
ফেসবুকে তাহেরী লেখেন, ‘চাঁদা এক ধরনের জুলুম-হোক সমঝোতার ভিত্তিতে কিংবা জোর-জবরদস্তির ভিত্তিতে। আপনার বক্তব্যে চাঁদাবাজি উৎসাহ পেতে পারে। আশা করছি, সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগমন্ত্রী বক্তব্যটি প্রত্যাহার করবেন। জয় হোক মানবতার।’ তাহেরীর ওই পোস্ট প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মহলে পক্ষে-বিপক্ষে প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পরিবহন খাতে অর্থ আদায় প্রসঙ্গে মন্ত্রী রবিউল আলম জানান, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নামে যে অর্থ তোলা হয়, সেটিকে তিনি ‘চাঁদাবাজি’ মনে করেন না। এসব অর্থ মালিক-শ্রমিকদের সমঝোতার ভিত্তিতে এবং একটি অলিখিত বিধি মেনে তাদের কল্যাণে নেওয়া হয়। মন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজি হলো এমন কিছু, যেখানে কেউ টাকা দিতে চায় না কিন্তু তাকে বাধ্য করা হয়। সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা আদায় হলে সেটিকে চাঁদাবাজি বলা যাবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
আপনার মতামত লিখুন :