• ঢাকা
  • বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | ১৮ মাঘ, ১৪২৯

ইতিহাসের পরিক্রমায় বাংলাদেশের সংবিধান

ইতিহাসের পরিক্রমায় বাংলাদেশের সংবিধান

সংবিধান একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান একটি লিখিত দলিল। ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এই সংবিধান গৃহীত হয় এবং একই বছরের ১৬ই ডিসেম্বর অর্থাৎ বাংলাদেশের বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী হতে এটি কার্যকর হয়। মূল সংবিধান ইংরেজি ভাষায় রচিত হয় এবং একে বাংলায় অনুবাদ করা হয়। তাই এটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় বিদ্যমান। তবে ইংরেজি ও বাংলার মধ্যে অর্থগত বিরোধ দৃশ্যমান হলে বাংলা রূপ অনুসরণীয় হবে।

১০ই এপ্রিল ২০১৮ সালের সপ্তদশ সংশোধনী সহ বাংলাদেশের সংবিধান সর্বমোট ১৭ বার সংশোধীত হয়েছে। সংবিধান সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদের সদস্যদের মোট সংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয়। তবে পঞ্চম সংশোধনী, সপ্তম সংশোধনী, ত্রয়োদশ সংশোধনী ও পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের আদেশে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট রায় দিয়েছে যে, সংবিধানের মূল কাঠামো পরিবর্তন হয়ে যায় এরূপ কোনো সংশোধনী এতে আনা যাবে না; আনা হলে তা হবে এখতিয়ার বহির্ভূত।

বাংলাদেশের সংবিধান কেবল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনই নয়, সংবিধানে বাংলাদেশের মূল চরিত্র বর্ণিত রয়েছে। এতে বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমারেখা বিধৃত আছে। দেশটি হবে প্রজাতান্ত্রিক, গণতন্ত্র হবে এদেশের প্রশাসনিক ভিত্তি, জনগণ হবে সকল ক্ষমতার উৎস এবং বিচার বিভাগ হবে স্বাধীন। জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস হলেও দেশ আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা-কে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

তারা হলেন ড. কামাল হোসেন, মো. লুৎফর রহমান, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, এম আবদুর রহিম, এম আমীর-উল ইসলাম, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনজুর, আবদুল মুনতাকীম চৌধুরী, ডা. ক্ষিতীশ চন্দ্র, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, খন্দকার মোশতাক আহমেদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান, আবদুল মমিন তালুকদার, আবদুর রউফ, মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ, বাদল রশীদ, খন্দকার আবদুল হাফিজ, শওকত আলী খান, মো. হুমায়ুন খালিদ, আছাদুজ্জামান খান, এ কে মোশাররফ হোসেন আখন্দ, আবদুল মমিন, শামসুদ্দিন মোল্লা, শেখ আবদুর রহমান, ফকির সাহাব উদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক খোরশেদ আলম, এম. মোজাফ্ফর আলী, অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক, দেওয়ান আবু আব্বাছ, হাফেজ হাবিবুর রহমান, আবদুর রশিদ, নুরুল ইসলাম চৌধুরী, মোহাম্মদ খালেদ ও বেগম রাজিয়া বানু।

একই বছরের ১৭ই এপ্রিল থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত এই কমিটি বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক করে। জনগণের মতামত সংগ্রহের জন্য মতামত আহবান করা হয়। সংগৃহীত মতামত থেকে ৯৮টি সুপারিশ গ্রহণ করা হয়। ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করেন। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে কার্যকর হয়।

গণপরিষদে সংবিধানের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেন, “এই সংবিধান শহীদের রক্তে লিখিত, এ সংবিধান সমগ্র জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক হয়ে বেঁচে থাকবে।“

সংবিধান লেখার পর এর বাংলা ভাষারূপ পর্যালোচনার জন্য ড. আনিসুজ্জামানকে আহবায়ক, সৈয়দ আলী আহসান এবং মযহারুল ইসলামকে ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি কমিটি গঠন করে পর্যালোচনার ভার দেয়া হয়। গণপরিষদ ভবন, যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন, সেখানে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির বৈঠকে সহযোগিতা করেন ব্রিটিশ আইনসভার খসড়া আইন-প্রণেতা আই গাথরি। সংবিধান ছাপাতে ১৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছিলো। সংবিধান অলংকরণের জন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছিল যার প্রধান ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন। এই কমিটির সদস্য ছিলেন শিল্পী হাশেম খান, জনাবুল ইসলাম, সমরজিৎ রায় চৌধুরী ও আবুল বারক আলভী। শিল্পী হাশেম খান অলংকরণ করেছিলেন। ১৯৪৮ সালে তৈরি ক্র্যাবট্রি ব্রান্ডের দুটি অফসেট মেশিনে সংবিধানটি ছাপা হয়। সংবিধানের মূল কপিটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

বাংলাদেশের সংবিধান শুরু হয়েছে প্রস্তাবনা দিয়ে ও শেষ হয়েছে ৭টি তফসিল দিয়ে। বাংলাদেশের সংবিধানে ১১ টি ভাগ আছে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ/ধারা ১৫৩ টি। বাংলাদশের প্রথম হস্তলেখা সংবিধানের মূল লেখক আবদুর রাউফ। বাংলাদেশের সংবিধানের শুরুতেই আছে বিস্মিল্লাহির রহ্মানির রহিম (দয়াময়, পরম দয়ালু, আল্লাহের নামে)। প্রস্তাবনায় রয়েছে, আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি; আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল - জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে;

আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে; আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্ক্ষার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য; এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।

সংবিধানের প্রথম ভাগ প্রজাতন্ত্র যার ধারাগুলো হল প্রজাতন্ত্র, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা, রাষ্ট্রধর্ম, রাষ্ট্রভাষা, জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক, জাতির পিতার প্রতিকৃতি, রাজধানী, নাগরিকত্ব, সংবিধানের প্রাধান্য, সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ এবং সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে মূলনীতিসমূহ, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার, ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা, মালিকানার নীতি, কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি, মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব, অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা, পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, সুযোগের সমতা, অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম, নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য, নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ, জাতীয় সংস্কৃতি, উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও স¤প্রদায়ের সংস্কৃতি, জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।

তৃতীয় ভাগে রয়েছে মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল, আইনের দৃষ্টিতে সমতা, ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য, সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা, বিদেশী খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ, আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার, জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ, গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ, জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ, বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ, চলাফেরার স্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা, সংগঠনের স্বাধীনতা, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা, পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ, মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ, শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন, দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা, কতিপয় আইনের হেফাজত, সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা।

চতুর্থ ভাগে রয়েছে রাষ্ট্রপতি, ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার, রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি, রাষ্ট্রপতির অভিশংসন, অসামর্থ্যরে কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ, অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার, মন্ত্রিসভা, মন্ত্রিগণ, প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ, অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ, স্থানীয় শাসন, স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা, সর্বাধিনায়কতা, প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি, যুদ্ধ ও অ্যাটর্ণি-জেনারেল।

পঞ্চম ভাগে আছে সংসদ-প্রতিষ্ঠা, সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা, সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া, সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি, শপথ গ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদন্ড, রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া, দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা, সংসদের অধিবেশন, সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী, সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার, স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার, কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি, সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ, ন্যায়পাল, সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি এবং সংসদ-সচিবালয়।

এছাড়া আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি, আইন প্রণয়ন পদ্ধতি, অর্থবিল, আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ, সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা, সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব, সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ, প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ, বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি, সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়, বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি, নির্দিষ্টকরণ আইন, সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী, হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট এবং অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা পঞ্চম ভাগের অন্তর্ভূক্ত। ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ, সপ্তম ভাগে নির্বাচন, অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ, দশম ভাগে সংবিধান-সংশোধন, একাদশ ভাগে বিবিধ এবং সবশেষে কিছু তফসিল উল্লেখিত আছে। গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখার জন্য সংবিধান মেনে চলা দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য।লেখকঃ মো: আরাফাত রহমান, কলাম লেখক, সহকারি কর্মকর্তা, ক্যারিয়ার এন্ড প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস বিভাগ, সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়

বায়ুদূষণ রোধে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ দিলেন পরিবেশমন্ত্রী

আজ মঙ্গলবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এডিপি সভায় পরিবেশমন্ত্রী ছবি লাখো.....

মুসলিম উম্মাহকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ওআইসির সদস্যভুক্ত সাতটি দেশের হাইকমিশনা.....

কড়া নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে বইমেলা- ডিএমপি

ছবি-সংগৃহিত

লাখোকন্ঠ প্রতিবেদন: বইমেলা কেন্দ্র করে দুর্ঘটনা এড়াতে মেলা প্রাঙ্গণ, শাহবাগ, পলাশীসহ আশপাশ.....

সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১২তম

ছবি-সংগৃহিত

লাখোকন্ঠ প্রতিবেদন: বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত’ দেশের তালিকায় ব.....

১৯১টি নিউজ পোর্টাল বন্ধে চিঠি দেওয়া হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

ফাইল ফটো

লাখোকন্ঠ প্রতিবেদন: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ায়- এমন .....

রাজশাহীতে আ.লীগের সমাবেশে বিএনপির চেয়ে ১৪ গুণ বেশি লোক হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। ছবি : পিআইডি

&nb.....

ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস চালু ২৭ ফেব্রুয়ারি

আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ছব.....

অনির্বাচিত কাউকে দিয়ে দেশের উন্নয়ন হয় না: প্রধানমন্ত্রী

ছবি-সংগৃহিত

লাখোকন্ঠ প্রতিবেদন:  প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনের মাধ.....

জাটকা ও মা মাছ নিধন বন্ধে আরও বেশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলাপ্রশাসক সম্মেলন। ছবি-লাখোকন্ঠ

লাখোকন্ঠ প্রতিবেদন: মৎস্য ও প্রাণ.....

অনিবন্ধিত পোর্টাল ও আইপিটিভির গুজব বড় চ্যালেঞ্জ : তথ্যমন্ত্রী

ছবি - ইন্টারনেট

লাখোকন্ঠ প্রতিবেদন: অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল, আইপিটিভি ও ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে গুজ.....

‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের প্রধান হাতিয়ার ডিজিটাল সংযোগ : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা-২০২৩ এর উদ্বো.....

পদোন্নতি পেয়ে ৪ জন অতিরিক্ত আইজিপি

বাঁ থেকে- জামিল আহমদ, ওয়াই এম বেলালুর রহমান, মীর রেজাউল আলম ও মো. হুমায়ুন কবির

লাখোকন্ঠ প্রতিবেদন: বাংলাদ.....