Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি অর্থনীতি
  6. খেলাধূলা
  7. চাকরি-বাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবনের গল্প
  10. ধর্ম
  11. নির্বাচনী হাওয়া
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চিকিৎসক দম্পতির বাসায় কিশোরী গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু

নিউজ রুম
জানুয়ারি ১৭, ২০২৪ ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বাহাদুর আলম,ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চিকিৎসক দম্পতির বাড়ি থেকে তামান্না আক্তার (১৪) নামে এক কিশোরী গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধায় লাশটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। নিহতের বাবা-মায়ের অভিযোগ, তামান্নাকে হত্যা করা হয়েছে। তাকে চিকিৎসক দম্পতি প্রায়ই নির্যাতন করতো। নিহত তামান্না কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা মো. সুমন মিয়ার বড় মেয়ে। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খ্রীষ্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালের চিকিৎসক ইসরাত জাহান ও তার স্বামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আনিসুল হকের সঙ্গে শহরের মৌলভীপাড়ার বাসায় থাকতো।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে ইসরাত জাহানের বাবা বাবুল মিয়া ঢাকা থেকে মারা যাওয়া তামান্নার বাবা সুমনকে ফোন করেন। ইসরাতের বাবা সুমনকে মুঠোফোনে জানান তামান্না গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তামান্নার লাশ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রয়েছে। পরে সুমন ও তার স্ত্রী মুন্নি আক্তার হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গিয়ে তামান্নার লাশ দেখতে পান। পরে হাসপাতালের লোকজন তামান্নার লাশ মর্গে নিয়ে যায়।
মারা যাওয়া তামান্নার খালু আবদুল কাদের বলেন, চিকিৎসক দম্পতি আগে ঢাকায় থাকতেন। তামান্না তখন গৃহকর্মী হিসেবে তাদের সঙ্গে ঢাকায় থাকতো। দুই বছর আগে এই দম্পতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চলে আসেন। এরপর থেকে তাদের সঙ্গে মৌলভীপাড়ার বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো তামান্না। তামান্নাকে মাসে তিন হাজার টাকা বেতন দিতেন এই দম্পতি।

নিহত তামান্নার বাবা সুমন মিয়া বলেন, আমার মেয়ে যদি আত্মহত্যা করে তাহলে তার লাশ নামানোর আগে আমাদের জন্য অপেক্ষা করতো। কারণ ভাদুঘর থেকে মৌলভীপাড়া যেতে ১০-১৫মিনিট সময় লাগার কথা। কিন্ত, তারা লাশ নিজেরাই হাসপাতালে নিয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিন আগে মেয়ে জানিয়েছিল তারা (চিকিৎসক দম্পতি) তাকে প্রায়ই মারধর করে। তারা আমার মেয়েকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে।
তামান্নার মা মুন্নি আক্তার বলেন, ১০-১৫দিন আগে মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল। তারা মারধর করে বলে জানিয়েছিল তামান্না। আমার কোল খালি কইরা মেয়ে চলে গেলো।
এদিকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে চিকিৎসক ইসরাত জাহানকে দেখা যায়। তখন তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের দেখে মুখ ঢেকে সেখান থেকে চলে যান। গণমাধ্যমকর্মীরা কথা বলতে চাইলে তিনি কোনো সাড়া দেননি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মির্জা মো. সাইফ বলেন, বিকেল সাড়ে ৫টায় হাসপাতালে আনা হয় মেয়েটিকে। পরীক্ষা করে মেয়েটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগে তার মৃত্য হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলা যাবে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া
১৬.০১.২৪

  • বিষয় :


এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।