
গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়। এরপর থেকে দেশজুড়ে মন্দির ও পূজামণ্ডপে প্রতিমা নির্মাণ, সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জার প্রস্তুতি চলে। অধিকাংশ মণ্ডপে প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।
তবে পূজার আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির ও প্রতিমায় হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি। বৃহস্পতিবার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সংবাদ সম্মেলনে তারা জানায়, দেশের ৩৪টি স্থানে হামলা ও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ১১টি মামলা হয়েছে এবং কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানানো হয়। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান নেতারা।
পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে, যা গত বছরের তুলনায় ৪৯৬টি বেশি। ঢাকা মহানগরে এবার ২৫৮টি মণ্ডপে পূজা হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ২২ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বেচ্ছাসেবী মোতায়েন, সম্ভব হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম রাখা।
ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি দুর্গোৎসবকে ঘিরে বাজারে কেনাকাটা ও মণ্ডপে দর্শনার্থীদের আনাগোনা বাড়ছে। আয়োজকেরা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের প্রত্যাশা করছেন।