Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
১৮ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি অর্থনীতি
  6. খেলাধূলা
  7. চাকরি-বাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবনের গল্প
  10. ধর্ম
  11. নির্বাচনী হাওয়া
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খুলনার পুলিশ কমিশনার মানবিক গুণাবলীর জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন

নিউজ রুম
এপ্রিল ৮, ২০২৪ ১:৩৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দিলীপ বর্মণ, খুলনা : ১৯৯৪ সালে ভেটোনারি সার্জন হিসেবে চাকুরী জীবন শুরু করেন, ১৫তম বিসিএসে পুলিশের এএসপি পদে যোগ না দিয়ে ভেটোনারি সার্জন থেকে যান, ১৮তম বিসিএসে আবারও এএসপি হওয়ার সুয়োগ আসে, ২০০১ সালে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পঞ্চগড়ে যোগ দেন, ২০০৭ সালে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে ইউএস পিস কিপিং মেডেল লাভ করেন, ২০১২ সালে পুলিশ সুপার হিসেবে কিডনি পাচার চক্রের হোতাদের গ্রেফতার করে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পিপিএম পান, ২০১৬ সালে জঙ্গিবাদ দমন করে অর্জন করেন পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বিপিএম।

২০১৯ সালে র‌্যাব ফোর্সে প্রথম হয়ে র‌্যাব অ্যওয়ার্ড পান। তিনি হচ্ছেন খুলনার বিনয়ী, সদালাপী, মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন পুলিশ কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক বিপিএম (বার) পিপিএম সেবা। পাবনার চাটমোহর থানার শাহাপুর গ্রামের এক সম্ভ্রন্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম। আপন দক্ষতা ও প্রজ্ঞায় তিনি দেশের অপরাধ দমনে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করে চলেছেন। মাত্র এক বছরের কম সময়ে পাল্টে দিয়েছেন খুলনার অপরাধ জগতের চিত্র। উদঘাটন করেছেন অনেক অজনা তথ্য। এই প্রতিবেদনে থাকছে সেইসব ঘটনাবলীর সংক্ষিপ্ত গল্প।

২০২৩ সালের ৩০ জুলাই মোঃ মোজাম্মেল হক পুলিশ কমিশনার হিসেবে খুলনায় যোগদানের পর বেশকিছু আলোচিত কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১ ওয়ার্ড, ৮ থানা (খুলনা থানা, লবনচোরা থানা, সোনাডাঙ্গা মডেল থানা, হরিণটানা থানা, খালিশপুর থানা, দৌলতপুর থানা, আড়ংঘাটা থানা ও খানজাহান আলী থানা) ও ৬টি ইউনিয়ন (আটরা গিলেতলা, যোগীপোল, আড়ংঘাটা, জলমা, রংপুর ও গুটুদিয়া) নিয়ে মহানগর পুলিশের সীমানা প্রায় ১২৭ বর্গ কিলোমিটার। তারমধ্যে খুলনায় কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ, মানসিক ভারসাম্যহীন শিশু কন্যা রুবাইয়াকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর, প্রতিবন্ধী ভ্যানচালক মিজানুর রহমানের চুরি হওয়া ভ্যান উদ্ধার ও তাকে নতুন ভ্যান প্রদান, লবনচোরা থানার অভিযানে মানবপাচার চক্রের সদস্য গ্রেফতার ও ভিকটিম উদ্ধার, খুলনার নিরালায় ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের চেইন প্রযুক্তির সহায়তায় মোটর সাইকেলের নম্বর সনাক্ত করে পিরোজপুর জেলার স্বর্ণপট্রি বাজর থেকে উদ্ধার, জঙ্গি দমনসহ অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যেদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করার মতো মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন কেএমপি কমিশনার। আর এসব কার্যক্রম সফল করতে তিনি চালু করেছেন হ্যালো কেএমপি অ্যাপস এবং কেএমপির ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টার। অপরাধ দমনে শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসারদের পুরস্কৃত করে পুলিশী সেবাকে মানব সেবায় পরিণত করেছেন খুলনার পুলিশ কমিশনার।

খুলনায় কিশোর গ্যাং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় কেএমপি : সারা দেশে কিশোর গ্যাং মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। সেখানে খুলনার কিশোর অপরাধ নীতিতে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে কেএমপি। সূত্রমতে কেএমপি ২০২৩ সালের ১লা আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত মোট ৬৭ জন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আটক করেছে। ২১টি মামলায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আলোচনা ও মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় অনেক অপরাধীদের সংশোধনের সুয়োগ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, আমি খুলনাতে কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আমি যোগদানের পর থেকে খুলনায় প্রায় দুই শতাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি নাগরিক ও অভিভাবকদের সন্তানদের প্রতি লক্ষ্য রাখার নির্দেশ দেন।

মানসিক ভারসাম্যহীন শিশু কন্যা রুবাইয়াকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর : ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট কেএমপির ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে মানসিক ভারসাম্যহীন ১১ বছরের শিশু কন্যা রুবাইয়াকে ঝিনাইদহে তার পরিবারের কাছে তুলে দেয়া হয়। সে নিজের নাম ছাড়া আর কিছুই বলে নি। নগরীর সোনাডাঙ্গা বাসষ্ট্যান্ড থেকে এই কন্যা শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তারপর তাকে কেএমপির ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে হস্তান্তর করা হয়। সেখানে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে শিশু কন্যার বাবার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় জিডি মূলে ভিকটিমকে তার বাবার জিম্মায় প্রদান করা হয়।

প্রতিবন্ধী ভ্যানচালক মিজানুর রহমানের চুরি হওয়া ভ্যান উদ্ধার ও তাকে নতুন ভ্যান প্রদানঃ শারীরিক প্রতিবন্ধী মিজানুর রহমান পঙ্গুত্যের কাছে হার না মেনে এক হাতে ভ্যান চালিয়ে ৫ জনের সংসার চালাতেন। জীবন যুদ্ধে হার না মানা মানুষটির আয়ের একমাত্র অবলম্বন ছিলো তার ইঞ্জিন চালিত ভ্যান।

গত ২৯ মার্চ কতিপয় দুষ্কৃতকারীরা মিজানুর রহমানের ঘরে ঢুকে প্রতিবন্ধী ভাতার ৭ হাজার টাকা ও তার উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন ভ্যানটি জোরপূর্বক নিয়ে যায়। সে ৮ মাস আগে আশা ক্ষদ্র্রঋণ প্রদানকারী এনজিও থেকে ২৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পায়ে চালিত ভ্যানটি মোটর চালিত ভ্যানে রূপান্তর করে। মিজানুর রহমানের অভিযোগের প্রেক্ষিতে খানজাহান আলী থানা পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত ২ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের পর ১লা এপ্রিল ২০২৪ তারিখ রাত্রে ভ্যানটি চিংড়ীখালী বাজারের পাশে নানা বাড়ী মোড় সংলগ্ন শাহাবুদ্দিনের মাছের হ্যাচারির পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি খানজাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জ কেএমপি পুলিশ কমিশনারকে জানালে তিনি মোঃ মিজানুর রহমানকে প্রাথমিক সহায়তা প্রদান করার জন্য নির্দেশনা দেন। তখন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে মোঃ মিজানুর রহমানকে নতুন ভ্যান উপহার দেয়া হয় এবং পুরানো ভ্যানটিও তাকে দেওয়া হয়। উপহার গ্রহণকালে মিন্টুর স্ত্রী শিউলী বেগমের চোখ কৃতজ্ঞতায় ভিজে যায়।

খুলনার নিরালায় ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের চেইন পিরোজপুর জেলার স্বর্ণপট্রি বাজর থেকে উদ্ধারঃ গত ২৭ মার্চ ২০২৪ নগরীর নিরালা এলাকায় দুপুরবেলা তপতী বিশ^াসের স্বর্ণের চেইন ছিনতাই হয়। তপতী বিশ্বাসের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ময়ূর ব্রিজের পশ্চিম পাশে খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের রাস্তা থেকে অপরাধীদের গ্রেফতার করে। ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে প্রযুক্তির সহায়তায় ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত মোটর সাইকেলের নম্বর সনাক্ত করে স্বর্ণের চেইন পিরোজপুর জেলার স্বর্ণপট্রি বাজর থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে খুলনা সদর থানা থেকে তপতী বিশ্বা চেইন ফেরত দেওয়া হয়। তপতী বিশ্বাস জানিয়েছেন, আমি কখনও আশা করিনি এই চেইন ফেরৎ পাবো। তিনি খুলনার আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কমিশনারের আন্তরিকতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। লবণচরা থানার অভিযানে

মানবপাচার চক্রের ৬ সদস্যগ্রেফতার ২ ভিকটিম উদ্ধার : খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরবাসীর সেবায় সন্ত্রাসী, নাশকতাকারী, জঙ্গী, মানব পাচার চক্রের মূলহোতা, মাদক ব্যবসায়ীসহ সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের গ্রেফতারে সাঁড়াশী অভিযান অব্যাহত রেখেছে। সেই লক্ষ্যে ২০২৪ সালের ৬ মার্চ লবণচরা থানা পুলিশ মানব পাচার চক্রের মূলহোতাসহ ৬ জন আসামীকে গ্রেফতার করে ও ২ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের হ্যালো কেএমপি অ্যাপসের ইনবক্সে নাম প্রকাশে অনিচছুক এক ব্যক্তি জানান, মানব পাচার চক্রে জড়িত কতিপয় ব্যক্তি দুই জন ভিকটিমকে পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানা এলাকার মোহাম্মদ নগরের রাজা সাহেবের রাইচ মিল সংলগ্ন আদিলুজ্জামান সড়কের দ্বিতীয় লেনে শেখ মিজানুর রহমানের বাড়ির নিচ তলায় আটকে রেখে পতিতাবৃত্তি করাচ্ছে। তখন সহকারি পুলিশ কমিশনার গোপীনাথ কানজিলালের নেতৃত্বে লবণচরা থানা পুলিশের একটি টিম মানব পাচারকারী চক্রের সাথে জড়িত মিল্টন মন্ডল (৪০), মোঃ সাইফুল ইসলাম (২১), মোঃ হিমেল (২১), খাদিজা বেগম (২২), রত্মা আক্তার (২০) ও রাবেয়া বেগমকে (২০) গ্রেফতার করে এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই জন তরুণীকে উদ্ধার করে। যাদের ১ জনের বয়স ১৪ বছর এবং আরেক জনের বয়স ১৫ বছর।

পরবর্তীতে জানা যায়, তারা ভিকটিমদের এভাবে ফাঁদে ফেলে দীর্ঘকাল যাবৎ পতিতাবৃত্তি করাচ্ছে এবং ভারতের কলকাতা, গুজরাট, মহারাষ্ট্র ও সুরাটসহ বিভিন্ন প্রদেশে বিক্রি করে অর্থ-সংস্থান করে। নগরীর খানজাহান নগর এলাকা হতে

উগ্রবাদী বই, লিফলেট ও জঙ্গী সংশ্লিষ্ট ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধারঃ কেএমপির গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে নগরীর হরিণটানা থানার খানজাহান নগর এলাকা হতে বিপুল পরিমান উগ্রবাদী বই, লিফলেট ও জঙ্গী সংশ্লিষ্ট ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত হিযবুত তাহরীর খুলনা অঞ্চলের প্রধানসহ সক্রিয় ৪ জন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।

কয়েক মাস ধরে খুলনা মহানগর পুলিশ জঙ্গি দমনে ব্যাপক অভিযান অব্যাহত রেখেছে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম নগরীর হরিণটানা থানার খানজাহান নগর এলাকা হতে মোঃ আনিসুর রহমান রুহুল আমিন রকি (৩৬), মোঃ শাকিল আহম্মেদ (২৬), মোঃ রিজভী আজিম খান (২৭), মেহেদী হোসেন সালিতকে ৪টি ল্যাপটপ, ৬টি মোবাইল ফোন, ২টি পেনড্রাইভ, ১টি এটিএম কার্ড এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিজবুত তাহরীর উগ্রবাদী বই, লিফলেট ও জঙ্গি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ গ্রেফতার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে এবং উদ্ধারকৃত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও ডকুমেন্ট পর্যালোচনায় জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ খুলনা অঞ্চলে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিজবুত তহারীর নীতি আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছিল, মূলত তারা প্রচলিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও সংবিধান মানে না। তারা বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষর্থী, কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং সমাজের মেধাবী মানুষদের উগ্রবাদী আদর্শে প্রভাবিত করে জঙ্গি কার্যক্রমের মাধ্যমে রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে দিয়ে শতাভাগ ধর্ম ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করতে চায়। পর্যাপ্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন এর সাথে তাদের সস্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়ায় তাদেরকে আটক করা হয়। এছাড়া খুলনার পুলিশ কমিশনার অপরাধ দমনে অবদান রাখার জন্য একজন করে শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসারকে পুরস্কার প্রদান করেন। তিনি অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যেদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। সবমিলে নানাবিধ মানবিক ও সামাজিক গুণাবলীর জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন খুলনার পুলিশ কমিশনার।

 

 

 



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।