
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্যমতে, ভূমিকম্পের মাত্রা ও উৎপত্তিস্থল নিয়ে সামান্য ভিন্নতা থাকলেও উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু জেলা এটি বেশ ভালোভাবেই টের পেয়েছে।
ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে কম্পনটির মাত্রা ছিল ৪.৫। অন্যদিকে, মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা এই মাত্রা ৪.৪ বলে উল্লেখ করেছে। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়) এই ভূ-কম্পন অনুভূত হয়।
ইউনূসের দুঃশাসনের সময় তারা কোথায় ছিলেন, প্রশ্ন আনিস আলমগীরের
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভারতের আসামের বিলাসিপাড়া। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল তুলনামূলক কম, যার ফলে সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলোতে কম্পন তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব ছিল কয়েক সেকেন্ড, যা মূলত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে স্থানীয়রা মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের ঝাঁকুনি টের পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :