Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি অর্থনীতি
  6. খেলাধূলা
  7. চাকরি-বাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবনের গল্প
  10. ধর্ম
  11. নির্বাচনী হাওয়া
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদারের নীবিড় তদারকিতে / সেবার মান বাড়িয়ে গ্রাহকের নজর কেড়েছে বিআরটিএ

নিউজ রুম
অক্টোবর ১৭, ২০২৩ ৮:২০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লাখোকণ্ঠ বিশেষ প্রতিবেদক:
চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদারের নীবিড় তদারকিতে, সেবার মান বাড়িয়ে গ্রাহকের নজর কেড়েছে বিআরটিএ। স্বস্তির হাওয়া বইতে শুরু করেছে বিআরটিএ’র দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা শাখা ও আঞ্চলিক ও অফিস প্রাঙ্গনে। সেবা দিতেও যেন স্বস্তি বোধ করছেন কর্মকর্তারা। ডাকে পৌঁছে যাচ্ছে লাইসেন্স এই সেবা । আবেদন গ্রহিতারা বাড়িতে বসে ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ডাকে পেয়ে যাচ্ছে।

আগের মত নেই আর অফিস প্রাঙ্গনে ভিড়াভিড়ি, ঘোরাঘুরি। পরীক্ষায় বসতে নেই কোন বাড়তি ঝামেলা। একসময় পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরও বছরের পর বছর লাগতো আঙ্গুলের ছাপ দিতে। এখন সময় পাল্টে যাওয়া হওয়ার কারণে পরীক্ষার দিন প্রথমেই আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে (বায়োমেট্রিক) সম্পূর্ণ করে পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে। এতে করে সময়ের সাথে সাথে ঝামেলা নেই বললেই চলে। পরীক্ষায় সম্পূর্ণ হওয়ার পরে সকল কাগজপত্র বৈধতা পেলে ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে লাইসেন্স বাড়িতে বসেই পাচ্ছে আবেদনকারীরা। এতে খুশি আবেদনকারীরা। বিআরটিএ অফিস এ নেই আগের মত কোন বাড়তি ঝামেলা। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী সেবা পেয়ে কর্মকর্তাদের প্রতি স্বস্তি প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, সকল সেবা অনলাইনে ই-সেবার মাধ্যমে হচ্ছে। সারাদেশের বি আরটিএ অফিস এখন অনেকটা  দালাল ও হয়রানি মুক্ত। ফিটনেসবিহীন মোটরযান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সেবা ধরে রাখতে সকল প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মিরপুর, গাজীপুর,খুলনাসহ বিভিন্ন শাখা অফিস ঘুরে দেখা য়ায় অবৈধ দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান আগের চেয়ে সক্রিয়। এতে করে আগের মত আর সেবা দিতে বিচ্ছিন্ন ঘটনা দেখা দিচ্ছে না। সেবা পেতেও আর ভোগান্তি হচ্ছে না আবেদনকারীদের।

বিআরটিএ‘ র চেয়ারম্যান পিএস আব্দুর রাজ্জাক বলেন, লাইসেন্স সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা হলে সরাসরি অফিসে কথা বলার ব্যবস্থা রয়েছে। আন্তরিকতার সাথে সেবা গ্রাহকের কথা শুনে তড়িৎ সমাধানের জন্য চেয়ারম্যান মহোদয়ের কড়া নির্দেশ রয়েছে,সে অনুযায়ী সেবা প্রার্থীরা সেবাও পেয়ে থাকেন।

গাজীপুর এলাকার লাইসেন্স গ্রহীতা আব্দুল কালাম বলেন,কখনো ভাবতে পারিনি এত অল্প সময়ের মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাড়িতেই পাব। আবেদনের ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে আমি বাড়িতে বসেই ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়েছি। আমার কোন ভোগান্তি হয়নি। বিআরটিএর কর্মকর্তারা আমাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। তাদের এই ডিজিটাল সেবার উদ্যোগের জন্য আমি সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি। বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদের মজুমদার বলেন  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায়, সড়ক যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের,ও সচিব এবিএমআমিন উল্লাহ নূরীর সার্বিক সহযোগীতায় ও সঠিক দিক নির্দেশনায় বিভিন্ন সেবা কার্যক্রমে গতিশীলতা এসেছে। তিনি আরো বলেন দেশের সর্বস্তরের মানুষ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মোটর যান মালিক, বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়ন এবং পেশাজীবী মানুষসহ বিআরটিএর অংশীজনের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শে বিআরটিএ সেবা কার্যক্রম পরিচালনা হয়ে থাকে। বিশেষ করে করোনা কালীন সময়ে বিএরটিএ’র কার্যক্রম ছিল চোখে পড়ার মত। বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্যাক্স শনাক্তকরণ নম্বর সনদ আপডেটসহ অন্যান্য কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করেছেন।

সরকারের রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা এসেছে কয়েকগুণ। এছাড়াও বিভিন্ন সময় দেশের বিভিন্ন রোডে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারী গণপরিবহণের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদের মজুমদার বলেন বিআরটিএর কাছ থেকে সাধারণ মানুষকে ৫৩ ধরনের সেবা নিতে হয়।

১৭ অক্টোবর রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ’র প্রধান কার্যালয়ে নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে। চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, সড়ক নিরাপদ করতে হলে সবার সচেতনতা দরকার এতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সচেতন না হলে নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়ন আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে।
তিনি বলেন, আমাদের এনফোর্সমেন্ট দুর্বলতা আছে। কারণ বিআরটিএ’র পর্যাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট নেই। তাহলে কীভাবে আমরা এনফোর্সমেন্ট নিশ্চিত করব। শুধু রাজধানী ঢাকার যানবাহন নিয়ন্ত্রণের জন্য অন্তত ১০০ জন ম্যাজিস্ট্রেট দরকার। কিন্তু আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট আছে ৫-৬ জন। এমন প্রেক্ষাপটে সামজিক আন্দোলন গড়ে না তুললে সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন।

বিআরটিএ’র হিসাব অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে সারা দেশে নতুন করে মোটরযানের নিবন্ধন হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার। চালকের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে ৭ লাখ ৮৪ হাজার। ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার যানবাহনের। ২ লাখ ৫ হাজার যানবাহন চলাচলের অনুমতি (রুট পারমিট) দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে বিআরটিএ গত অর্থবছরে বিভিন্ন কর ও ফি বাবদ মানুষের কাছ থেকে ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি আদায় করেছে।

নগদ ও সিএনএস লিমিটেডের চুক্তির ফলে এখন থেকে মোটরযান নিবন্ধন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিটসহ বিআরটিএর যেকোনো সেবার ফি নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে। ফি পরিশোধে গ্রাহকদের আর সশরীরে ব্যাংক অথবা বিআরটিএর নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হতে হবে না। নগদের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ফি পরিশোধ করার সঙ্গে সঙ্গে নগদ পেমেন্ট সিস্টেমেই চলে আসবে ই-রিসিট। সেটি দেখিয়ে পরে সুবিধামতো সময়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর জটিলতা ছাড়াই গ্রাহক ব্যাংক অথবা বিআরটিএর নির্ধারিত স্থান থেকে মূল রিসিট সংগ্রহ করতে পারবেন। অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই বিআরটিএ’র সেবা পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অনেকটাই কমেছে জনভোগান্তি। সংস্থাটির সার্ভিস পোর্টাল (বিএসপি)’র অনলাইন সেবা প্রদানের মাধ্যম সহজেই এখন শিক্ষানাবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স, স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স, ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন, ডুপ্লিকেট ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি অনলাইনে আবেদন ও ফি প্রদান করা যাচ্ছে। অনলাইন সেবার ফলে জনমনে বিআরটি-এর সেবা নিয়ে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ গ্রাহকের।

বিআরটিএ খুলনা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার)  জনভোগান্তি কমাতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ ছাড়াও দৃশ্যমান অকল্পনীয় ও চমকপ্রদ পরিবর্তন এনেছেন। জনমনে বি আরটিএ খুলনার সেবা নিয়ে স্বস্তি ফিরেছে। এছাড়া খুলনা সার্কেলে যোগদানের পর থেকে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) খুলনা সার্কেলে আগের তুলনায় সেবার মানও বেড়েছে। বিআরটিএ-এর সকল কার্যক্রমে সময় সংক্ষেপ করা হয়েছে। যাতে মানুষ দ্রুত সেবা গ্রহণ করতে পারে। ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার দিতে আগে ১ থেকে ২ মাস সময় লাগলেও এখন সেটি তিনদিনের মধ্যে হচ্ছে। এই ডিজিটালাইজেশন ও ইনোভেশন কার্যক্রমের জন্য ‘জনপ্রশাসন পদক-২০২১’ পেয়েছে বিআরটিএ। এছাড়াও রাইডশেয়ারিং ও মোটরযানের এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন এবং সার্টিফিকেট প্রাপ্তির মতো কাজগুলো এখন মানুষ ঘরে বসেই করতে পারছেন। ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে হাইসিকিউরিটি স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মোটরযান রেজিস্ট্রেশনের আবেদনও করা যাচ্ছে। অপরদিকে রেজিস্ট্রেশন সনদের জন্য আঙুলের ছাপ দেয়া ও সার্টিফিকেট গ্রহণ, রেট্রো-রিফ্লেকটিভ নম্বর প্লেট ও আরএফআইডি ট্যাগ সংযোজনের সময়সূচি এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহকদেরকে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এসএমএসের মাধ্যমে ফিটনেস ও ট্যাক্স টোকেনের বৈধতার মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে প্রয়োজনীয় ফি সম্পর্কে অবহতি করা হয়।

বিআরটিএকে আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে ডিজিটাল, টেকসই, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, পরিবেশ বান্ধব আধুনিক সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ ও সেটা বাস্তবায়নে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলরা। অত্যাধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, যুগোপযোগী সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগে ভূমিকা রাখছে বিআরটিএ। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ, গৃহীত হয়েছে নতুন নতুন পরিকল্পনা। সব সময় আলোচনায় থাকা বি আরটিএ এখন ডিজিটাল সংস্থা। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের জেলা পর্যায়ে একদিনেই ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা এবং বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার নতুন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রীর ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ চালক তৈরিতে সহ সার্বিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ রেখে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বিআরটিএ‘র চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদের মজুমদারের নীবিড় তদারকিতে অভিষ্ট লক্ষে এগিয়ে যাচ্ছে বিআরটিএ।



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।