
এর ফলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে শেষ করে প্রথমবারের মতো রিঅ্যাক্টরটি ক্রিটিক্যালিটি বা স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশনের পর্যায়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারবে। এ পর্যায়ে চুল্লিতে নিয়ন্ত্রিতভাবে পারমাণবিক বিভাজন শুরু হয় এবং ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে এগোয়।
আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্দেশনা অনুযায়ী, রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত প্রথম ইউনিটের ‘বি ওয়ান’ ধাপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সর্বশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভের পরীক্ষাও শেষ হয়েছে। এখন ‘বি টু’ ধাপে প্রাথমিক পরিচালনার জন্য চুল্লি প্রস্তুত করা হবে।
পরবর্তী ধাপে ধাপে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৩০০ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর পর জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।