
স্থানীয় সূত্র জানায়, অনুষ্ঠানের সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম না বলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। শুরুতে বাগবিতণ্ডা হলেও পরে তা উত্তেজনায় রূপ নেয়। অভিযোগ আছে, বিএনপি নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠান পরিচালনাকারী নাটুদাহ হাইস্কুলের এক ধর্মীয় শিক্ষকের দিকে তেড়ে যান। এসময় জামায়াত নেতাকর্মীরা বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়।
চুয়াডাঙ্গায় ডিবি পুলিশের জ্যাকেট গায়ে ভুয়া ডিবি সদস্য জনতার হাতে আটক
ঘটনার এক পর্যায়ে নাটুদাহ ইউনিয়ন জামায়াতের আমির শামসুজ্জোহা এবং স্থানীয় বিএনপি সভাপতির ভাই শামসুলের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট রুহুল আমীনের হস্তক্ষেপে বিষয়টি দ্রুত শান্ত হয় এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম ঘোষণাসহ তার জীবনী প্রচার করা হয়।
চুয়াডাঙ্গায় ফিলিং স্টেশনে ভিড়, জ্বালানি তেল কেনার সীমা নির্ধারণ
দামুড়হুদা উপজেলা জামায়াতের নেতারা দাবি করেন, তারা শুরু থেকেই পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করেছেন। বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, সরকারি আয়োজনের আগে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়নি এবং অনুষ্ঠানে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি।
দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওবায়দুল্লাহ রহমান সাহেল বলেন, নাটুদাহয়ে যে ঘটনা ঘটেছে তা দুঃখজনক। প্রতি বছরের মতো ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা ও দোয়ার আয়োজন ছিল, আনুষ্ঠানিক নাম ঘোষণার বিষয় ছিল না। পরে বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা হয়।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :