• ঢাকা
  • শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯ | ৬ মাঘ, ১৪২৫

আজ মহান বিজয় দিবস

আজ মহান বিজয় দিবস

 

আজ ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির বিজয়ের দিন। ১৯৭১ সালের এ দিনে বাংলার আকাশে উদিত হয়েছিল স্বাধীনতার কাক্সিক্ষত রবি। ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে এসেছিল যে স্বাধীনতা, তার জন্য সাঁতরাতে হয়েছিল রক্তের সমুদ্র, কষ্টের নদী। বর্বর পাকিস্তানি জান্তাদের বিরুদ্ধে অপ্রস্তুত, অপ্রশিক্ষিত একটি জাতি রুখে দাঁড়িয়েছিল। ২৫ মার্চ কালরাতে যে নৃশংসতার শুরু, তার সমাপ্তি ১৬ ডিসেম্বর দিনের আলোয়। প্রশ্নটা যেখানে মায়ের ভাষার, সেখানে আপস চলে না। এর সঙ্গে যুক্ত ছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর সীমাহীন লাঞ্ছনা-বঞ্চনা ও দাবিয়ে রাখার প্রবণতা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তথা বাঙালি জাতির সঙ্গে প্রহসনমূলক আচরণের প্রতিবাদে বীর বাঙালি জেগেছে। হাজার বছরের বাঙালি জাতিসত্তার ইতিহাসে বঞ্চনা কম ছিল না। কিন্তু এর আগে ভাষার ওপর এমন নগ্ন হস্তক্ষেপ হয়নি, নাগরিকের অধিকার নিয়ে এতটা ছিনিমিনি চলেনি।

দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র যুদ্ধের পর ’৭১-এর এ দিন বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (বর্তমান রেসকোর্স ময়দানে) হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। এ বশ্যতা স্বীকারের মাধ্যমে বিশ্বে অভ্যুদয় ঘটে নতুন একটি রাষ্ট্রের- মাথা উঁচু করে আঁতুড়ঘরে চিৎকার দেয় বাংলাদেশ।স্বাধীনতার ৪৭তম বর্ষপূর্তিতে ৪৮তম বছরে পা দিচ্ছে বাংলাদেশ। দিনটি একইসঙ্গে আনন্দ-বেদনার যুগলবন্দির ক্ষণ। একদিকে বাঁধভাঙা আনন্দ, অন্যদিকে অশ্রু। বিজয় আনন্দের যে হাসিতে টোল পড়বে মুখে, পরক্ষণে সে টোলেই জমা হবে বিষাদের অশ্রুরাশি। আনন্দে ভাসা এবং অশ্রুজলে ভাসা সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী এ আবেগ মহান মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত। জাতীয় জীবনে ‘পরস্পরবিরোধী’ এমন উপলক্ষ আর নেই!

আজ সরকারি ছুটির দিন। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করেছে বিশেষ ক্রোড়পত্র। ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো ডিসেম্বরের শুরু থেকেই প্রচার করছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা, চলবে মাসব্যাপী। আজ বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠের ভাষণ বাজবে সারা দেশের গ্রামগঞ্জে, অলিগলি ও পাড়ামহল্লায়। সেই ভাষণে শিহরণ অনুভব করবে না এমন কেউ নেই। একাত্তরের ভয়াবহতা ও গৌরবদীপ্ত ইতিহাসের চিত্র ভাসবে সবার মনে। প্রিয় নেতার প্রতি গভীর ভালোবাসা, শহীদদের বীরত্বগাথার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও মমত্ববোধে জারিত হবে ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষ।

আজ সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। ঢাকাসহ সারা দেশের মানুষ অংশ নেবে এ আয়োজনে। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তারা।

মহান বিজয় দিবস ২০১৮ উদযাপন উপলক্ষে যথারীতি এবারও ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে জাতীয় পর্যায়ে। আজ ভোরে ঢাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে সূচনা হবে দিবসটির। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। তারপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন।

বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। আজ সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। আলোকসজ্জা করা হবে গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাগুলোতে। দিনটি উপলক্ষে দুদিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে রয়েছে- সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও সারা দেশের সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ৬টা ৩৪ মিনিটে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন। সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। সকাল ১০টায় টুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ জিয়ারত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। আগামীকাল সোমবার বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিজয় দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া কেন্দ্রীয় ১৪ দল আজ থেকে মাসব্যাপী সব জেলা-উপজেলায় ‘বিজয় মঞ্চ’ স্থাপন করে কর্মসূচি পালন করবে। ‘বিজয় মঞ্চে’ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসভিত্তিক আলোচনা সভা, বিজয় র‌্যালি, আলোকচিত্র, ডকুমেন্টারি ও চলচ্চিত্র প্রদর্শন, মুক্তিযুদ্ধের গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার প্রকাশ করা হবে।

এবারের বিজয় দিবস উদযাপনের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। চলতি মাসের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বরাবরের মতো এ নির্বাচনেও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ওত পেতে রয়েছে। নানাভাবে প্রভাবিত করতে চাইছে নির্বাচনকে। এ অবস্থায় দেশকে সঠিকপথে চালিত করতে সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি। বর্তমান সরকার যুদ্ধাপরাধের বিচার করেছে, যা এখনো চলমান। নানাভাবেই চক্ষুশূল হয়েছে প্রগতি পরিপন্থীদের। এদের শক্ত হাতে মোকাবেলা করাও এবারের বিজয় দিবসের বড় অঙ্গীকার।

টিআইবির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান.....

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআইবি) যে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ত.....

প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালে.....

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাক্ষর হুবহু জাল করে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চক্রের মূলহোতা হেলাল উদ্দিনস.....

নতুন মন্ত্রি পরিষদে স্থান পেল.....

নতুন মন্ত্রিপরিষদ শপথ গ্রহণ করবে আগামীকাল। তাই এরই মধ্যে যারা মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন তাদের নাম ঘোষণা কর.....

আবার থ্রি-জি ও ফোর-জি বন্ধের নি.....

আজ থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেটের থ্রিজি-ফোরজি সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ.....

অনলাইনে জেনে নিন কোন কেন্দ্রে .....

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র অনলাইনের মাধ্যমে জানা যাবে। আপনিও জেনে নিতে পারেন কোন ভোট কেন্দ্রে .....

শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও অ.....

বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে একটি শা.....

নির্বাচন ও সন্ত্রাস একসঙ্গে চ.....

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ‘অতি উৎসাহী হয়ে কোনো অনভিপ্রেত আচরণ না’ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছ.....

অনভিপ্রেত কিছু না ঘটাতে আইনশৃ.....

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিজের বিবেচনায় রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী, নির্বাচনী কর্মকর.....

সারাদেশে ব্যালট পেপার পাঠানো .....

কাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে আজ (শুক্রবার) থেকে সারাদেশে ব্যালট পেপার পাঠানো শুরু করেছে নির.....

ভোটের দিন গাড়ি ও তিনদিন চলবে ন.....

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২৯ ডিসেম্বর রাত ১২টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার জন্য বাস ও মাইক্র.....

সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন.....

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে সাধারণ জনগণ যেন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য নির্ব.....

দেশের ৪০৭ উপজেলায় সেনা মোতায়ে.....

সোমবার রাত ১২টা থেকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ৪০৭ উপজেলায় স্বশস্ত্র বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। এর মধ্যে ৩৮.....