
এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের দেওয়া এক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি। আজ সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘অতীতে কেউ ছাত্রদল করুক, ছাত্রশিবির করুক, ছাত্রলীগ করুক—এটা আমাদের কাছে মুখ্য নয়। আজকে থেকে যখন কেউ এনসিপিতে আসবে তিনি এনসিপির সংগঠক, এনসিপির নেতাকর্মী হিসেবে কাজ করবেন; এনসিপির আদর্শকে ধারণ করে কাজ করবেন।’
এনসিপি আহ্বায়কের এমন বক্তব্যের পর আনিস আলমগীর তার ‘আউট স্পোকেন আনিস আলমগীর’ পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, তাদের (এনসিপি) দাবিতে একসময় ইউনূসের পক্ষ থেকে বলা হলো- ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ। তারপর বলা হলো- আওয়ামী লীগও নিষিদ্ধ। বাহ, একেবারে ইতিহাস গড়া শুদ্ধি অভিযান।
তিনি বলেন, গল্প এখানেই শেষ না… এখন ইনাদের (এনসিপি) নতুন ঘোষণা- “ছাত্রলীগ থেকে কেউ আসতে পারবে, যদি অভিযুক্ত না হয়!” মানে আগে দরজা বন্ধ, তারপর আবার একটু ফাঁক করে বলা- “ভাই, ক্লিন থাকলে ঢুকে পড়েন!”
রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র: সাংবাদিক আনিস আলমগীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে
এই রাজনীতির নতুন ফর্মুলা দেখে তো মনে হচ্ছে- নিষিদ্ধ আর আমন্ত্রণ, দুটোই একই প্যাকেজে চলছে, যোগ করেন আনিস আলমগীর।
আপনার মতামত লিখুন :