
নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য শেখ আব্দুল আজিজকে চেয়ারম্যান, এস এম মনজুর কাদের ও এস এম মুজিবর রহমানকে সদস্য করে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, বাংলাদেশ লইয়ার্স কাউন্সিল, সততায় অঙ্গীকারবদ্ধ আইনজীবী এবং সম্মিলিত পরিষদ নামে ৪টি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্রার্থীরা হচ্ছেন সভাপতি পদে মোল্লা মোহাম্মদ মাসুম রশীদ, সহসভাপতি মো. মহসিন চৌধুরী ও মো. মোশারফ হোসেন; সাধারণ সম্পাদক পদে মোল্লা মশিয়ুর রহমান নান্নু, যুগ্ম সম্পাদক এম এম তৌহিদুজ্জামান, লাইব্রেরি সম্পাদক জয়দেব কুমার সরদার, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নুরুন নাহার নাজমুন নেছা জেবা; সদস্য পদে মো. আশিকুজ্জামান, নারায়ণ কুমার মন্ডল, আ ফ ম মুস্তাকুজ্জামান মুক্তা, স্বর্ণালী দাশ, শেখ সোহান ইসলাম, মো. শাহাজাহান ঠাকুর, শকিরা ফেরদৌস রিমি।
বাংলাদেশ লইয়ার্স কাউন্সিল মনোনীত প্রার্থীরা হচ্ছেন সভাপতি পদে মো. আবুল খায়ের, সহসভাপতি মোসা. খুরশিদা সুলতানা, মুহ. আব্দুল মান্নান; সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ জাকিরুল ইসলাম জাকির, যুগ্মসম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম পান্না, লাইব্রেরি সম্পাদক আবু ইউসুফ মোল্যা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. আলীনুর রহমান সরদার; সদস্য পদে মো. নাজমুল হক আকুঞ্জী, প্রভাত কুমার সরকার, মো. মুজাহিদুল ইসলাম, শেখ মো. হুসাইন কবির, রুবেল মিনা (আব্দুর রহমান), মো. লুৎফর রহমান, মো. শহীদুল ইসলাম।
সততায় অঙ্গীকারবদ্ধ আইনজীবী মনোনীত প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন সভাপতি পদে বেগম আক্তার জাহান রুকু, সহসভাপতি এ এ এম মমিনুজ্জামান ও সাবিত্রী চক্রবর্তী; সাধারণ সম্পাদক পদে নিহিত কামিত ঘোষ, যুগ্মসম্পাদক এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হাফিজুর রহমান; সদস্য পদে শর্মিষ্ঠা রানী কুন্ডু।
সম্মিলিত পরিষদ মনোনীত সভাপতি পদে মো. বাচ্চু মিয়া, সহসভাপতি ইলিয়াস খান ও সমর চন্দ্র মন্ডল; সাধারণ সম্পাদক পদে মো. সফিউল আলম সুজন, যুগ্মসম্পাদক সরদার আবুল হাসেম, লাইব্রেরি সম্পাদক খাদিজা আক্তার টুলু, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রজেশ রায়; সদস্য পদে আয়শা খাতুন, মো. আব্দুল হানিফ, শেখ ইকবাল মোর্শেদ, কিশোর কুমার বৈরাগী, সুশীল কুমার গোলদার, সুরঞ্জন মন্ডল ও মো. শাহাবুদ্দিন হোসেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকবে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত পরিষদ। এই দুটি প্যানেলের মধ্যে তুল্যমূল্য লড়াই হবে বলে মনে করেন আইনজীবীরা। উভয় প্যানেলের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, তারা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তবে এই মুহূর্তে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরাসরি নির্বাচনে না গেলেও সম্মিলিত পরিষদকে সমর্থন করছে। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্যানেল বাংলাদেশ লইয়ার্স কাউন্সিলও জয়লাভ করতে তৎপরতা শুরু করেছে। বিএনপির অপর বিদ্রোহী প্যানেল সততায় অঙ্গীকারবদ্ধ প্যানেলটিও জয়লাভের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
আপনার মতামত লিখুন :