কোম্পানীগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আটক ৫

✎ আবদুল্লাহ আল মামুন, (কোম্পানীগঞ্জ) নোয়াখালী
প্রকাশিত হয়েছে: ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানার গেটে পারিবারিক বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশ সদস্যসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই পক্ষের পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে বিরোধ মীমাংসার আলোচনা শেষে বের হওয়ার সময় এ সংঘর্ষ ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে প্রকাশিত সংবাদে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের চর ছোটধলী এলাকার মো. আলা উদ্দিন সোহেল ও তাঁর স্ত্রী মাশরুপা আক্তারের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাতে উভয় পক্ষের লোকজন থানায় উপস্থিত হন। সেখানে আলোচনার পর তাঁরা থানা থেকে বের হওয়ার সময় গেটসংলগ্ন এলাকায় কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে উভয় পক্ষের পাঁচজনকে আটক করে। প্রকাশিত সংবাদে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে মো. আলা উদ্দিন সোহেল, ইমতিয়াজ চৌধুরী, মো. আজগর আলী, জাহিদুল ইসলাম সাব্বির ও মাইন উদ্দিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, মাশরুপা আক্তার তাঁর লিখিত অভিযোগে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে যৌতুক দাবি, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই নির্যাতন শুরু হয় এবং একপর্যায়ে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাঁকে নির্যাতন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৭ অক্টোবর তাঁকে মারধর করে আহত করা হয়। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সহযোগিতায় তাঁকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্রও অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মাশরুপা আক্তার অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে তাঁর করা অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্তের ফল বা আদালতের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার গেটে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও মামলার সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

ই-প্রিন্ট