• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ | ১০ ফাল্গুন, ১৪২৫

"সুষ্ঠু নির্বাচনে ইসির নিরপেক্ষতা ও সরকারের সদ্বিচ্ছা প্রয়োজন"

অনেক জল্পনা-কল্পনা ও অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।উক্ত নির্বাচন কে ঘিরে বহু আগে থেকেই সাধারন জনগন হতে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

এবারের নির্বাচনটি অন্যান্য নির্বাচন হতে সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশের মধ্যে সংঘটিত হতে যাচ্ছে।অন্যান্য সময়ের জাতীয় নির্বাচন গুলোতে সংসদ ভেঙে দেওয়া হলেও এবারই প্রথম আমাদের দেশে ক্ষমতাসীন কোনো দলীয় সরকারের আওতাধীন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ নির্বাচনটি।  

ফলে একাদশ জাতীয় নির্বাচনটি হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের জন্য এক মহামারি চ্যালেঞ্জ।এই নির্বাচনটি সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভাবে সম্পন্ন করতে ইসিকে সকল বিতর্কের উর্ধ্বে থেকে নিজের উপর অর্পিত দায়িত্বের সকল ক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। ইসিকে মনে রাখতে গণতন্ত্র রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব এখন তাদের হাতে।কোনো বিশেষ দলকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী আচরণ করলে তা এদেশের সাধারণ মানুষের সাথে,গণতন্ত্রের সাথে প্রতারনার শামিল হবে।   ইতিমধ্যে নির্বাচনের মাঠে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য অসঙ্গতি দেখতে পেয়েছি,নির্বাচন কমিশন এগুলোর জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেও যথাযথ প্রতিকার করতে সক্ষম হন নি। এবারের নির্বাচনী তফসীল ঘোষণার শুরু হতেই নির্বাচন কমিশন কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিজেদের ক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়েছেন অথবা নিজেদের নিরপেক্ষতার প্রমান দিতে সক্ষম হন নি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মনে হয়েছে নির্বাচনের আইনী আচরণ বিধিগুলো শুধু বিরোধী পক্ষের জন্যই প্রযোজ্য, ক্ষমতাসীনদের জন্য শিথিল! এধরনের আচরণ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে,বিষয়টি ইসিকে জোড়ালো দৃষ্টিপাত করতে হবে।

  ইতিমধ্যে প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার শুরুর দিকেই বেশ কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে,যা নির্বাচরন কমিশনের জন্য বিব্রতকর।এগুলো কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচনের আলামত হতে পারে না।এগুলো কে বা কারা করছে বিষয়টি ইসিকে খতিয়ে দেখতে হবে। বিরোধী দলের প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনায় বাঁধা,মামলা-হামলা ইত্যাদি নির্বাচনী পরিবেশকে ঘোলাটে করছে বলেই মনে হয়। এধরনের অপকর্মে কে বা কারা জড়িত তদন্ত সাপেক্ষে জিরো টলারেন্সে থাকতে হবে ইসিকে।   ইতি মধ্যে বিরোধী দলের নির্বাচনী পোস্টার লাগানোর সময় কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।বিষয়টির সত্যতা থাকলে এখানে হতাশা ছাড়া আমাদের আর কিছুই নেই।পুলিশ কে এখন রাষ্ট্রের হয়ে,জনগণের পক্ষে কাজ করতে হবে।  

কোনোভাবেই কোনো বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ নিজেদের পবিত্র দায়িত্বের প্রতি উদাসীনতাই ফুটে উঠবে যা অমার্জনীয়। উক্ত বিষয়গুলোতে নির্বাচন কমিশন কে কঠোর অবস্খানে থাকতে হবে।যে কোনো অভিযোগের সত্যতার ভিত্তিতে যেকোনো সময় যে কারো বিরুদ্ধে পদক্ষেপে যেতে হবে নির্বাচন কমিশন কে।   যারা নির্বাচনের মাঠে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির পায়তারা করছে তাদের বিরুদ্ধে হার্ডলাইনে থাকতে হবে প্রশাসন কে।  এছাড়াও ক্ষমতাসীন দল হিসেবে আওয়ামী লীগ কে আরো নমনীয় হতে হবে।কথাবার্তায় আরো শালীন হতে হবে কিছু কিছু নেতা কর্মীদের। ক্ষমতার দাপটে বিভিন্ন এমপিদের নির্বাচনী প্রচারনায় উশৃঙ্খল কথাবার্তা পরিহার করতে হবে। মনে রাখতে হবে আওয়ামীলীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের দল,স্বাধীনতার স্বপক্ষের দল।আর বঙ্গবন্ধু কোনো বিশেষ গোত্র কিংবা স্থানের নয়।বঙ্গবন্ধু পুরো জাতির। বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের যে স্বপ্ন বুনেছিলো,তার ধারাকে অব্যাহত রাখতে হলে এবারের নির্বাচনটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠভাবে অনুষ্ঠিত করে বিশ্ব দরবারে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।  

ক্ষমতাসীনদের অঙ্গ সংগঠনগুলো সহ যে বা যারাই নির্বাচনী মাঠে বিশৃঙ্খলতা সৃষ্টি করতে চাইবে,তাদেরকেই কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। এবারের নির্বাচনটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সরকারের আন্তরিকতার বিকল্প নেই। সরকার চাইলে এদেশে একটি ঐতিহাসিক নির্বাচনী দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেন। সাধারণ জনগণের সাথে প্রতারনা করবেন না সরকার,এটাই আমাদের বিশ্বাস। আর গত কয়েকদিনে নির্বাচনী মাঠের উত্তেজনাকর পরিবেশ পরিস্থিতির ভিত্তিতে বিরোধী দলের সেনা মোতায়েনের দাবিটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।প্রশাসন কে হার্ড লাইনে থাকতে হবে।দোষী কে বা কারা বিবেচ্য নয়,অপরাধী শাস্তি পাবে এটাই ঠিক।   আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা সাধারণ জনগণ নির্বিঘ্নে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দের প্রার্থীকে বাছাই করতে চাই। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে গণতন্ত্র প্রাণ ফিরে পায়। প্রতিটা প্রার্থীকে মনে রাখতে হবে জনগণ তাদের ক্ষমতার নির্ধারক,তাই কোনো উত্তেজনাকর পরিবেশ সৃষ্টি করে জনমনে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করলে তারা নিজেরাই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।  

জনগণের প্রতি আস্থা রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে প্রত্যেক প্রার্থীকে যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমগুলোর বলিষ্ঠ ভূমিকা থাকতে পারে।বস্তুনিষ্ঠ,পক্ষপাতহীন সংবাদ উপস্থাপন করতে হবে।কোনো ধরনের গুজব কিংবা তথ্য প্রমাণহীন সংবাদ পরিবেশন হতে বিরত থাকতে হবে। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত পর্যবেক্ষক হিসেবে প্রতিটা সংবাদকর্মীকে কাজ করতে হবে। সরকার কে গণমাধ্যম কর্মীদের পূর্ণ স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা দিতে হবে।নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে সাংবাদিক হয়রানি বন্ধ তরতে হবে।  

আমরা বাঙালী,বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার সহযাত্রী আমরা। আমরা এবারের নির্বাচনে কোনো রকম সহিংসা চাইনা,কোনো ভীতিকর পরিস্থিতিতে আমরা ভোটকেন্দ্রে যেতে চাই না। ভোটাধিকার প্রয়োগের নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির প্রধান দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।সরকারের আন্তরিকতা ও সুষ্ঠু নির্বাচনের সদ্বিচ্ছা আবশ্যক। সহিংসতা সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে সাথে সাথেই। প্রশাসন কে সৎ ও সততার সহিত নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং থাকতে হবে। সকলকে সমান সুযোগ দিতে হবে। কারো প্রতি বিশেষ নমনীয় আর কারো প্রতি কঠোরতা, এধরনের আচরণ পরিহার করতে হবে।সকল প্রার্থীকে নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে চলতে হবে। কেউ নির্বাচনী আইন লঙ্ঘণ করলে তার প্রার্থীতা বাতিল করে দিতে হবে। বিরোধী দলের প্রতি হয়রানী মূলক মামলা-হামলার মনোভাব পরিত্যাগ করতে হবে সরকারকে। 

অপরাধী সব দলেই আছে,কোনো একপক্ষকে ভুক্তভোগী বানালে নির্বাচনী মাঠ উত্তাপ হবেই। আমরা নির্বাচনের শেষদিন পর্যন্ত সব দলকে নির্বাচনী মাঠে দেখতে চাই।কোনো জোর জবরদস্তিমূলক নির্বাচন বিজয়ের মাসে আমরা দেখতে চাই না। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচনী বিরোধের দ্রুত মীমাংসা করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য আচরণবিধি প্রণয়ন করতে হবে যাতে ভুয়া এবং অসত্য সংবাদ প্রচার যা নির্বাচন প্রভাবিত হতে পারে সেসব সংবাদ প্রচার না হয়। একটি অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট সকলের আস্থা অর্জন করতে হবে এবং নিরলসভাবে নিরপেক্ষতার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের সহযোগী হয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে অবশ্যই রাজনৈতিক দলগুলোকে সক্রিয় হতে হবে। রাজনৈতিক দল ও তাদের মনোনীত প্রার্থীদের ওপরই বহুলাংশে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নির্ভর করে। কেননা রাজনৈতিক দল ও তাদের মনোনীত প্রার্থীরাই প্রায় সকল নির্বাচনী অপরাধের উৎস। তারাই মনোনয়ন বাণিজ্যে লিপ্ত হয়, নির্বাচনে টাকা দিয়ে ভোট কিনে থাকে, প্রতিপক্ষকে হুমকি দেয়, ভোটারদেরকে ভোট কেন্দ্রে আসতে বাধা দেয়, ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং নির্বাচনকে টাকার খেলায় পরিণত করে। রাজনৈতিক দলগুলো এবং তাদের প্রার্থীদের সদাচরণ ব্যতীত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব। নির্বাচনকে একটি প্রতিযোগিতা হিসেবে গ্রহণ করা উচিত এবং যেকোনো মূল্যে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার মনোভাব পরিত্যাগ করা উচিত। নির্বাচন-সংশ্লিষ্টদের দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার জন্য কোনোভাবেই প্রভাবিত করা যাবে না। নির্বাচনী সকল নিয়ম-কানুন ও আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। ভোটারদের সচেতনতা এবং তাদের প্রার্থীদের সম্পর্কে তথ্যপ্রাপ্তি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য। এক্ষেত্রে গণমাধ্যম প্রার্থীদের সম্পর্কে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ এবং প্রার্থী কর্তৃক হলফনামায় প্রদত্ত তথ্যসমূহ ভোটারদের জ্ঞাতার্থে তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলকেই স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে যথোপযুক্ত ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি তাদেরকে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীদের পক্ষে আওয়াজ তুলতে হবে।ভোটারদের ভোট প্রদানকে গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব মনে করে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে হবে। অর্থ বা অন্য কিছুর বিনিময়ে অথবা অন্ধ আবেগের বশবর্তী হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, যুদ্ধাপরাধী, নারী নির্যাতনকারী, মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারী, ঋণখেলাপি, বিলখেলাপি, ধর্ম ব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু, কালো টাকার মালিক, অর্থাৎ কোনো অসৎ, অযোগ্য ও গণবিরোধী ব্যক্তিকে ভোট দেওয়া যাবে না। ভোটদানের পাশাপাশি ভোটের ফলাফল রক্ষার ব্যাপারেও তাদের সচেতন এবং প্রয়োজনে সংগঠিত ও সোচ্চার হতে হবে। এছাড়াও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কড়া নজরদারি প্রয়োজন। জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সর্বোপরি সকলের সচেতনতা ও সৌহার্দপূর্ণ আচরণ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অর্থবহ নির্বাচন নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে এবং এর ফলে অনেক অবাঞ্ছিত ব্যক্তিকে নির্বাচনী অঙ্গন থেকে দূরে রাখা এবং রাজনীতি বহুলাংশে কলুষমুক্ত করা সম্ভব হবে।   পরিশেষে,সরকারের আন্তরিকতা,প্রশাসনের সততা ও নির্বাচন কমিশনের কঠোন ও নিরপেক্ষতায় আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইতিহাসের রুল মডেল হতে পারে বলে আমরা মনে করি।

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আজ .....

‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি’— না, বাঙালি জাতি ভোলেনি পূর্বপুরুষের মহা.....

পিতার লাশের অপেক্ষায় দুই যমজ .....

এইচ এম কাওসার আহমেদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। কাজ করতেন চুড়িহাট্টায় এক ফা.....

প্রতি বছর বাড়ছে আট লাখ বেকার: স.....

গত ১০ বছরে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক উন্নয়ন হলেও কর্মসংস্থান প্রবৃদ্ধি মূল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে প্র.....

শুধু খামখেয়ালিতে ভাড়া করা বিম.....

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তাদের খামখেয়ালিপনায় ইজিপ্ট এয়ার থেকে লিজ নেয়া নষ্ট দুটি উড়োজাহাজের পে.....

পুলিশের হাতে নিরীহ মানুষ যেন হ.....

পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পুলিশের হাতে যেন কোনো নিরীহ মানুষ হয়রানি শ.....

বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যা সংবাদ, মি.....

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে মিয়ানমারের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করায় বাংলাদেশে .....

বাংলাদেশ দুর্নীতিতে বিশ্বে ১.....

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)-এর দুর্নীতির ধারণা সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে। শীর্ষ .....

বিশ্বের শীর্ষ ১০০ চিন্তাবিদদ.....

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ১০০ চিন্তাবিদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘প.....

টিআইবির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান.....

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআইবি) যে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ত.....

প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালে.....

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাক্ষর হুবহু জাল করে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চক্রের মূলহোতা হেলাল উদ্দিনস.....

নতুন মন্ত্রি পরিষদে স্থান পেল.....

নতুন মন্ত্রিপরিষদ শপথ গ্রহণ করবে আগামীকাল। তাই এরই মধ্যে যারা মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন তাদের নাম ঘোষণা কর.....

আবার থ্রি-জি ও ফোর-জি বন্ধের নি.....

আজ থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেটের থ্রিজি-ফোরজি সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ.....