Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
১৮ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি অর্থনীতি
  6. খেলাধূলা
  7. চাকরি-বাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবনের গল্প
  10. ধর্ম
  11. নির্বাচনী হাওয়া
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নন্দীগ্রামে ঢেঁড়স চাষে কৃষক হাসানের মুখে সফলতার হাসি

বার্তা কক্ষ
মে ৩০, ২০২৩ ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আব্দুল আহাদ, (বগুড়া) নন্দীগ্রামঃ  সৌখিন কৃষক হাসান প্রাং। মৌসুম অনুযায়ী সারা বছরই তিনি বাণিজ্যিকভাবে নিজের জমিতে বাঁধাকপি, ফুলকপি, ঢেঁড়শ, মূলা বেগুন সহ নানা ধরনের সবজি  আবাদ করছেন। তবে  তিনি এক এক সময় নতুন নতুন জাতের সবজি চাষে এলাকায় নতুন দিগন্ত সৃষ্টি করছেন। এবারও প্রথমবারের মতো হাইব্রিড জাতের ঢেঁড়স লাল তীর চাষ করেছেন তিনি। রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের পাশাপাশি জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমে লাল তীর ঢেঁড়স চাষ শুরু করছেন।ঢেঁড়স চাষে খরচ কম হওয়ায় দ্বিগুন লাভের আশা করছেন কৃষক হাসান । স্থানীয় বাজারে এর ভালো চাহিদা থাকা ও বিক্রিতে ভালো দাম পাওয়ায় তিনি বেজায় খুশি। কৃষক হাসান প্রাং বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌরসভা এলাকার নামুইট গ্ৰামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নন্দীগ্রাম পৌরসভা এলাকার নামুইট গ্ৰামের মাঠে নিজের ১০ কাঠা জমিতে ঢেঁড়স চাষ করেছেন কৃষক হাসান। মাথাল মাথায় দিয়ে জমিতে পরিচর্যা ও ঢেঁড়স তুলছেন তিনি। তাছাড়া বেকার যুবকরা এ চাষে আগ্রহী হয়ে তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন।

কৃষক হাসান বলেন, করোনা ভাইরাসের পর থেকে তিনি অনেকটাই যেন বেকার হয়ে পড়েন। বেকারত্ব গুছাতে চেষ্টা করেন কিছু একটা করতে। এরইমধ্যে ইউটিউব দেখে কৃষির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। নিজের ১০ কাঠা জমিতে বেগুন বাঁধাকপি, ফুলকপি, ঢেঁড়শ, মূলা দিয়ে সবজি চাষ শুরু করেন। এতে সবজি চাষে শুরুতেই এক অভাবনীয় সাফল্য পান।  প্রথম বছর সবজি চাষে খরচ বাদে প্রায় ২০ হাজার টাকা আয় হয়। এরপর তার আগ্রহ কয়েকগুন বেড়ে যায়। এখন তিনি সারা বছরই নানা রকম সবজি চাষ করছেন।

তিনি আরো বলেন,প্রথমবারের মতো হাইব্রিড জাতের ঢেঁড়স লাল তীর ও ঢেঁড়স প্লান ১০ চাষ শুরু করেছি।চারা লাগানোর ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মাথায় গাছে ফলন আসতে শুরু করে । গত কয়েক দিন ধরে স্থানীয় বাজারে পাইকারি ৭০০-৮০০ টাকা মণ বিক্রি করছেন ঢেঁড়স। স্থানীয় বাজারে এর কদর বেশ ভালো রয়েছে। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে পুরোদমে বিক্রি শুরু হবে। এক একটি ঢেঁড়স গাছে নিচে ৩-৪ কেজি ফলন পাওয়া যাবে। যেভাবে গাছে ফলন আসছে এতে খরচ বাদ ও নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে দ্বিগুন লাভের আশা করছেন তিনি।জমি তৈরি, চারা বীজ কেনা, আবাদসহ এতে তার ৯ হাজার টাকা খরচ হয়। জমিতে এসে ঢেঁড়স দেখলে মনটা জুড়িয়ে যায়। সরকারি সহযোগিতা পেলে তিনি আরও বেশি জমিতে ঢেঁড়স চাষ করবেন বলে জানান কৃষক হাসান ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আদনান বাবু জানান, কৃষক হাসান কে সহযোগিতা করা হবে ।কৃষি ও কৃষক আমাদের দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। করোনাকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কৃষিকে বিশেষ গুরুত্ব দেন এবং কৃষির উপর আস্থা রাখেন। সেদিক খেয়াল রেখেই নন্দীগ্রামে কৃষিকে আধুনিক, যুগোপযোগী, নিরাপদ, জৈব ও বাণিজ্যিক কৃষিতে রুপদানের জন্য আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।