Ad: ০১৭১১৯৫২৫২২
২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ || ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আইন শৃংখলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. কৃষি অর্থনীতি
  6. খেলাধূলা
  7. চাকরি-বাকরি
  8. জাতীয়
  9. জীবনের গল্প
  10. ধর্ম
  11. নির্বাচনী হাওয়া
  12. ফিচার
  13. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  14. বিনোদন
  15. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাজার চেষ্টা করেও বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারবে না:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

নিউজ রুম
ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৪ ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লাখোকন্ঠ অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ’৭৫ সালের পর বাংলাদেশে যে কয়টা নির্বাচন হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হচ্ছে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচন। বিএনপি হাজার চেষ্টা করে, মিথ্যা অপবাদ ছড়িয়ে এবং দেশ-বিদেশে নানা তদবির করেও নির্বাচন থেকে জনগণকে ঠেকাতে পারেনি। জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, এবার নতুন ভোটার এবং নারী ভোটাররা আরও বেশি ভোট দিয়েছে।

 

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা এ দেশের মানুষকে আরও উন্নত জীবন দিতে চাই। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে তারা যাতে আরও উন্নত জীবন পায়, সে পরিকল্পনা নিয়েই আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে।

 

তিনি বলেন, আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারসহ সবকিছু অর্জন করতে হয়েছে অনেক আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে। এ দেশের যতটুকু অর্জন, তা আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে।

ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে সব আন্দোলনে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।

বিএনপি ও তার মিত্র জোটের সরকার হটানোর আন্দোলন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, জামায়াত-বিএনপি বুঝলাম; কিন্তু আমাদের কিছু বামপন্থি দল আছে– তারাও লাফায়! তারাও নাকি আন্দোলন করবে, বিপ্লব করবে। এখন আবার তাদের মুখে বড় বড় কথা শুনি– আন্দোলন করে নাকি সরকার হটিয়ে দেবে। নির্বাচনের আগেও তারা বলেছিল, নির্বাচন করতে দেবে না। কিন্তু আমরা নির্বাচন করেই ক্ষমতায় এসেছি।

 

তিনি বলেন, আমি যাতে ক্ষমতায় না আসতে পারি, তার জন্যও অনেক রকম চক্রান্ত হয়েছে। তার পরও আসতে আসতে এ নিয়ে পঞ্চম দফায়ও ক্ষমতায় এসেছি।

দেশ ও জাতির কল্যাণে তাঁর সরকার গৃহীত পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে পাঁচবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ বছরে বাংলাদেশ অন্তত বদলে গেছে। গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতি হয়েছে। একটা আদর্শ নিয়ে না চললে কোনো দেশের উন্নতি করা যায় না। আর এই আদর্শ আমাদের শিখিয়েছে একুশ। বাংলাদেশ আজ সেই আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলেই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে।

 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণকে দেওয়া সব ওয়াদা পূরণ করেছে। ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮– প্রতিটি নির্বাচনের ইশতেহারে আমরা যা যা ওয়াদা জাতিকে করেছিলাম, প্রতিটি ওয়াদাই আমরা পূরণ করেছি। আর পূরণ করেছি বলেই আমরা মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছি।

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এখানে ভোগে নয়, ত্যাগেই হচ্ছে সবচেয়ে বেশি আনন্দ এবং অর্জন। এ কথাটা মনে রাখতে হবে। আর সেটা শিখিয়েছেন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদ এবং ভাষা আন্দোলনের শহীদরা। সেটা শিখিয়ে দিয়ে গেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কাজেই তাঁর আদর্শ নিয়েই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশকে আর কেউ পেছনে টানতে পারবে না।

তিনি বলেন, ইতিহাস বিকৃতি করে বাংলাদেশের মানুষকে হেয় করা এবং বঙ্গবন্ধুর অবদানকে অস্বীকার করা– এটা দেশের একশ্রেণির মানুষের মজ্জাগত। তাদের কিছুই ভালো লাগে না রোগ রয়েছে। এখনও দেখবেন– যা কিছু করেন না কেন, কোনো কিছুই তাদের ভালো লাগে না। এই ভালো না লাগার গ্রুপই আমাদের নামে বদনাম ছড়ায় সব জায়গায়।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নাম মুছে দেওয়া হয়েছিল। এখন আর তা মুছতে পারবে না। ইতিহাস বিকৃতি করে আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস যারা মুছে ফেলতে চেয়েছিল, ধীরে ধীরে তারাই আস্তাকুঁড়ে যাবে। আর বাঙালি মাথা উঁচু করে স্বাধীন সত্য নিয়ে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলবে। এটাই হলো বাস্তবতা।

 

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের কাছ থেকে আজ গণতন্ত্রের সবক শুনতে হয়, মানবাধিকারের কথা শুনতে হয়! অথচ তারা নানা উপায়ে বঙ্গবন্ধুকে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ইনডেমনিটি দিয়ে এই হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করেছে। খুনিদের পুনর্বাসন করে নানা জায়গায় পদায়ন করেছে। স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে তুলে দিয়েছে দেশের জাতীয় পতাকা।

একুশের চেতনার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, একুশ আমাদের শিখিয়েছে মাথানত না করার। একুশ আমাদের শিখিয়েছে মাথা উঁচু করে আদর্শ নিয়ে চলার। ভাষা আন্দোলন থেকে যে চেতনার উন্মেষ ঘটেছে, তার মাধ্যমেই কিন্তু আজকে আমরা পেয়েছি আমাদের স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতাকে আমাদের অর্থবহ করতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

 

সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ড. আব্দুর রাজ্জাক, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আতাউর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা, ঢাকা জেলা সভাপতি বেনজীর আহমেদ প্রমুখ। পরিচালনা করেন দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এবং উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম।

 



এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।