
ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে বলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস। অন্যায় ও অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে সত্য, ন্যায় ও মানবতার প্রতিষ্ঠার বার্তা তাঁর জীবন ও দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পূজা, গীতাযজ্ঞ, নামসংকীর্তন, ভজন, ধর্মীয় আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। কোথাও কোথাও বের হবে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাও।
রাজধানী ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি। সকালে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় গীতাযজ্ঞের মধ্য দিয়ে দিনের আয়োজন শুরু হবে। বিকেলে পলাশীর মোড় থেকে বের হবে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা। বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এটি পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। রাতে অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ শ্রীকৃষ্ণ পূজা।
এদিকে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বাংলাদেশসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনও জন্মাষ্টমী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করছে। এসব আয়োজনে ধর্মীয় আলোচনা, শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ, ভজন-কীর্তন, আরতি, প্রসাদ বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রয়েছে।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সরকারি ছুটিও রয়েছে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচারের আয়োজন করা হয়েছে।
ভক্তদের কাছে জন্মাষ্টমী শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা ও আদর্শ স্মরণেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। সত্য, ন্যায়, মানবিকতা ও কর্তব্যের পথে চলার মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার বার্তাই এ দিনের অন্যতম মূল শিক্ষা।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :