
আহত ব্যক্তিরা হলেন সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের শীতলপুর গ্রামের মৃত খাজের আলী সরদারের ছেলে শাহিন (৩০) এবং একই গ্রামের গোলাম রব্বানীর ছেলে মহিউদ্দিন (৪৩)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সীমান্ত এলাকার কয়েকজনের সহায়তায় একটি প্রাইভেটকারে করে তাঁদের কালীগঞ্জ উপজেলার পাউখালী এলাকায় আনা হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তাঁদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সুজায়েদ হোসেন জানান, আহত দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মহিউদ্দিনের মাথা ও হাতের কব্জিতে এবং শাহিনের পিঠে গুলির চিহ্ন রয়েছে বলে তিনি জানান।
চিকিৎসকের ভাষ্য অনুযায়ী, আহত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, প্রায় এক বছর আগে কাজের সন্ধানে তাঁরা ভারতের তামিলনাড়ুতে যান এবং সেখানে একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। সম্প্রতি দালালের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে দেশে ফেরার চেষ্টা করলে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানা-পুলিশ হাসপাতালে যায়। তবে গুলিবর্ষণের ঘটনাটি ঠিক কোন সীমান্ত এলাকায় ঘটেছে, সে বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। কেউ কেউ সাতক্ষীরা সদরের কুশখালী সীমান্তের কথা বলছেন, আবার কেউ কালীগঞ্জ উপজেলার বসন্তপুর বা বাঁশঝাড়িয়া সীমান্তের কথা উল্লেখ করছেন।
এ বিষয়ে বসন্তপুর ও বাঁশঝাড়িয়া সীমান্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র ঘটনাটি নিজেদের এলাকায় ঘটেনি বলে দাবি করেছে।
বর্তমানে আহত দুই ব্যক্তি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার প্রকৃত স্থান ও বিস্তারিত তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
সাতক্ষীরার আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে