
লাখোকণ্ঠ অনলাইন ডেস্কঃ ইরানের ‘শাহেদ ড্রোন’ হামলা ঠেকাতে কেন ব্যর্থ হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। শাহেদ-১৩৬ ড্রোনটি প্রথমে ইরান আবিষ্কার করে, তবে পরে এটির অনুকরণ করে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র ও লঞ্চারগুলোকে ধ্বংসের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অভিযান অত্যন্ত সফল হয়েছে। তবে ইরানের দূরপাল্লার আক্রমণাত্মক ড্রোন ‘শাহেদ’ এর মাধ্যমে আক্রমণ বন্ধ করতে সক্ষম না-ও হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
ফোর্বসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি, সমন্বিত ও মোতায়েনের জন্য বড় অবকাঠামোর প্রয়োজন হয়। কিন্তু শাহেদ ড্রোন একটি গ্যারেজে সমন্বিত করা যেতে পারে এবং একটি পিকআপ ট্রাকের পেছন থেকে এটি উৎক্ষেপণ করা যেতে পারে। এতে ইরান হয়ত অনির্দিষ্টকাল নতুন শাহেদ ড্রোন উৎপাদন ও উৎক্ষেপণ চালিয়ে যেতে পারবে।
যদিও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন, উৎক্ষেপণ ও কমান্ড অবকাঠামো ধ্বংস করার জন্য গৃহীত সামরিক কৌশল এবং পদক্ষেপগুলো অব্যাহত রাখা হবে, তা সত্ত্বেও অদূর ভবিষ্যতে মার্কিন বাহিনী শাহেদ ড্রোন হামলার মুখোমুখি হতে পারে।
শাহেদ ড্রোন ইতোমধ্যে ইরানের পক্ষ থেকে বড় হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের ৫ম নৌবহরের ঘাঁটিতে এ ড্রোন হামলার ফলে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এ ছাড়া কুয়েতে মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি লজিস্টিক ক্যাম্পে এবং সৌদি আরব ও কুয়েতে মার্কিন দূতাবাসে সরাসরি আঘাত হেনেছে শাহেদ ড্রোন। বাহরাইনের ঘাঁটিতে এ ড্রোন দিয়ে একাধিকবার হামলা করা হয়েছে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :