
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতের ১৬তম দিনে এসে দেশের প্রধান নির্বাহীর জনসমক্ষে না আসা বা গুরুত্বপূর্ণ নীতি-নির্ধারণী বৈঠকে অংশ না নেওয়াকে অত্যন্ত ‘অস্বাভাবিক’ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
ইরানি নেতৃত্বের ওপর ইসরায়েলি হামলা এবং তার পাল্টা জবাবে ইরানের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এমন সংকটময় মুহূর্তে রোববার (১৫ মার্চ) ইসরায়েলে বিশেষ নিরাপত্তা ক্যাবিনেট এবং মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত এসব স্পর্শকাতর বৈঠক নেতানিয়াহু নিজেই পরিচালনা করে থাকেন। তবে রোববারের বৈঠকে তার আসনটি খালি ছিল।
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাঁচ মার্কিন জ্বালানি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
জর্ডানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘রয়া নিউজ’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল, সেখানে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর অনুপস্থিতি সবাইকে অবাক করেছে। তার পরিবর্তে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ও মন্ত্রীরা এই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা না আসায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার গুরুতর অসুস্থতা কিংবা মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন জোরালো হচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি কমান্ড সেন্টার লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর থেকেই এই রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :