
নেয়ামত উল্যাহ তারিফ, নিজস্ব প্রতিবেদক: পূর্বসূরিদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, কৌশল এবং আদর্শ উত্তরাধিকারীরা খুব কাছ থেকে শেখার সুযোগ পান, যা তাদের দ্রুত দক্ষ নেতা হিসেবে গড়ে তোলে। জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে এমন অনেক উজ্জ্বল উদাহরণ সম্পর্কে আমরা সকলেই কম-বেশি অবগত। আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, সৎ ও জনপ্রিয় নেতার সন্তানরা যখন রাজনীতিতে আসেন, তখন তাদের পারিবারিক ভাবমূর্তি ও জনকল্যাণমুখী কাজের ধারা বজায় রাখার একটা ইতিবাচক চাপ থাকে। নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলাধিন ৮নং মোহাম্মদপুর (সাবেক ১৮নং চরক্লার্ক) ইউনিয়নের রাজনৈতিক মরহুম মোশাররফ হোসেন মেম্বার কর্মগুণে ছিলেন স্বনামধন্য। সে হিসেবে অত্র অঞ্চলের মানুষ তার পরিবারের সদস্যদেরকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসেন। এবং পরিবারের সদস্যরাও মানুষের প্রতি রেখেছেন সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক।
মরহুম মোশাররফ হোসেন মেম্বার এর আদর্শ, দেশপ্রেম, উদারতা, সততাকে বুকে ধারণ করে বর্তমানে তার দুই পুত্র- মহিব উল্যাহ বাবুল ও এমএস মাসুদ রাজনীতিতে সক্রিয়। এ প্রতিবেদকের সাথে কথোপকথনে এমএস মাসুদ বলেন, মানুষ হিসেবে আমাদের কতিপয় দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। আর রাজনীতির মাধ্যমে দেশের জন্য ও দশের জন্য সেবা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা কিছুটা সহজ হয়। মাটি ও মানুষের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা পালন করার লক্ষ্যে আমার রাজনীতি। এবং এক্ষেত্রে আমার বাবা অনুপ্রেরণার উৎস।
এমএস মাসুদ আরো বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি ব্যক্তি ও দেশের জন্য সর্বদা অমঙ্গল বয়ে আনে। আমি মনে করি, ধৈর্য, ক্ষমা, শ্রদ্ধা, সম্মান ও উদারতার মাধ্যমে শান্তিময় পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব। আমি শান্তির পক্ষে আমি মানবতার পক্ষে।
এছাড়াও এমএস মাসুদ বলেন, ক্ষণিকের দুনিয়াতে অহংকার নয় বরং মানুষের প্রতি থাকতে হবে হৃদয়ের টান- এ শিক্ষা আমার পারিবারিক। আমি সামর্থ অনুযায়ী আজীবন সেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।
আপনার মতামত লিখুন :