Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
২৪শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ১০ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি অর্থনীতি
  6. খেলাধূলা
  7. চাকরি-বাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবনের গল্প
  10. ধর্ম
  11. নির্বাচনী হাওয়া
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

লক্ষ্মীপুরে / ডাবল মার্ডারে যুবলীগ-স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতাসহ ৬ আসামি গ্রেপ্তার

বার্তা কক্ষ
মে ২, ২০২৩ ২:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মু.ওয়াহিদুর রহমান মুরাদ ,লক্ষ্মীপুর (রায়পুর) প্রতিনিধি:লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান ও ছাত্রলীগ নেতা রাকিব ইমাম হত্যা মামলায় আরও ৬ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে র‍্যাব ৪ জনকে ও পুলিশ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ পর্যন্ত জোড়া খুনের ঘটনায় ১০ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। সোমবার (১ মে) দুপুরে র‍্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান ও জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বশিকপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মশিউর রহমান নিশান,মাদক মামলায় রামগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক দেওয়ান ফয়সালকে আটক দেখানো হয়েছে, আওয়ামী লীগ কর্মী রুবেল দেওয়ান ও নাজমুল হোসেন। এর মধ্যে নিশান মামলার দ্বিতীয়, ফয়সাল তৃতীয় ও রুবেল ১১ নম্বর আসামি।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নাজমুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে র‍্যাব তাদেরকে গ্রেপ্তার করে।

এছাড়া রোববার পুলিশ বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে ফারুক হোসেন ও আরমান হোসেন নামে ২ জনকে গ্রেপ্তার করে। তারা এজাহার নামীয় আসামি নয় বলে জানা গেছে। সন্দেহজনকভাবে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে।

আরও পড়ুন-লক্ষ্মীপুরে গুলি করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যা

এর আগে ২৭ এপ্রিল র‍্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে জেলার বিভিন্নস্থান থেকে ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পর দিন আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। তারা হলেন, মনির হোসেন রুবেল, আজিজুল ইসলাম বাবলু, মো. সবুজ ও ইসমাইল হোসেন পাটওয়ারী। এরমধ্যে রুবেল র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে।

র‍্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ইউপি নির্বাচন নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নোমান-রাকিবকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ মামলার প্রধান আসামি আবুল কাশেম জিহাদি ১৯৯৬ সালে নিজের নামে সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলেন। তার বাহিনীতে ৩০০ সক্রিয় সদস্য রয়েছে। যাদের মাধ্যমে তিনি এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। তাকে গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান ও তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন-লক্ষ্মীপুরে জোড়া খুনের প্রধান আসামি জেহাদী লাপাত্তা

তিনি আরও জানান, কাশেম জিহাদি তার সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তার করে এলাকায় চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। ২০১৩ সালে দত্তপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেন শামিম, ২০০০ সালে আইনজীবী নুরুল ইসলাম, দত্তপাড়া এলাকার আবু তাহের, বশিকপুরের নন্দীগ্রামের মোরশেদ আলম, করপাড়ার মনির হোসেন, উত্তর জয়পুরের সেলিম ভুঁইয়া ও কামাল হোসেন হত্যা মামলাসহ নোমান-রাকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি কাশেম জিহাদি।



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।