
সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নীরব বহিষ্কার কী?
পাবলিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে আটক না করেই হলে নিয়ম ভঙ্গ (যেমন—কথা বলা, ঘাড় ঘোরানো, অন্যের খাতা দেখা) বা অসদুপায় অবলম্বনের কারণে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শকের মাধ্যমে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ করা হয়। এতে পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারেন না যে তিনি বহিষ্কৃত হয়েছেন, তবে পরবর্তীতে তার উত্তরপত্র বাতিল করা হয়।
এসএসসির খাতায় নম্বর দেয়া নিয়ে যে নির্দেশনা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
নীতিমালার নির্দেশনা
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বন বা অন্য কোনো কারণে বহিষ্কার বা নীরব বহিষ্কার করা হলে তার সৃজনশীল উত্তরপত্রের কাভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ না ছিঁড়ে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনের সঙ্গে বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রদত্ত গোপনীয় ফরম যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেটে সংরক্ষণ করতে হবে। প্যাকেটের ওপর লাল কালিতে স্পষ্টভাবে রিপোর্টেড লিখে কেন্দ্রের অন্যান্য উত্তরপত্রের সঙ্গে না মিশিয়ে আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।
এতে আরো বলা হয়, নীরব বহিষ্কারের ক্ষেত্রে কারণ অবশ্যই প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
নীরব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দিতে হবে। তবে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতেও যদি কোনো অসদুপায় ধরা না পড়ে, তবু তার সব বিষয় ও পত্রের উত্তরপত্র (সৃজনশীল ও নৈর্ব্যক্তিক) আলাদাভাবে জমা দিতে হবে এবং প্রত্যেকটির সঙ্গে নীরব বহিষ্কারের বিষয়, পত্র ও কারণ উল্লেখ করে প্রতিবেদন সংযুক্ত করতে হবে।
আপনার মতামত লিখুন :