
গাছিরা জানান, প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০টি গাছ প্রস্তুত করতে হচ্ছে। শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি দিতে হচ্ছে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা। আগেভাগে গাছ প্রস্তুত না করলে পরে শ্রমিক পাওয়া কঠিন হবে।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় এবার ২ লাখ ৭১ হাজার খেজুরগাছ রয়েছে। চলতি মৌসুমে আড়াই হাজার টন গুড় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষ্ণ রায় বলেন, চুয়াডাঙ্গার খেজুরের গুড়ের মান ভালো হওয়ায় দেশজুড়ে এর চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এ জেলার গুড় দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হয়।