Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি অর্থনীতি
  6. খেলাধূলা
  7. চাকরি-বাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবনের গল্প
  10. ধর্ম
  11. নির্বাচনী হাওয়া
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আকাশ এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ

নিউজ রুম
নভেম্বর ২৭, ২০২৩ ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইমরুল হাসান, ঢাকাঃ রাজধানীর আসকোনায় বহুতল ভবন নির্মাণে আকাশ এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপার কোম্পানির অভিনব প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, আকাশ এন্টারপ্রাইজ কোম্পানির বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ করেছে জমির মালিকগণ।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় ২০১৯ সালের ১৫ অক্টোবর, রাজধানীর দক্ষিণখানের আসকোনায় কয়েকজনের যৌথ মালিকানায় নিজেদের বসবাসের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আকাশ এন্টারপ্রাইজের মালিক সেকান্দার আলীর সাথে একুশে টাওয়ার নামে এই এ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণের একটি নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তি স্বাক্ষর হয়। যেখানে কাজের পরিধি, নির্মাণ কাজের খরচ, টাকা পয়সা লেনদেন সহ ২বছর ৬ মাসের মধ্যে নির্মান কাজ শেষ করে দেওয়ার চুক্তিনামা হয়। আর বাড়তি সময় ব্যয় হলে মালিকপক্ষকে বাসা ভাড়া পরিশোধ করবে ঠিকাদার কোম্পানি। যা লেখা আছে চুক্তি নামায়।

তবে কাজের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে দীর্ঘ ১৮মাস আগেই। বেশ কিছু দিন ধরেই বন্ধ রয়েছে কাজ। দুই পক্ষের বিবাদ গড়িয়েছে থানা পর্যন্ত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জমির মালিকগণ জানান, যখন আমরা চুক্তি করি, চুক্তির সময়ই ঠিকাদার আমাদের সাথে বিল্ডিং এর পেমেন্ট সিডিউলে প্রতারণা করেছে, যা পরবর্তীতে কারেকশন করা হয়েছে। কাজ শুরু করার পর আমাদের ১০৫ ফিট পাইল করার জায়গায় ৮০ফিট পাইল করেছে। এ বিষয়ে মালিকপক্ষ ঠিকাদারকে জানালে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং যে সমস্ত পাইল ১০৫ ফিটের স্থলে ৮০ ফিট করা হয়েছে তা কনসালটেন্সি ফার্মের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিল্ডিংকে রিস্ক মুক্ত করতে অতিরিক্ত ব্যয় বহন সহ ক্ষতিপূরনের কথা দেন।

ঘটনার রেশ না কাটতেই মালিকপক্ষ সনাক্ত করেন, ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের সিমেন্ট ব্যবহার সহ নির্মাণ কাজে নানাবিধ অনিয়ম করছে। চুক্তিপত্রে কাজ তদারকির জন্য একজন বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার, একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার, একজন ফোরম্যান সহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্টাফ সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকার কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে তার কিছুই ছিল না। ফলে কাজ তদারকির জন্য মালিকগণ তাদের নিজস্ব ব্যয়ে একজন ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দেন। প্রায়শই নির্মাণ কাজে ভুল ত্রুটি এবং অবহেলার জন্য ঠিকাদারকে শোকজ করা হলে বারবারই মালিকপক্ষের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, কাজের অগ্রগতির স্বার্থে ক্ষমাও করা হয়। কিন্তু তার এই প্রতারণা চরম পর্যায়ে গেলে একান্ত নিরুপায় হয়ে মালিকগণ নিজেরাই কাজ করতে চান। এতেই বাঁধে বিপত্তি। মালিকপক্ষকে ভয় ভীতি ও হুমকি-ধমকি দিতে শুরু করে ডেভলপার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

ঘটনাস্থলে এ বিষয়ে জানতে গেলে সাংবাদিকদের সাথেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে সেখানে উপস্থিত কর্তব্যরত ডেভলপার কম্পানির লোকজন।

এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক সেকান্দর আলীর দাবী, ভবন মালিকরা ঠিকমত টাকা পরিশোধ করেনি। তাই বাধ্য হয়েই কাজ বন্ধ করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, তাদের বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে সুরাহা করতে হবে। অন্যথায়, আদালতের দারস্থ হতে হবে। জমির বিরোধ সংক্রান্ত বিষয়ে ফয়সালা দেওয়ার এখতিয়ার থানার নেই ।



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।