ছে। তবে রংপুর কৃষি বিভাগ বলছে -চলতি বছর ১৮ হাজার ৫৫ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। রংপুরাঞ্চলে কি পরিমাণ জমি তামাক চাষের আওতায় রয়েছে এবং প্রতিবছর কি হারে অন্যান্য ফসলি জমি তামাকের জমিতে পরিণত হচ্ছে সে বিষয়ে সঠিক কোন পরিসংখ্যান নেই। তামাক চাষ নিরুৎসাহিতকরনে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন নীতিমালা নেই। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গ্রামের পর গ্রামের হাজার হাজার কৃষক এখনও তামাক চাষ করছেন। ওই এলাকার যেদিকে চোখ যাবে সেদিকেই শুধু তামাক পাতা চোখে পড়বে। গ্রামের কিছু মানুষকে অঘোষিত এজেন্ট হিসেবে ব্যবহার করে বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে কোম্পানীগুলো চাষিদের দিয়ে আবাদ করিয়ে নিচ্ছে প্রয়োজনীয় পরিমাণ তামাক। এসময় যেকোন গ্রামে ঢুকলেই তামাক পাতার তীব্র গন্ধের ঝাঁঝ এসে নাকে লাগে। ঝিমঝিম করে ওঠে মাথা। ঘড়ের বেড়া, শোবার ঘর, রান্নার ঘর, গোয়াল ঘর, মন্দির, মসজিদ, স্কুলসহ সব জায়গাতেই তামাক পাতা ঝুলছে। গ্রামগুলো যেন তামাক পাতায় মোড়ানো হয়েছে। জেনে শুনে বিষ চাষের এই চিত্র শুধু রংপুরের হারাগাছ, গঙ্গাচড়া, তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জ ও কাউনিয়ায় নয়। পুরো রংপুর জেলার পাশাপাশি লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও নীলফামারীতেও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে তামাকের চাষ। এই কাজে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছেন ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, জাপান টোব্যাকো, আকিজ টোব্যাকো ও আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানি। সচেতন মহলের দাবি, তামাক চাষ বন্ধে এখনই কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করতে না পারলে আগামী দিনে উত্তরের এই জনপদে খাদ্য উৎপাদন কমে যাবে। এছাড়াও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন তামাক চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কাজে যুক্ত থাকার কারণে দির্ঘমেয়াদী ফুসফুস, শ্বাসকষ্ট, ক্যান্সার, পেট, বুক ও ঘাড় ব্যথায় আক্রান্ত এবং অনেক নারী শ্রমিক পায়ে ব্যাথা, প্রজনন স্বাস্থ্য সমস্যাসহ নানান প্রকারের প্যারালাইজড রোগে প্রায় পঙ্গুত্ব বরণ থাকেন। পাশাপাশি শিশু-কিশোররা গ্রিন টোব্যাকো সিনড্রোম রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। তারা আরও বলেন, তামাকপাতার বিকট গন্ধ ও এ থেকে নির্গত নিকোটিন মানবদেহে প্রবেশের ফলে এ্যাজমা, ব্রংকাইটিস, ক্যান্সারসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয় এখানকার মানুষ। আর এসব রোগে বড়দের চেয়ে শিশুরাই আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। সরজমিনে দেখা গেছে, রংপুর অঞ্চলের তিস্তার চর, হারাগাছ, গঙ্গাচড়া, তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জের গ্রামগুলোতে যে দিকে চোখ যায়, সে দিকেই তামাক আর তামাক। বিশেষ করে তিস্তার বালুচর যেন তামাকের নিচে ঢাকা পড়েছে। বিস্তীর্ণ এসব এলাকার ফসলের ক্ষেত যেন সবুজে ছেয়ে গেছে। কিন্তু আসলে তা ফসল নয়, একটু কাছাকাছি গেলেই চোখে পড়ে মাঠে মাঠে বাড়ন্ত তামাকের চারা। বর্তমানে চাষিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন তামাকপাতা সংগ্রহ ও শুকানোর কাজে। কথা হয় যোবেদা বেওয়া (৭০) এর সাথে। স্বামী মারা গেছেন অনেক দিন আগে। তিনি নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বর্তমানে মহিপুর-কাকিনা রোডের তিস্তা শেখ হাসিনা সেতুর উত্তরপ্রান্তের ডানপাশে ছেলে, বউ ও নাতী-নতনীকে নিয়ে বসবাস করছেন। তাদের নির্ধারিত আয়ের কোন ব্যবস্থা নেই। ছেলে হাসান মিয়া (৫০) অন্যের বাড়িতে কাজ করে ও তামাকের সময় জমি লীজ নিয়ে তামাক চাষ করে। তার ছেলে ৮ দোন (২৫ শতকে দোন) জমিতে তামাক আবাদ করেছেন। এই তামাক শুকিয়ে সংরক্ষণ ও পরে বিক্রি করে তাদের সংসার চলে। তার সঙ্গে যখন কথা হয় তার ছেলের স্ত্রী আকলিমা (৪৫), নাতি সাকিব (৫), নাতনি মোতমাইন্না (সাড়ে ৬) ও হাসনা বেগম (১০) রোদে শুকানোর জন্য, বাঁশের খাটি (ছুঁচা) তে করে তামাক গাঁথছেন। এরপর কথা হয় নদী ভাঙ্গন খ্যাত এলাকা গান্নারপাড়ের আতাউর রহমান আতার সাথে। তিনি জানান, তামাক চাষে কোন ঝুঁকি নেই। একমাত্র শিলাবৃষ্টিই ঝুঁকি। অন্যান্য চাষাবাদে খুব ঝুঁকি রয়েছে। তামাকের আবাদ বাড়ির সকলেই মিলে করা যায়। খরচ কম হয় ও আয় বেশি। আবার বিভিন্ন কোম্পানীগুলো সহযোগিতা করে। ক্ষতিকারক হলেও টাকা বেশি পাওয়া যায় এই জন্য তামাক চাষ করি। কথা হয় গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউপির উত্তরপানাপুকুরের গিরিয়ারপাড় এলাকার আজিজুল ইসলামের ছেলে জিয়ারুল ইসলামের সাথে। তিনি ১০ দোন জমিতে হটবাল্লি (ব্রাজিল) নামক তামাক চাষ করেছেন। তাদেরকে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো থেকে বীজ, পলিথিন, জুতা, গøাভস, ক্রিপাল ও পোকা মাড়ার ওষুধ দিয়ে তামাক চাষ করতে বলা হয়েছে। প্রথমে তারা তামাক গাছ থেকে বিষপাতা, ২য় কাটাইয়ে ছিলাই, ৩য় বার কাটাইয়ে আবারও ছিলাই সংগ্রহ করে রোদে শুকিয়ে গুদামজাত করেছেন। এখন শেষ বারেরমত তামাক গাছ থেকে হার্কাট সংগ্রহ করছেন। এগুলো ১০/১২ দিন রোদে শুকিয়ে গুদামজাত করবেন। এরপর কোম্পানীর লোক এসে তাদের প্রতিশ্রæত রেট মোতাবেক টাকা পরিশোধ করে তামাক নিয়ে যাবেন। এর মাঝে কোন ঝুঁকি দেখা দিলে রেট বাড়িয়েও দেন তারা। তিনি বলেন, একমাত্র তামাক আবাদে কোন কিছু ফেলে দিতে হয় না। এর আগাছা, মূড়া, মুল গাছও শুকিয়ে বিক্রি করা যায়। তবে তিনি ৩ থেকে ৪ বছর আগে এতো পরিমাণে তামাক চাষ করতেন না বলে জানান। কথা হয় আলমবিদিতর সিটবাগপুর এলাকার তামাক চাষী রেজাউল করিমের সাথে। তিনি আকিজ টোব্যাকোর সাথে চুক্তি মোতাবেক ৪দোন জমিতে গোদরা সিসি জাতের তামাক চাষ করেছেন। তার চুক্তি হয়েছে ১শ’ টাকা কেজিতে গড় হিসেবে তামাক ক্রয় করবেন আকিজ টোব্যকো। সরেজমিনে কথা হয় গঙ্গাচড়ার ভক্তার দোলায় ছালেহা বেগম নামে এক নারীর সাথে। তিনি তার ছেলে বউ ও একমাত্র কলেজ পড়–য়া মেয়েকে নিয়ে দোলার মাঝেই বাঁশের কাঠিতে (ছুঁচায়) তামাক গাঁথছেন। তার স্বামী ও ছেলে ক্ষেত থেকে পাতা সংগ্রহ করছেন। তিনি জানান, আয়ের নির্ধারিত কোন উৎস্য নেই। এই তামাক চাষ করে শুকিয়ে তা গুদামজাত করে রাখেন। পরে ২/১ মাস পর পর কিছু কিছু করে বিক্রি করে মেয়ের লেখাপড়াসহ অন্যান্য খরচের যোগান দেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এক সময়ে তামাকই ছিল রংপুর অঞ্চলের প্রধান ফসল। তামাক সংশ্লিষ্ট দেশের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে এখানকার ভার্জিনিয়া জাতের তামাকের কদর ছিল প্রচুর। তামাককে ঘিরে এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছিল। সে সময় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বিনা পুঁজিতে তামাকের ব্যবসা করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছিলেন। সে সময়ে চাষিদের প্রয়োজনকে সামনে রেখেই তদানীন্তন বৃটিশ সরকারের সার্ভে অনুযায়ী ১৯০৮ সালে রংপুর সদরের বুড়িরহাটে ৫০ একর জমিতে স্থাপিত হয় তামাক গবেষনা কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠানটি সে সময়ে দেশের অভ্যন্তরে এবং বিদেশ থেকে ১১৪টি তামাকের জাত সংগ্রহ করে। এছাড়া সুরভি ও সুগন্ধি নামক উ”চ ফলনশীল দু’টি জাতসহ নতুন নতুন তামাকের জাত উদ্ভাবন করে।  পরবর্তীতে ক্ষতিকারক দিক বিবেচনা করে তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করা হয় চাষিদের। এর অংশ হিসেবে একসময় তামাক ক্রয়ের বৃহৎ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টোব্যাকো কোম্পানি (বিটিসি) রংপুর ডিপো বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৫ সালে তামাক গবেষণা কেন্দ্রটি পাল্টে পরিনত হয় কৃষি গবেষনা কেন্দ্রে। ২০১৪ সালে এটি মানোন্নয়ন করে রিজিওনাল অফিস হিসেবে রুপ নেয়। পরবর্তীতে এ প্রতিষ্ঠানটি ভূট্টা, সূর্যমূখী, সরিষা, বাদামসহ শাকসব্জি চাষ করে চাষিরা যাতে তামাকের চেয়ে বেশি লাভ পেতে পারে সে বিষয়ে গবেষণা চালিয়ে আসছে। বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন রংপুরের বুড়িরহাট আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবীদ আশিষ কুমার সাহা। তিনি সম্প্রতি তামাক চাষ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে বলেন, গত বছর আলুতে দাম না পাওয়ার কারণে কৃষকরা বিকল্প চাষ হিসেবে সাময়িকভাবে তামাক চাষ করছেন। রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ওবাইদুর রহমান মন্ডল দৈনিক লাখোকন্ঠকে জানান, তামাক নিষিদ্ধকরণ আইন থাকায় বিভিন্ন কোম্পানীর লোকজন কৃষকদের লোভ দেখিয়ে তামাক চাষ করে নিচ্ছেন। তারা নগদ টাকা, বীজ, সার, কীটনাশকসহ ক্রয়ের নিশ্চয়তা দেয়ায় তামাক চাষাবাদ থেকে কোনভাবেই কৃষকদের ঠেকানো যাচ্ছে না। এ বিষয়ে সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে। রংপুর বিভাগীয় কৃষক সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি’র রংপুর জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী জানান, ধান, আলুসহ কৃষি ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করে কৃষকদের বাঁচাতে হবে। কৃষকরা বাঁচলে তামাক চাষ কমে আসবে। তামাক চাষ পুরোপুরি বন্ধ করতে হলে আইনের যথাযথ প্রয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

বরেণ্য সাংবাদিক তোয়াব খানের ইন্তেকাল

স্টাফ রিপোর্টার ।।  বরেণ্য সাংবাদিক, দৈনিক বাংলার সম্পাদক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক তোয়াব খান ইন্তেকাল .....

খুনি রাশেদ চৌধুরীকে দেশে আনার চেষ্টা চলছে : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক ।।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধাপরাধী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের .....

দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় বড় যোগান দেয় মাছ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।  দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় মাছ বড় যোগান দেয় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প.....

সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের বিমান বহরে যুক্ত হলো নতুন সামরিক বিমান

আইএসপিআর ।। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপের বিমান বহরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আজ রবি.....

আইজিপি বেনজীর আহমেদের অবসরের প্রজ্ঞাপন জারি

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ।।  আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর অবসরে যাচ্ছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। এ বিষয়ে আ.....

মুন্সীগঞ্জে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ: পুলিশ ও সাংবাদিকসহ আহত অর্ধশতাধিক

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি : মুন্সীগঞ্জে পুলিশ বিএনপির ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।  ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে মুন্স.....

সকল ক্যাডার কর্মকর্তাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সকল ক্যাডার কর্.....

সময় জ্ঞান শুন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্পোরেশন (রাজউক)

ইসমাইল হোসেন : সময় স্থীর করে দাঁড়িয়ে আছে রাজধানী উন্নয়ন কর্পোরেশন (রাজউক)-এর ঘড়ি। ঘড়িটা অকেজো হয়ে আছে অনেক দিন .....

আগামী ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ।। প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর ২০২২ পর্যন্ত মোট ২.....

লন্ডনের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়াত রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্য ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ই.....

মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদের নির্দেশ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।  মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদের নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজ.....

ঢাকা-রোম বিমান চালুর বিষয়ে বিমান প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপমন্ত্রী শামীমের আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।  ইতালি প্রবাসী সমগ্র বাঙালীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন বাংলাদেশ ব.....