ঈদ : সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বন্ধন


প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ণ
ঈদ : সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বন্ধন

নীলফামারী প্রতিনিধি: এক মাসের সংযম ও ত্যাগের সাধনার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর সমাগত। বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে মুসলিম সমাজে ঈদুল ফিতর অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হয়। এ দিনটি সাম্য, সৌহার্দ্য, ভালোবাসা ও মিলনের মহিমা নিয়ে উপস্থিত হয়। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজানের সিয়াম সাধনা শেষে শাওয়ালের একফালি উদিত চাঁদ যেন বিপুল খুশির বার্তা হয়ে ধরণিতে আনন্দের ফল্গুধারা বইয়ে দেয়। রমজান মাসে ফিতরা প্রদান, জাকাত আদায় ও শাওয়াল মাসের প্রথম দিন ঈদের নামাজের ভেতর দিয়ে এমন কিছু দায়িত্ব পালন করতে হয়, যার প্রভাব ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে সুদূরপ্রসারী। বন্ধুত্ব, ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতা প্রদর্শনের জন্য রমজানের শিক্ষা তাৎপর্যমণ্ডিত।

এ প্রতিবেদককে ঈদুল ফিতর সম্পৃক্ত এক প্রশ্নের জবাবে মোঃ রফিকুল ইসলাম (ইউপি চেয়ারম্যান: ০৯ নং খুটামারা ইউনিয়ন পরিষদ, জলঢাকা, নীলফামারী।) বলেন বছরজুড়ে নানা প্রতিকূলতা, দুঃখ-বেদনা সব ভুলে ঈদের দিন মানুষ সবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিলিত হয়। ঈদগাহে কোলাকুলি, সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বন্ধনে সবাইকে নতুন করে আবদ্ধ করে। যা সত্যি অনেক ভালো লাগা অনুভূতি তৈরি করে।

রবিউল ইসলাম জনি (আহবায়ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন শাখা, নীলফামারী।) বলেন লক্ষণীয়, এবার ঈদুল ফিতর এসেছে প্রকৃতির রুদ্র প্রতাপের মধ্যে। এর মধ্যে রোজা রেখেছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। রোজাদাররা এভাবে সংযম ও কষ্টসহিষ্ণুতার চরম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার নজির স্থাপন করেছেন। পবিত্র এ দিন উপলক্ষে সকলের প্রতি রইল ঈদ মোবারক। সবার জীবন আনন্দময় হোক।

আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ মাষ্টার (সদস্য, হাজী কল্যাণ সমিতি খুটামারা ইউনিয়ন শাখা, জলঢাকা, নীলফামারী।) বলেন রমজানের বড় শিক্ষা সংযম। হিংসা ও বিভেদের দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সংযম ও পরিমিতিবোধ। বাস্তবতা হলো, সারা বিশ্ব আজ খুব অস্থির সময় অতিক্রম করছে। যুদ্ধ বিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। মানবতা আজ চরমভাবে পর্যুদস্ত। বিশ্বের বিভিন্ন এলাকায় মানুষ অনেক ক্ষেত্রে বিপর্যস্ত ও নির্যাতিত। এ অবস্থা কিছুতেই প্রত্যাশিত নয়। রমজানের শিক্ষা আমাদের মানবিক হওয়ার প্রেরণা জোগায়। আমাদেরকে মানবিক হতে হবে। সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।