
নির্বাচনের পর প্রার্থীদের ‘উধাও’ হয়ে যাওয়ার প্রথা ভাঙতে চান তিনি। জারা ঘোষণা করেছেন: ১. এলাকায় সার্বক্ষণিক স্থায়ী কার্যালয় থাকবে। ২. অভিযোগ ট্র্যাকিংয়ের জন্য ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড চালু হবে। ৩. এমপির সঙ্গে কথা বলতে কোনো ‘ভাই’ বা ‘নেতা’ ধরার প্রয়োজন হবে না।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি পেশাদার রাজনীতিবিদ নই, আমি এই এলাকার মেয়ে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশ গড়ার যে সুযোগ এসেছে, তা কাজে লাগাতে আমি রাজনীতিতে এসেছি। আপনাদের মাথা নত হতে দেব না। ঢাকা-৯-এর ভাগ্য বদলাতে এবার একজন ডাক্তারকে সুযোগ দিন।’
আপনার মতামত লিখুন :