Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
১২ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ২৯শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি অর্থনীতি
  6. খেলাধূলা
  7. চাকরি-বাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবনের গল্প
  10. ধর্ম
  11. নির্বাচনী হাওয়া
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

লামায় অবৈধ করাতকলে গিলে খাচ্ছে সবুজ বন

বার্তা কক্ষ
এপ্রিল ১০, ২০২৩ ৬:০৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইসমাইল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার: বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং-এ কোন প্রকার কাগজপত্র ছাড়াই করাতকল (স-মিল) বসিয়ে অবাধে চেরাই করছে বনের গাছ। নিয়মনীতি না মেনে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘেষেই অবাধে গড়ে তুলছে করাতকল। জানা যায়, পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা উপজেলায় ফাইতং ইউনিয়ন ৪টি করাতকল থাকলেও ১টি মাত্র করাতকলে বৈধ কাগজপত্র রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসন ও বনবিভাগের কর্মকর্তাদের ‘মাসোহারা’ দিয়ে এসব করাতকল পরিচালনা করা হচ্ছে। এদিকে এবিষয়ে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলার পর, যত্রতত্র অবৈধ করাতকল স্থাপনের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। অন্যদিকে, করাতকল বিধিমালা-২০১২ তে বলা আছে, কোনো সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিনোদন পার্ক, উদ্যান ও জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করে এমন স্থান থেকে কমপক্ষে ২০০ মিটার এবং সরকারি বনভূমির সীমানা থেকে কমপক্ষে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে করাতকল স্থাপন করা যাবে না। এই নির্দেশনা মানা হচ্ছে না কোথাও।

সরেজমিনে অনুসন্ধানে উঠে আসে ফাইতং ইউনিয়নের বাজার পূর্বে পাশে এলাকায় ২টি অবৈধ করাতকলে বনের গাছ চেরাই করতে দেখা গেছে। এ দুইটি করাতকলের মধ্যে কোনোটিরই নেই লাইসেন্স। স্থানীয়দের অভিযোগ, লামার ফাইতং মাঝামাঝি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাশে এসব অবৈধ করাতকল গড়ে ওঠায় সহজেই সেখান থেকে কাঠ এসব করাতকলে আসে। এরপর কাঠ চেরাই হয়। সেই কাঠ দিয়ে ফার্নিচারসহ অন্যান্য সামগ্রী তৈরি হয়ে বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, বেশিরভাগ সময় রাতে ট্রাকযোগে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে কাঠ আসে। অবৈধ হওয়ায় এসব করাতকলে হিসাব হয় না যে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে কী পরিমাণ কাঠ আসে। মাঝেমধ্যে উপজেলা প্রশাসন এসব কাঠ করাতকলে আসার সময় আটক করে। তবে বেশিরভাগ সময় কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই বনাঞ্চল থেকে কাঠ এসে অবৈধ করাতকলে চেরাই হচ্ছে।

জানতে চাইলে ফাইতং ইউনিয়নের এলাকার অনুমোদনহীন করাতকলের মালিকরা বলেন, সবাই যেভাবে পরিচালনা করছে, আমিও সেভাবে করছি। এখানে তো একটা করাতকলেরও লাইসেন্স নেই। তবে আমরা অনুমোদন নেওয়ার জন্য ফাইল রেডি করছি। এখনো জমা দেইনি। লাইসেন্স না থাকায় প্রশাসনের কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার সঙ্গে প্রশাসনের যোগাযোগ ও সুসম্পর্ক আছে। তাই তেমন সমস্যা হয় না। তবে প্রতিমাসে উৎকোচ হিসেবে প্রশাসন, ডিএফও, রেঞ্জারকে টাকা পাঠিয়ে দিতে হয়।

ফাইতং ইউনিয়নের বাজার পূর্বে পাশে এলাকার অনুমোদনহীন করাতকলের মালিক আলা উদ্দিন বলেন, আপনি কে আমি চিনি না এবং ব্যস্ততা দেখিয়ে কথা বলতে রাজি না।

এ ব্যাপারে ফাইতং-আজিজ নগর বন বিভাগ দায়িত্বগত কর্মকর্তা রেজাউল করিম এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, করাতকল চলমান বিষয়টি স্বীকার করেন, এদের বিষয় (গত ৩০ তারিখ) বান্দরবান ডিসি অফিসে মিটিং হয়েছে। ওখান থেকে তারাতাড়ি ব্যবস্থা ও অবৈধ উচ্ছেদ এদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
করাতকল দুইটা জন্য আবেদন করছে দুইটি লাইসেন্স প্রক্রিয়াদিন আছে।



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।