
অভিযোগ রয়েছে, কিছু ক্লিনিকে প্রশিক্ষিত নার্সের পরিবর্তে আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দিয়ে রোগীর পরিচর্যা, ইনজেকশনসহ বিভিন্ন কাজ করানো হচ্ছে। কিছু ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যোগ্য টেকনিশিয়ানের ঘাটতি এবং পরীক্ষার রিপোর্টের নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।
রোগীদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত পরীক্ষা করানো এবং কিছু চিকিৎসকের সঙ্গে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কমিশনভিত্তিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া প্রয়োজন।
নিয়ম অনুযায়ী, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন, যোগ্য জনবল, নিরাপদ পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি। অভিযোগ উঠেছে, জেলার কিছু প্রতিষ্ঠানে এসব শর্ত যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না।
স্থানীয়দের দাবি, নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদন, জনবল ও সেবার মান যাচাই করা হোক। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
আপনার মতামত লিখুন :