
খবর পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিম। এ সময় থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) বিমল কর্মকার ও এসআই নজরুল ইসলামসহ পুলিশের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে ওই পুকুরে মাছ ধরার জন্য সেচ মেশিন বসানো হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুকুরের পানি কমে গেলে স্থানীয়রা মাছ ধরার প্রস্তুতি নিতে কচুরিপানা সরানোর সময় একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সেখানে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. নুরুল হাকিম জানান, মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন আগের হতে পারে। পচন ধরায় এখনো পর্যন্ত মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল-এর মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :