
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামেলা খাতুনের বিয়ে হয়েছিল গাংনী উপজেলার এক গ্রামের বাসিন্দা জমিরউদ্দীনের সঙ্গে। তাদের সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে। এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্র জানায়, দরিদ্র জামেলা খাতুন ও তার স্বামী বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে চরম ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করতে না পারায় তারা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। এনজিও কর্মীদের চাপ ও হয়রানির কারণে তারা গাংনী ছেড়ে জামেলার বাবার বাড়ি বাঁচামারী গ্রামে আশ্রয় নেন।
কিন্তু সেখানেও এনজিও কর্মীরা এসে কিস্তির জন্য চাপ সৃষ্টি করলে ঋণের বিষয়টি বাবা-মা ও গ্রামবাসীর মধ্যে প্রকাশ পায়। লোকলজ্জা ও আত্মসম্মানের চাপে ভেঙে পড়ে জামেলা খাতুন। একপর্যায়ে তিনি সোমবার ভোররাতে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এনজিও কর্মীদের চাপ ও মানসিক নির্যাতনের কারণেই এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী। তারা এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এনজিও সংস্থাগুলোর ভূমিকার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :