Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
২৫শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি অর্থনীতি
  7. খেলাধূলা
  8. চাকরি-বাকরি
  9. জাতীয়
  10. জীবনের গল্প
  11. ধর্ম
  12. নির্বাচনী হাওয়া
  13. ফিচার
  14. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নিবন্ধিত ৪৪টি দলের মধ্যে দ্বাদশ নির্বাচনে কারা যাচ্ছে ও কারা যাচ্ছে না

নিউজ রুম
নভেম্বর ২৫, ২০২৩ ৬:৫২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনে অংশ নিতে বিভিন্ন মহল থেকে তাদের চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন নেতা। ৪৪টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে অন্তত ২৬টি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০০৮ সালে, ‘দেশে সর্বশেষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন’-এর পর, নবম জাতীয় পরিষদে তাদের মধ্যে মাত্র পাঁচটি আসন ছিল। ২০১৪ সালের নির্বাচনে ১২টি দল অংশগ্রহণ করেছিল। বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী দল নির্বাচন বয়কট করে। ২০২৮ সালের নির্বাচনে ৩৯টি দল অংশ নিলেও বিএনপিসহ অনেক দল ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ এনে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করায় ১৪টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে চারটি দল এখনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়নি। এসব দলের কয়েকজন নেতা জানান, নির্বাচনে অংশ নিতে বিভিন্ন মহল থেকে তাদের চাপ দেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ১৫ নভেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয় অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি ও তার মিত্রদের চলমান আন্দোলনের মধ্যে এই ঘোষণা আসে।
সরকার যতটা সম্ভব নিবন্ধিত দলকে নির্বাচনে আনার চেষ্টা করছে। স্বল্প পরিচিত ও নবগঠিত বেশ কয়েকটি দল ইতোমধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক করতে এসব দলকে নির্বাচনে আনা হচ্ছে।

গত দুই সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টির ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ায় অনেকেই আগামী সংসদে আরও বিরোধী দল রাখার জন্য সরকারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এমন পদক্ষেপকে দেখছেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অনেক রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেবে।

নির্বাচনে আসা দল:
নির্বাচনে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া ২৬টি দল হচ্ছে—আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু), বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, গণতন্ত্রী পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (ইনু), জাকের পার্টি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (মুকিত), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট, বাংলাদেশ কংগ্রেস, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি।

এর মধ্যে নবম জাতীয় পরিষদে প্রতিনিধিত্বকারী পাঁচটি দল হলো-আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এবং জাতীয় পার্টি (মঞ্জু)।

এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক ‘নৌকা’ ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে ২৬টি দলের মধ্যে সাতটি ইসিতে চিঠি দিয়েছে। এগুলো হলো- জাতীয় পার্টি (মঞ্জু), বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল, গণতন্ত্রী পার্টি, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (আইএনইউ) ও তরিকত ফেডারেশন।

বাংলাদেশ কালচারাল লিবারেশন অ্যালায়েন্স এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের মতো কয়েকটি স্বল্প পরিচিত দল বলেছে যে তারা ৩০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

নির্বাচন বর্জন করা দল:
নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে আসা ১৪টি দল হলো—বিএনপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (রব), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, গণফোরাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (আম্বিয়া)।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব দলের একাধিক নেতা বলেন, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ প্রশাসন ছাড়া তারা নির্বাচনে অংশ নেবেন না। যে চারটি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্তহীনতা রয়েছে সেগুলো হলো বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (লন্ডন), বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ও খেলাফত মজলিস।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া বলেছেন, আমাদের দল এখনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে সম্প্রতি তিনি ইসিকে চিঠি দিয়ে বলেছেন, তার দল তাকে দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করার ক্ষমতা দিয়েছে। ২৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশসহ নয়টি ইসলামী দলের নেতারা গণভবনে সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠকে উপস্থিত দুই নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য নেতাদের অনুরোধ করলে নেতারা তাকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আশ্বাস দেন।

নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে খেলাফত আন্দোলন ও মুসলিম লীগের নেতারা বলেন, শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম বলেছেন, তারা নির্বাচনে অংশ নেবেন না।

বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দলের সহ-সভাপতি শাহিনুর পাশা চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।