
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, পারমাণবিক ইস্যুতে ইরানকে কাবু করতে না পেরে মার্কিন প্রশাসন এখন কূটনৈতিক আলোচনা স্থগিত রেখে সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক ক্ষয়যুদ্ধের নীতি গ্রহণ করেছে। ওয়াশিংটন তাদের মিত্রদের জানিয়েছে, দ্রুত পর্যুদস্ত করার পরিবর্তে তেহরানকে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক চাপে নিঃশেষ করাই এখন যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে কড়া ভাষায় সতর্ক করে লেখেন, তেল পাচার, তহবিল স্থানান্তর, ফ্রন্ট কোম্পানি বা যে কোনো উপায়ে ইরানকে সহায়তাকারী দেশ ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জামাই জ্যারেড কুশনার, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফকে আপাতত তেহরানের সঙ্গে সব ধরনের আলোচনা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটন চায় তেহরান যেন নতি স্বীকার করেই শর্তহীনভাবে চুক্তির টেবিলে ফিরে আসে।
তবে আন্তর্জাতিক সামরিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত কয়েক দশক ধরে কঠোর নিষেধাজ্ঞা সহ্য করা ইরানি নেতৃত্ব এই কৌশলেও নতি স্বীকার করবে কি না- তা অনিশ্চিত। বিশ্ববাজারে তেলের বাজারে প্রভাব পড়া ও মার্কিন নির্বাচনে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ঝুঁকির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা কতখানি সফল হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :