
সামরুজ্জামান (সামুন), কুষ্টিয়া:কুষ্টিয়ায় চালের দাম নিয়ে বিপাকে সাধারন মানুষ হুহু করে চালের দাম বৃদ্ধি চলছিল ঠিক সেই মহুর্তে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে থেকে নেওয়া হয় কঠোর পদক্ষেপ। কুষ্টিয়ার ধান চাল চাতালের মালিক, আড়ৎদার ছোট বড় ব্যাসায়ীদেরকে নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক সেই বৈঠকে চালের দাম নির্ধারন করে দেওয়া হয়।
মোটা ও সরু চালের দাম ৬২ টাকা কেজির উপরে বিক্রয় করতে পারবে না খুচরা ব্যাবসায়ীরা, উক্ত বৈঠকে চাতালের মালিকারা ধানের দাম বেশি টাকা দিয়ে কেনার কারনে কিছুটা দাম বৃদ্ধি করতে হয়েছে কৃষকরা বেশি দামে ধান বিক্রি করার কারনে এই দাম বেশি হয়েছে। এদিকে খোজ নিয়ে জানাযায় পোড়াদহ আইলচারার কৃষক ফরিদ বলেন আমাদের গোলায় কোন ধান নাই মাঠ থেকে ধান কিনে নিয়ে যায় ব্যাবসায়ীরা গোলায় ধান তোলার আগে মাঠ থেকে কিনেন তারা।
আরেক কৃষক রহিদুজ্জামান জানান আমার ধান মাঠ থেকে ব্যাপারিরা কিনে নিয়েছে যার কারনে বর্তমানে আমার কাছে কোন ধান নাই। মাঠ থেকে ধান কেনা বিক্রি করেন বলে জানতে চাইলে কৃষক রহিদুজ্জামান জানান, সার কিট নাকশক ও ধান লাগানো সেচ খরচ সহ যে পরিমানে খরচ হয়। তাতে ধান কেটে বাড়ি পর্যন্ত নিতে আরো বেশি খরচের ভয়ে আমরা ব্যাপারির কাছে মাঠেই ধান বিক্রি করেদিই। কতটাকা মনে ধান বিক্রি করেন জানতে চাইলে সে বলে ১৩০০ মন প্রতি বিক্রি করেছি।
খোজ নিয়ে জানায়ায় ব্যাপারিরা মাঠ থেকে ধান কিনে সংকট তৈরী করে পরে ধানের দাম বেশি নিয়ে বিক্রয় করছে বাজারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ধানের ব্যাপারি বলেন মাঠ থেকে কৃষকের কাছ থেকে সাশ্রয়ী মুল্যে ধান কিনে কিছুদিন পরে বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়া যায় তাই আমরা ধান মাঠ থেকে কিনে নিয়ে গুদামে রাখি। তবে আমরা কুষ্টিয়ার বড় বড় চালের ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে ধারে টাকা নিয়ে আমরা ধানের ব্যাবসা করি তবে ধান কোথায় রাখে এবিষয়ে জানতে চাইলে এড়িয়ে যায়। বর্তমানে ধান কত টাকা মনে বিক্রয় করছে জানতে চাইলে বলেন মিনিকেট ধান বিক্রয় হচ্ছে ১৬০০ টাকা মন অনান্য ধান মন প্রতি বিক্রয় হচ্ছে ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়া ধান চাতাল মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদকদকের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
আপনার মতামত লিখুন :