Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি অর্থনীতি
  7. খেলাধূলা
  8. চাকরি-বাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনের গল্প
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচনী হাওয়া
  13. ফিচার
  14. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়া কী সম্ভব?

বার্তা কক্ষ
সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৩ ২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

লাখোকন্ঠ অনলাইন ডেস্ক : প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ভূমিকম্প সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী। ঝড়, বৃষ্টি ও বন্যার পূর্বাভাস আগে থেকে দেওয়া গেলেও ভূমিকম্পের ব্যাপারে এমনটা করা সম্ভব নয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, তারা কিংবা অন্য কোনো বিজ্ঞানী কখনই বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দিতে পারেনি। এটা জানা সম্ভবও নয়। বরং ইউএসজিএস’র বিজ্ঞানীরা কেবল একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বছরের মধ্যে কোনো একটি নির্দিষ্ট এলাকায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্প ঘটবে কিনা, সেটির সম্ভাব্যতা গণনা করতে পারে।

 

‍ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়ার সঙ্গে তিনটি বিষয় জড়িত। অর্থাৎ কবে ও কখন ভূমিকম্প হবে, কোথায় হবে এবং কত মাত্রার ভূমিকম্প হবে? কেউ যদি এগুলো সঠিকভাবে বলতে পারেন, তবেই সেটি ভূমিকম্পের পূর্বাভাস হিসেবে গণ্য হবে।

কিছু মানুষ দাবি করেন, তারা ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দিতে পারেন। কিন্তু তাদের এমন দাবি পুরোপুরি মিথ্যা। কেননা তাদের দাবির কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। ভূমিকম্প হচ্ছে একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার অংশ। যেমন, ভূমিকম্পের সঙ্গে আকাশের মেঘ, শরীর ব্যথা বা স্লাগের কোনো সম্পর্ক নেই। কেননা এসব জিনিস ভূমিকম্পের পূর্বাভাসের তিনটি বিষয় সম্পর্কে ধারণা দিতে সমর্থ নয়।

বরং কেউ যদি এসব বিষয়ের সাহায্যে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেয়, তাহলে সেটা হতে পারে- আগামী ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কোথাও ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হবে। অথবা এমন হতে পারে যে, আজই যুক্তরাষ্ট্রে ২ মাত্রার ভূমিকম্প হবে। আর যদি কোনোভাবে তাদের পূর্বাভাস ফলে যায়, তাহলে দাবি করে, তারা যা বলেছে, সত্য হয়েছে।

অবৈজ্ঞানিক পন্থায় করা পূর্বাভাসগুলো সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দাবি করা হয়, অদূর ভবিষ্যতে ভূমিকম্প হবে। সেক্ষেত্রে দাবি করা হয়, মাঝারি বা বড় মাত্রার ভূমিকম্পের আগে ছোট ছোট কম্পন হবে, স্থানীয় পানির মধ্যে রেডনের পরিমাণ বেড়ে যাবে, প্রাণিদের মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যাবে আর কম্পনের মাত্রা বাড়তে থাকবে, যেগুলো ভূমিকম্প পূববর্তী কম্পন হতে পারে।

 

দুভার্গ্যজনক হলেও সত্য যে, ভূমিকম্প ছাড়াও এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। তাই এসব লক্ষণ দেখে ভূমিকম্পের পূর্বাভাস সত্যিকারভাবে দেওয়া সম্ভব না। বরং ভূমিকম্পের আগাম সতর্কতা, ভূমিকম্পের পূর্বাভাস, ভূমিকম্পের সম্ভাব্যতা এবং ভূমিকম্পের পূর্বাভাসের মধ্যে পার্থক্য কী? এসব সম্ভাব্য বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে বৈজ্ঞানিক পন্থায় পূর্বাভাস দেওয়া যেতে পারে।

কয়েক দশক আগে চীনে ছোট ছোট ভূমিকম্প এবং প্রাণিদের অস্বাভাবিক আচরণ দেখে একটি ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। সে অনুযায়ী, অনেকেই বাড়ির বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নেয় এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়। কিন্তু বড় মাত্রার ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে এ ধরনের সিসমিক অ্যাক্টিভিটি খুব একটা অনুসরণ করা হয় না। আর বেশির ভাগ ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে কোনো প্রিকারসর বা অগ্রিম ঘটনা পরম্পরা থাকে না। তাই পরের দফায় হঠাৎ করেই কোনো প্রিকারসার না থাকায় চীনে কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

 

এজন্য ইউএসজিএস স্বল্প মেয়াদে পূর্বাভাস দেওয়ার পরিবর্তে ভূমিকম্পের দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে অবকাঠামোগত উন্নত করার ব্যাপারে সহায়তা করে থাকে। যাতে করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হয়।



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।