
সম্প্রতি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ভূমিদস্যু ও একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সঙ্গে আপস না করায় তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কিছু নিবন্ধনবিহীন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তাঁকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত করারও চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মনিরুজ্জামান বলেন, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। যে সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকে, সরকারি বিধি অনুযায়ী তার অধীনেই দায়িত্ব পালন করতে হয়। এটিকে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত দাবি করে যে সংবাদ ও পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
ভূমি কর্মকর্তা বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। দায়িত্ব পালনকালে কেউ ছবি তুললে বা কোনো ছবিতে তাঁর উপস্থিতি থাকলেই তা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ হতে পারে না। তাঁর দাবি, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পুরোনো বা সম্পাদিত (এডিটেড) ছবি ব্যবহার করে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “আমি কোনো রাজনৈতিক দলের দোসর নই এবং কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার ন্যূনতম সম্পৃক্ততাও নেই। আমি সরকারি বিধি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।”
মনিরুজ্জামান জানান, তাঁর বিরুদ্ধে পরিচালিত অপপ্রচারের বিষয়ে প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে প্রশাসন, গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় কান না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, অপপ্রচার তাঁর দায়িত্ব পালনে কোনো প্রভাব ফেলবে না। ভূমিদস্যু ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী অভিযান এবং সরকারি সেবা কার্যক্রম আগের মতোই অব্যাহত থাকবে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :