Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি অর্থনীতি
  7. খেলাধূলা
  8. চাকরি-বাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনের গল্প
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচনী হাওয়া
  13. ফিচার
  14. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করলে বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের খেসারত দিতে হবে: হানিফ

নিউজ রুম
ডিসেম্বর ১৮, ২০২৩ ৯:১৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সামরুজ্জামান (সামুন), কুষ্টিয়া: আন্দোলনের নামে বিএনপি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করলে তাদের দলীয় নেতা কর্মীদের খেসারত দিতে হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি।

তিনি বলেন, কোনো জ্বালাও-পোড়াও করে নির্বাচন বানচাল করা যাবে না। ২০১৩-১৪ সালে বিএনপি আন্দোলনের নামে যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছিল তার খেসারত দিতে হয়েছে। বিগত দিনের মতো এবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করলে তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের খেসারত দিতে হবে।

১৮ ডিসেম্বর, সোমবার সকালে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমিতে রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনের নামে সরকার নাটক মঞ্চস্থ করতে যাচ্ছে বিএনপির এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, ভ্রান্ত রাজনীতির কারণে এখন তারা দিশেহারা। দিশেহারা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কী বলে না বলে সেটি আমলে নেয়ার কিছু নেই। নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন। বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিয়ে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ ইশতেহারে ঘোষণা করেছিল রাষ্ট্রক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশ হবে ডিজিটাল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হয়েছে। আমরা এখন স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। স্মার্ট বাংলাদেশের প্রথম শর্ত প্রথম স্মার্ট নাগরিক সিটিজেন তৈরি করা। স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট সরকার ও স্মার্ট সোসাইটি গড়ে তুলতে হবে। সবগুলো যখন করা সম্ভব হবে তখনই স্মার্ট বাংলাদেশ হবে।

হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন বলে আজকে আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। আমাদের দেশে অনেক রাষ্ট্রনায়ক দেশ পরিচালনা করেছেন। এরশাদ, জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন। কিন্তু দেশকে এগিয়ে নেয়ার তাদের ভিশন ছিল না। নেতৃত্বের ভিশন তাদের দক্ষতা, প্রজ্ঞা ছিল না। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার মধ্যে পিতার মতো একটা ভিশন ছিল যার জন্য বাংলাদেশ আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

দেশের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে ১০০টি অথনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা হচ্ছে। এর প্রত্যেকটাতে প্রায় ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ১০০টিতে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে। একেকটা অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকে ১ থেকে ২ বিলিয়ন রফতানি হয় তাহলে সবমিলিয়ে ২০০ বিলিয়ন ডলার রফাতানির সুযোগ তৈরি হবে। ভিশন না থাকলে এসব বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি যথারীতি নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়েই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আবারও সরকার গঠন করে দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সদস্য ব্যারিস্টার গৌরব চাকী, শিক্ষক মোহম্মদ হাসান জাহাঙ্গীর, শিক্ষক পরিতোষ কুমার দাস, ফারজানা আক্তার ও শাহাবুদ্দিন শেখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইমতিয়াজ সুলতান।



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।