Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি অর্থনীতি
  7. খেলাধূলা
  8. চাকরি-বাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনের গল্প
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচনী হাওয়া
  13. ফিচার
  14. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চাঞ্চল্যকর ক্লু বিহীন হত্যা মামলা / ইয়াবা সেবন করে অজ্ঞাত মহিলাকে হত্যা গাজীপুর পিবিআইর হাতে গ্রেফতার 

নিউজ রুম
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৩ ১:৫৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লাখোকণ্ঠ প্রতিবেদক: ইয়াবা সেবন করে অজ্ঞাত মহিলাকে হত্যা করলো ক্লু বিহীন চাঞ্চল্যকর মামলার তিন আসামি গাজীপুর পিবিআইর হাতে গ্রেফতার।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের নামঃ গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানাধীন টেপিরবাড়ি সাকিনন্থ ইদ্রিস আলীর পানি ভর্তিডোবা থেকে অর্ধ গলিত অজ্ঞাতনামা মহিলার বহুল আলোচিত হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার করল পিবিআই গাজীপুর।

মামলার ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত আসামী ১। মোঃ মোখলেসুর রহমান (৩১), পিতা-মোঃ আবুল হোসেন, মাতা-মোছাঃ রোজিমন, সাং-টেপির বাড়ী, ইউ-তেলিহাটি, পোঃ-টেংরা, থানা-শ্রীপুর, জেলা-গাজীপুরকে ইং ০৫/০৯/২০২৩ তারিখ ভোর ৫.১০ ঘটিকায়

, আসামি ২। মোঃ খোকন মিয়া (২৭), পিতা-ওয়াজ উদ্দিন, মাতাফিরোজা খাতুন, সাং-টেপির বাড়ী, ইউ-তেলিহাটি, পোঃ-টেংরা,থানা-শ্রীপুর,জেলা-গাজীপুরকে ইং ০৫/০৯/২০২৩ তারিখ ভোর ৫.২০ ঘটিকায় এবং এবং আসামি ৩। মোঃ রাজীব মোড়ল (২৬), পিতা-মোঃ মাসুদ রানা, মাতা-দিলরুবা আক্তার, সাং-টেপিরবাড়ী, ইউঃ-তেলিহাটি, পোঃ-টেংরা, থানা-শ্রীপুর, জেলা-গাজীপুর’কে ইং ০৬/০৯/২০২৩ তারিখ রাত ৩.২০ ঘটিকা

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার টেপিরবাড়িএলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়।

এজাহারের সংক্ষিপ্ত বিবরনঃ শ্রীপুর থানাধীন টেপিরবাড়ি সাকিনন্থ জনৈক সুমন, পিতা-মৃত ইদ্রিস আলীর পানি ভর্তিডোবায় একটি অজ্ঞাতনামা মহিলার লাশ পানির উপর ভেসে রয়েছে। উক্ত অজ্ঞাত মহিলার বয়স অনুমান

(৩০) বছর। যার শরীর সম্পূর্ন পচন অবস্থায় ছিল। শরীরের কোন স্থানে আঘাতের চিহ্ন বোঝা যায় নাই। লাশের পরিহিত কাপড় দ্বারা হাত-পা বাঁধা ছিল এবং লাশের কোমরের সাথে ০৩ টি ইট বাধা ছিল।

শ্রীপুর থানাধীন তেলিহাটি ইউনিয়নের ০৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সহ স্থানীয় লোকজন ও শ্রীপুর থানায় কর্মরত নারী কং/৫২৯ সাজেদা পারভীনদের সহায়তায় লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন। গাজীপুর জেলার পিবিআই ও সিআইডি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃতদেহের ছবি সংগ্রহ করে এবং লাশটি সম্পূর্ণ পঁচনযুক্ত হওয়ায় আঙ্গুলের ছাপ নেয়া সম্ভব হয় নাই। উক্ত লাশটি স্থানীয় লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা মৃতদেহের পরিচয় সনাক্ত করতে পারেন নাই। এস.আই (নিঃ) সজীব হাসান, শ্রীপুর থানা গাজীপুর উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ শহীদ তাজ উদ্দিন আহম্মদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

 

এস.আই (নিঃ) সজীব হাসান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে উক্ত এজাহার দায়ের করলে শ্রীপুর থানার

মামলা নং-২৮, তারিখ-২৫/০৭/২০২২ ইং ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়।

মামলাটি শ্রীপুর থানা প্রায় ০২ মাসের অধিক সময় তদন্ত করেন। তদন্তাধীন অবস্থায় মামলাটির কোন তথ্য উৎঘাটিত না হওয়ায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে পরবর্তী তদন্ত সমাপ্ত করার জন্য পিবিআই গাজীপুর জেলার উপর ন্যাস্ত করেন।

অতিরিক্ত আইজিপি, পিবিআই বনজ কুমার মজুমদার বিপিএম (বার), পিপিএম এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায় পিবিআই গাজীপুর ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার, মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান বিপিএম-

সেবা এর সার্বিক সহযোগিতায় মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ জহিরুল ইসলাম তদন্ত করেন।

 

আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, প্রায় ০১ বছর পূর্বেগ্রেফতারকৃত আসামিগনসহ তাদের সহযোগি আসামিরা মিলে ঘটনার দিন সকালবেলা গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানাধীন টেপিরবাড়ী সাকিনস্থ ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী

মাদবর বাড়ীর মোড়ে চায়ের দোকানে চা খেতে যায়। চা খাওয়ার সময় গ্রেফতারকৃত আসামীরা তাদের সহযোগি আসামিদের সাথে পরিকল্পনা করে যে, রাতে ঘটনাস্থলে তারা ইয়াবা সেবন ও ১ জন মেয়ে নিয়ে এসে ফূর্তি করবে।পূর্বেও সেখানে তারা রাতের বেলা ইয়াবা সেবন করত। সেই মোতাবেক রাত প্রায় ১০.০০ ঘটিকার সময় আসামিরা ঘটনাস্থলে এসে ভিকটিমসহ ইয়াবা সেবন করে। এছাড়াও মেয়েটির সাথে তারা অনৈতিক সম্পর্কর্ করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের সাথে আসামিদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আসামিগন অজ্ঞাতনামা মেয়েটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং ঘটনাস্থলের পাশে থাকা একটি পানি ভর্তি ডোবার মধ্যে লাশটি ফেলে রেখে চলে যায়।

এ বিষয়ে পিবিআই এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান বলেন যে, এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। জেলা পুলিশ দীর্ঘদিন তদন্ত করা সত্বেও মামলাটির রহস্য উৎঘাটন করতে না পারায় মামলাটির পরবর্তী তদন্তভার পিবিআই এর উপর ন্যাস্ত হলে মামলার নথিপত্র, পারিপার্শ্বিক অবস্থা এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মামলার ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত আসামিদেরকে গ্রেফতার করলে মামলার প্রকৃত রহস্য উৎঘাটন হয় এবং উক্ত আসামিগন ঘটনার বিস্তারিত বর্ননা দিয়ে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধি প্রদান করে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা ঃ উপ-পরিদর্শক মোঃ জহিরুল ইসলাম, পিবিআই গাজীপুর জেলা।

তদন্ত তদারকি কর্মকর্তা ও পিবিআই গাজীপুর ইউনিট ইনচার্জ, পুলিশ সুপার, মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান বিপিএম-সেবা।



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।