Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি অর্থনীতি
  7. খেলাধূলা
  8. চাকরি-বাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনের গল্প
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচনী হাওয়া
  13. ফিচার
  14. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরকারের লাখ টাকা নষ্ট / সেতু আছে,আশপাশে সড়ক ও বাড়িঘর নেই  

বার্তা কক্ষ
মে ৩০, ২০২৩ ২:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাকিব হাসান ,মাদারীপুর: মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে সেতুর দরকার অথচ সেতু নেই কিন্তু এর উল্টো ঘটনা ঘটেছে মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের মধ্যরচক গ্রামে। আশপাশে সড়ক নেই, বাড়িঘরও নেই সরকারের লাখ টাকা খরচ নির্মাণ করা হয়েছে সেতু। এতে ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয়দের মাঝে। স্থানীয়দের দাবী উপজেলা প্রকৌশলীর স্থান নির্বাচনে ভুলের কারনেই সরকারের লাখ লাখ টাকার সেতু জনগনের কাজে আসছে না।
সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের মধ্যচর গ্রামের একটি খালের উপর ২২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে একটি সেতু। অথচ আশপাশে নেই বাড়িঘর রাস্তা ঘাট। অথচ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এ নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সেতু এলাকার বাসিন্দারা। তারা বলছেন, অযথাই সরকারি অর্থের এমন অপচয় করা হয়েছে। মানুষেরই যদি কাজে না লাগে তাহলে এসব সেতু নির্মাণ করা হলো কেন। তবে অনুসন্ধানে জানাগেছে, সেতুর ওপারেই প্রভাবশালী এক ঠিকাদার গরুর ফার্ম করবেন তাই আগেভাগেই সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। তবে সেতু কাজে আসবে না গ্রামবাসীর।
 নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসী জানান, খালের ওপারে প্রভাবশালী এক ঠিকাদার অনেক জমি কিনেছেন। ওখানে নাকি গরুর ফার্ম করবেন। তাই আগেভাগেই সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।
 সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, সেতু নির্মাণের আগে উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে স্থান নির্বাচন ও সেতুর প্রয়োনীয়তা সম্পর্কিত তথ্যসহ সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়। এরপর অনুমোদন হলে টেন্ডার আহবান করা হয়। এরপর নির্মিত হয় সেতু।
মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) অর্থায়নে এই সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।যার ব্যয় ধরা হয়েছে ২২ লক্ষ টাকা। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আব্দুল্লাহ ট্রেডার্স কাজ সম্পন্ন করেছেন।  ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আব্দুল্লাহ ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী আকতার হোসেন বাবুল বলেন,‘আমি টেন্ডারে কাজ পেয়ে কাজ করেছি। স্থান নির্বাচন করে আমাকে সাইড বুঝিয়ে দিয়েছে ইঞ্জিনিয়ার। আমার দায় কাজের গুনগত মান নিয়ে। এই সেতু দিয়ে লোক চলাচল না করার দায়ভার আমার নয়। খোয়াজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দবির মালত বলেন, আমাদের এলাকায় অনেক স্থানেই সেতু দরকার কিন্তু সেতু নেই। একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে সেখানে বাড়িঘর নাই রাস্তাঘাটও নাই। সেতু নির্মাণ হবে সেটাও আমরা জানি না।
 একই রকম বক্তব্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল মোল্লার। তিনি জানান, আমার ইউনিয়নের অনেক স্থানেই সেতু দরকার অথচ সেতু হচ্ছে না। অথচ যেখানে দরকার নেই সেখানে সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। ওখানে সেতু নির্মাণরে বিষয়টি আমরা জানিও না।
 এব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকতার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। এব্যাপারে মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মাইনুদ্দিন বলেন,‘ সরকারের অর্থ কাজে আসবে না এমন কোন স্থানে সেতু নির্মাণ করার কথা নয়। সেতু নির্মানের আগে স্থান নির্বাচন করা হয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে বলেও জানান তিনি



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।