
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রিকসের নতুন সদস্য গ্রহণে বিদ্যমান সদস্য দেশগুলোর সম্মতি গুরুত্বপূর্ণ। ফলে পাকিস্তানের আবেদন নিয়ে জোটের অভ্যন্তরে আলোচনা চলছে।
২০২৩ সালে পাকিস্তান আবেদন করার পর মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্রিকসে যুক্ত হয়। তবে পাকিস্তানের সদস্যপদ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
ব্রিকসের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী পাকিস্তান। দেশটি ইতোমধ্যে ব্রিকসের নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে ৫৮ কোটি ডলারের শেয়ার কিনেছে। ইসলামাবাদের আশা, জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়লে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মমতাজ জোহরা বালোচ জানিয়েছেন, বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে ব্রিকসের সদস্য হতে চায় পাকিস্তান। এ বিষয়ে রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছে ইসলামাবাদ।
বর্তমানে ব্রিকস বিশ্বের জনসংখ্যা ও বৈশ্বিক অর্থনীতির একটি উল্লেখযোগ্য অংশের প্রতিনিধিত্ব করে। ফলে পাকিস্তানের জন্য জোটটির সদস্যপদ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক—দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।