Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি অর্থনীতি
  6. খেলাধূলা
  7. চাকরি-বাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবনের গল্প
  10. ধর্ম
  11. নির্বাচনী হাওয়া
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাড়ছে শীতের তীব্রতা, আপাতত নেই কোনো সুখবর!

নিউজ রুম
জানুয়ারি ১৬, ২০২৪ ১:৫৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সামরুজ্জামান (সামুন), কুষ্টিয়া: ঘন কুয়াশা ও প্রচন্ড শীতে কুষ্টিয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাড় কাঁপানো শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের মানুষ। শীত থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে শরীর উষ্ণ রাখার চেষ্টা করছেন শীতার্ত এসব মানুষ। প্রচন্ড শীতে স্বাভাবিক চলাফেরাও বন্ধ হয়ে পড়েছে।

শীতের কারণে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপও বেড়েছে। সরকারি হাসপাতাল ও প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। এদিকে খেটে খাওয়া মানুষগুলো, ‘তীব্র শীতে ঘর থেকে বের হতে না পারায় কষ্টে জীবন যাপন করতে হচ্ছে তাদের।

কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের দিনমজুর শাহিন বলেন, আমরা গরিব মানুষ। কাজ না করলে চলে না। তাই শীত উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে বের হতে হয়। তারপরও এখন কাজ তেমন নেই। কোনও দিন কাজ না পেয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হয়। শীত উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে দিনমজুর ফেরিওয়ালা আব্বাস আলী বলেন, শীতের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে গুড়সহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে থাকি। এখন কয়েক দিন ধরে প্রচন্ড শীত ও কুয়াশায় ভ্যান চালিয়ে বিভিন্ন স্থানে যেতে কষ্ট হচ্ছে। কনকনে শীতে বের হওয়া যায় না। দবির মোল্লার রেলগেট এলাকায় নৈশপ্রহরী জয়নাল বলেন, প্রচুর ঠান্ডা পড়েছে। এর ওপর রাতে ডিউটি করা লাগে। ঠান্ডার মধ্যে খুব কষ্ট হচ্ছে। শীতে জ্বর-সর্দি ও কাশিসহ নানা অসুখ লেগেই আছে।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আএরমও) ডা. তাপস কুমার সরকার বলেন, ‘তীব্র শীতের কারণে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশি শীতজনিত রোগে ভুগছে। এসময় তাদের প্রতি অনেক বেশি যত্নশীল হতে হবে। কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে এক সপ্তাহে ১৪৫ শিশু নতুন ভর্তি হয়েছে। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস থাকতে পারে। এভাবে তিনদিন ধরে চলবে। তবে ১৮ জানুয়ারীতে হালকা বৃষ্টি হওয়ার পরে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলে জানা যায়।

এদিকে, বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রচন্ড শীত ও কুয়াশার কারনে জনজীবন অনেকটাই অচল হয়ে পড়েছে। দিনে সূর্যের আলো দেখা গেলেও কুয়াশার কারণে সন্ধ্যা থেকেই যানবাহনগুলো লাইট জ্বালিয়ে ধীরে ধীরে চলছে। স্বল্প আয়ের মানুষজন কাজে যেতে পারছেন না শীতের কারণে। বিভিন্ন স্থানে খড়কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন অনেকে। শীতের পোশাকের জন্য নিম্ন আয়ের মানুষরা শীত নিবারনের জন্য ছুটছেন ফুটপাতে পুরনো কাপড়ের দোকানে। নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের আনাগোনা থাকায় ফুটপাতের বেচাকেনাই জমজমাট হয়ে উঠেছে।

কুমারখালী আবহাওয়া অধিদফতরের ইনচার্জ সাইদুর রহমান জানান, এই অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আদ্রতা ৮৯ শতাংশ, গতিবেগ ঘণ্টায় ৩-৪ কিলোমিটার। বাড়ছে শীতের তীব্রতা, আপাতত নেই কোনো সুখবর।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোছাঃ শারমিন আখতার বলেন, ‘এ পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন থেকে চার হাজারের অধিক কম্বল শীতার্ত ও ছিন্নমূল মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব কেপিসি’সহ রাতে শহরের বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ঘুরে ঘুরেও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

  • বিষয় :


এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।