
চালক খায়রুল ইসলাম বাবু জানান, তাঁকে ও সহকারী সাব্বির হোসেনকে ট্রাক থেকে নামিয়ে চোখ-হাত বেঁধে মাইক্রোবাসে তুলে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে নেশাজাতীয় ট্যাবলেট খাইয়ে তাঁদের মির্জাপুর এলাকার সড়কের পাশে ফেলে দেওয়া হয়। ছিনতাইকারীরা চালকের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। মোহনা অয়েল মিলের মালিক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চালকের মোবাইল থেকে ফোন পেয়ে হেমায়েতপুরে ট্রাকটির অবস্থান জানা যায়। পরে সেখানে গিয়ে ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়। দুর্বৃত্তরা তেলসহ ট্রাকটি ঢাকার দিকে নিয়ে যাচ্ছিল।
আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আলমগীর হোসেন সোহাগ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার একই এলাকায় পাম তেলবোঝাই আরেকটি ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনারও তদন্ত চলছে। শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় সড়ক ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আহাসানুর রহমান প্রধান। জানতে চাইলে এস আই আহাসানুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার সময় পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় আমার দায়িত্ব থাকলেও আমি পাশের এলাকা জামগড়ায় অভিযানে ছিলাম। তাই ওই সময়ে ঠিক কী হয়েছে, তা আমার জানা নেই।’ আহাসানুর রহমান প্রধান আরও বলেন, মাঝেমধ্যে সড়কে রড, তেল ও গরুবাহী ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে, আবার তা উদ্ধারও হচ্ছে। গত মাসে আশুলিয়া থানা এলাকা থেকে রড ও গরুবোঝাই ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল। মামলা হওয়ার পর তা উদ্ধার করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :