Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ১৩ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি অর্থনীতি
  6. খেলাধূলা
  7. চাকরি-বাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবনের গল্প
  10. ধর্ম
  11. নির্বাচনী হাওয়া
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চট্টগ্রাম-১১ আসন / লতিফ-সুমন মুখোমুখি বন্দর পতেঙ্গায়: মেয়রের বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ

নিউজ রুম
ডিসেম্বর ৬, ২০২৩ ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আবছার উদ্দিন অলি, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মহানগরের ডবলমুরিং (আংশিক), সদরঘাট, বন্দর, ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানা নিয়ে গঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী এম.এ লতিফ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৩৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউল হক সুমন মুখোমুখী অবস্থানে রয়েছেন ভোটের মাঠে।

এই আসনে মূলত দু’মুখী লড়াই হবে। জিয়াউল হক সুমন স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও তিনিও আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। দলীয় নেতা কর্মীদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার বাধা না থাকায় জিয়াউল হক সুমন নির্বাচনের মাঠে এখনও রয়েছেন। সেই সাথে জিয়াউল হক সুমন এর মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন উপস্থিত থেকে সুমনকে ভোটের মাঠে একধাপ এগিয়ে দিয়েছেন। পুরো মহানগর আওয়ামী লীগ এখন সুমন এর পক্ষে ভোটের মাঠে কাজ করছে। অন্যদিকে মহানগর আওয়ামীলীগ সুমনের পক্ষে মাঠে থাকায় এম.এ লতিফ নানা রকম মন্তব্য করে যাচ্ছেন।

এম.এ লতিফ বলেন, যারা নৌকায় কুড়াল মারার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তারা ফ্রিডম পার্টির লোক। পক্ষে বিপক্ষে আলোচনা সমালোচনার রেশ কাটতে না কাটতে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী এম.এ লতিফ এর পক্ষে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হয়ে সুমনের পক্ষে যারা কাজ করছেন, তাদেরকে ছিন্নমূল বলেছেন।

দুই পক্ষের এমন কড়া আলোচনা সমালোচনায় রাজনীতির মাঠ এখন গরম হয়ে উঠেছে। সৈয়দ আনোয়ারুল করিম নামে এক ভোটারের আবেদনের প্রেক্ষিতে মেয়রের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। এজন্য মেয়রকে তলব করে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। গত ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-১১ সংসদীয় এলাকার ৩৭নং ওয়ার্ডের মুন্সীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এম.এ লতিফ এর পক্ষে মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী নির্বাচনী প্রচারণার জন্য যান। সরকারি সুযোগ সুবিধা ও পুলিশ প্রটোকল নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করার কারণে মেয়র আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়।

ছোট বড় সব দলের প্রার্থী থাকলেও এই আসনে মূলত এম.এ লতিফ ও জিয়াউল হক সুমন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছেন। ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে তত রাজনীতির মাঠে উত্তাপ ছড়াচ্ছে এই দুই প্রার্থী। চট্টগ্রাম বন্দর এই আসনটি হওয়ায় চট্টগ্রাম-১১ আসনটির দিকে দৃষ্টি এখন সবার। তিন বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এম.এ লতিফকে এবার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন জিয়াউল হক সুমন। এই আসনটিতে মনোনয়ন চেয়েছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন ও সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম. নাছির উদ্দিন।

এই আসনের ভোটার আজগর আলী বলেন, দুই পক্ষের টানাটানিতে তৃতীয় পক্ষ সুযোগ নিচ্ছে কিনা সেটিও এখন দেখার বিষয়। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি এই আসনে কোনো প্রার্থী না দেয়ায় ভোট ব্যাংক সুমনের দিকে যাবে বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। তবে বিজয় দিবসের পর বুঝা যাবে এই আসনের ভোটের রাজনীতি শেষে কোনদিকে যাচ্ছে?

এই আসনের অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন, জসিম উদ্দিন (জাসদ), আবুল বশর মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), মোঃ মহিউদ্দিন (বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি), দীপক কুমার পালিত (তৃণমুল বিএনপি), নারায়ন রক্ষিত (এনপিপি), উজ্জ্বল ভৌমিক (গণফোরাম)।



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।