
গত ২ অক্টোবর উপজেলার আওনা ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে তাদের বিয়ে হয়। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফিনল্যান্ডপ্রবাসী এক আত্মীয়ের মাধ্যমে পরিচয়ের পর মুঠোফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের যোগাযোগ বাড়ে। একপর্যায়ে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক।
সিমির প্রথম স্বামী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। এরপর পাঁচ বছর বয়সী ছেলে রায়ান বাবুকে নিয়ে তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন। অন্যদিকে মিকার আগে কোনো বিয়ে হয়নি।
পরিবারের সূত্র জানায়, বিয়ের আইনি অনুমতি নিয়ে গত ২ অক্টোবর ঢাকায় পৌঁছান মিকা। পরে সরিষাবাড়ীতে এসে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে নিবন্ধিত কাজির মাধ্যমে সিমিকে বিয়ে করেন। সিমির ছেলেকেও নিজের সন্তান হিসেবে গ্রহণ করেছেন তিনি।
সিমি জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই তার স্বামী বাংলাদেশে এসেছেন। বর্তমানে তারা একসঙ্গে সংসার করছেন।
নবদম্পতির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১৮ অক্টোবর মিকাইলের ফিনল্যান্ডে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। পরে ভিসা ও পাসপোর্টসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্ত্রী ও সৎছেলেকে ফিনল্যান্ডে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।