
গত ৯ জুন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংগঠনগুলো জানায়, তারা জাতিসংঘের স্বেচ্ছাচারী আটক বিষয়ক কার্যকরী গোষ্ঠীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৫ জুন নোয়াখালী সদর উপজেলার বাঁধেরহাট বাজার এলাকায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা একটি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাবেশের আয়োজন করেন। পরে একই রাতে মাইজদী পৌর বাজার এলাকা থেকে ১৭ জন শিশুসহ ১৮ জনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। এরপর ৫ জুন রাত ও ৬ জুন ভোরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, আটককৃতদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, ভাঙচুর, উসকানি বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার কোনো বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়নি। তাদের মতে, এসব গ্রেপ্তার মত প্রকাশের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং সংগঠনের অধিকারের পরিপন্থী।
প্রতিবেদনে ১৭ জন শিশুর আটকের ঘটনায় বিশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, শিশুদের আটক কেবলমাত্র সর্বশেষ উপায় হিসেবে এবং স্বল্পতম সময়ের জন্য হওয়া উচিত। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে শিশুদের আটক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে নোয়াখালী লিগ্যাল এইড সেলের জেলা কমিটির আহ্বায়ক ও আটককৃতদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গুলজার আহম্মেদ জুয়েল বলেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর উদ্বেগ প্রকাশের বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। তিনি জানান, আটককৃতদের পক্ষে আদালতে জামিনের আবেদন করা হয়েছে এবং দ্রুত তাদের জামিন নিশ্চিত করার জন্য আইনগত পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আশা প্রকাশ করেন, আদালত ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে বিষয়টি বিবেচনা করবেন।
আপনার মতামত লিখুন :