Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
১৪ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ১লা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি অর্থনীতি
  6. খেলাধূলা
  7. চাকরি-বাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবনের গল্প
  10. ধর্ম
  11. নির্বাচনী হাওয়া
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আওয়ামী লীগকে দেশের মানুষ বিশ্বাস করে না : গয়েশ্বর

বার্তা কক্ষ
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৩ ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগকে দেশের মানুষ বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট হয় না। বাংলাদেশে যদি নির্বাচন ব্যবস্থা রাখতে চান প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনি পদত্যাগ করেন।’

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আজ রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ সব কারাবন্দির মুক্তির দাবিতে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে গয়েশ্বর রায় এসব কথা বলেন।

জাসাসের আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকনের পরিচালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদসহ জাসাসের নেতৃবৃন্দ।

গয়েশ্বর রায় বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লোকেরা বলছে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নেই। কিন্তু সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ১৯৯৫-৯৬ সালেও ছিল না। তখন আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলাম- মিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলে সংসদে মেয়াদ শেষ হওয়ার এক বছরের আগেই তারা সংসদ থেকে পদত্যাগ করে। সে কারণে সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষায় নির্বাচন হয়। সেই নির্বাচনে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হয়ে সরকার গঠন করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংযুক্ত করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। সেই নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ করে- এটা আপনাদের মনে থাকার কথা।’

সংবিধান দেশ ও দেশের জনগণের জন্য উল্লেখ করে গয়েশ্বর রায় বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি বা দলের জন্য সংবিধান নয়। আপনারা (আওয়ামী লীগ সরকার) ক্ষমতায় আসার পরেই সর্বপ্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলুপ্ত করেছেন।’

গয়েশ্বর আরও বলেন, ‘সংবিধান কোরআন, বাইবেল, গীতা বা অন্য কোনো ধর্মগ্রন্থ নয় যে এটা পরিবর্তন করা যাবে না। সংবিধান পরিবর্তন করা যায়। ’৭২ সালে যে সংবিধান তৈরি হলো আপনারা তার কিছুদিন পরেই পরিবর্তন করলেন। দ্বিতীয় সংশোধন করলেন, তৃতীয় সংশোধন করলেন, চতুর্থ সংশোধনের মধ্য দিয়ে আপনারা গণতন্ত্র ব্যবস্থা বিলুপ্ত করলেন- এক নেতার দেশ শাসনের ব্যবস্থা করলেন। গণতন্ত্রকে নির্বাসিত করলেন, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করলেন।’

সংবিধান অনুযায়ী দেশ চলছে না অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী যদি দেশ চলত, তাহলে আগের রাতে পুলিশ দিয়ে ভোট করতো না। নির্বাচনের সময় পুলিশের দায়িত্ব হচ্ছে ভোটারদের নিরাপত্তা দেওয়া। সেখানে পুলিশ প্রতিযোগিতা করেছে কে কত ভোট দিতে পারে। দিনের ভোট আগের রাতে করেছে। মরা মানুষ, ভোটার না-এমন ব্যক্তিরাও ভোট দিয়েছে।’

সরকারের উদ্দেশে গয়েশ্বর রায় বলেন, ‘আপনারা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করুন, সংসদ বিলুপ্ত করে নির্দলীয় সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন। সেই সরকার নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দিয়ে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। অবাধ সুষ্ঠু ভোটে যারা ক্ষমতায় আসবে তারা সরকার গঠন করবে।’



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।